<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609</id><updated>2012-02-17T04:16:03.031+06:00</updated><category term='ইন্টারনেট'/><category term='কীট পতঙ্গ'/><category term='আবিষ্কার'/><category term='রোগ-ব্যাধি'/><category term='ফসিল'/><category term='সাক্ষাৎকার'/><category term='মহাকাশ'/><category term='জীবনী'/><category term='উষ্ণায়ন'/><category term='গবেষক'/><category term='বিজ্ঞানমনস্কতা'/><category term='যান্ত্রিক'/><category term='প্রাণীবিদ্যা'/><category term='গণিত'/><category term='পাখি'/><category term='শক্তি'/><title type='text'>বিজ্ঞানব্লগ</title><subtitle type='html'>বিজ্ঞান বিষয়ক খবরাখবর ও রচনাবলী</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>29</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-1740640714721677231</id><published>2009-07-31T21:48:00.001+07:00</published><updated>2009-07-31T21:51:30.635+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বিজ্ঞানমনস্কতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জীবনী'/><title type='text'>কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞানচেতনার আলোকে</title><content type='html'>&lt;i&gt;আজকের যুগান্তর পত্রিকায় প্রখ্যাত দার্শনিক 'কাজী মোতাহার হোসেন'কে বিজ্ঞানচেতনার আলোকে সুন্দরভাবে আলোচনা করেছেন আবুল আহসান চৌধুরী। আলোচনাটি আমার ব্লগে রেখে দিলাম।&amp;nbsp; এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা প্রকাশের জন্য যুগান্তর পত্রিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="color: red; text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞানচেতনার আলোকে&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: red;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: red;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="color: red; text-align: center;"&gt;&lt;b&gt;আ বু ল আ হ সা ন চৌ ধু রী&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;মোতাহার হোসেন ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি-আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। ১৯২৬-এ ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুক্তবুদ্ধি-চর্চার প্রতিষ্ঠান ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’। এই সংগঠনের বীজমন্ত্র ছিল- ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব;। সংস্কারমুক্ত, যুক্তিবাদী, প্রগতিশীল, কল্যাণমুখী সমাজগঠনই ছিল এর লক্ষ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাজী মোতাহার হোসেন (১৮৯৭-১৯৮১) তাঁর এক স্মৃতিচর্চায় নিজের যথার্থ পরিচয় কোনটি সে বিষয়ে বলতে গিয়ে কিছুটা কৌতুক করে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘আমার সম্বন্ধে কথা উঠেছে, আমি দাবাড়ু, না বৈজ্ঞানিক, না সাহিত্যিক?’১ - এই প্রশ্নের জবাবে অনায়াসে বলা যায়, মোতাহার হোসেনের সব ক’টি পরিচয়েই বিখ্যাত ও বিশিষ্ট। এইসব গুণের যে-কোনো একটিকে অবলম্বন করেই তিনি জাতীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারতেন। তবে দাবাড়ু ও সাহিত্যিক খ্যাতির কাছে তাঁর বিজ্ঞানসাধকের পরিচয়টি যে কিছুটা প্রচ্ছন্ন- এ-কথা অবশ্য কবুল করতেই হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র ও শিক্ষক। তাই তাঁর চিন্তা-চেতনার একটা বড়ো অংশ জুড়ে ছিল বিজ্ঞান। তবে বিজ্ঞান নিছকই তাঁর পেশাগত পঠন-পাঠনের বিষয় ছিল না। অধ্যয়ন-অধ্যাপনার সূত্রে বিজ্ঞান বিষয়ে তাঁর সন্ধিৎসা-কৌতূহল ও মৌলিক চিন্তাও ছিল। বিজ্ঞানকে তিনি নিছক যুক্তি-প্রমাণের প্রণালীবদ্ধ শৃঙ্খলা-শাস্ত্র বিবেচনা করেননি- তিনি একে দিয়েছিলেন সৃষ্টিশীল শাস্ত্রের মর্যাদা। তাই তাঁর মন-মনন-মানসের স্বরুপ সন্ধানের জন্যে তাঁর বিজ্ঞানচর্চা ও চিন্তার বিষয়টি বিবেচনা বিশেষ জরুরি।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেন তাঁর বিজ্ঞানদৃষ্টি ও চেতনার জন্য জ্যোতীন্দ্রমোহন রায়, ডব্লিউ. এ. জেনকিন্স, সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশের কাছে গভীরভাবে ঋণী। জ্যোতীন্দ্রমোহন ছিলেন তাঁর স্কুলজীবনের শিক্ষক, জেনকিন্স কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষক, সত্যেন্দ্রনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-সহকর্মী ও প্রশান্তচন্দ্র তাঁর পরিসংখ্যান-বিদ্যার গুরু।&lt;br /&gt;তবে এ-বিষয়ে তাঁর সলতে-পাকানোর কাজটি হয়েছিল ছেলেবেলাতেই। বাল্য-পাঠের কালে তাঁর গাণিতিক-বিদ্যার হাতেখড়ি হয়েছিল খেলার ছলে এবং তার মূলে ছিল তাঁর পিতার আন্তরিক প্রয়াস। তিনি স্মরণ করেছেন :&lt;br /&gt;তিনি [মোতাহার হোসেনের পিতা] যে ৮ বছর পর্যন্ত খেলাধুলার মাধ্যমে বাগানের ফুল-আম-জাম-পেয়ারা কুড়ানো আর বয়স্যদের সঙ্গে ভাগ-বাটোয়ারার মাধ্যমেই আমার স্বাভাবিক বুদ্ধিবিকাশের সুযোগ দিয়েছিলেন, সে জন্য আমি তাঁর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা বোধ করি। সম্ভবত আমার অঙ্কের জ্ঞান অর্থাৎ স্কুলের যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগের প্রয়োগ পদ্ধতির সঙ্গে মনের ভিতরে সঞ্চিত হয়েছিল। তাই শতকিয়া পাঠ, ধারাপাত, সংখ্যা-লিখন পদ্ধতি, ডাক পড়ানো ইত্যাদি কাজ আমার খুব ভাল লাগতো।২&lt;br /&gt;সেই ছেলেবেলাতেই তাঁর উদ্ভাবনী শক্তি জন্ম নিয়েছিল। গ্রামের স্কুলের শিক্ষক তাঁকে ‘যোগ-বিয়োগ ও গুণনের পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন’, তারপর ভাগের নিয়ম তিনি ‘নিজে নিজেই আবিষ্কার করে’ শিক্ষককে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। পরে যখন তিনি কুষ্টিয়া হাইস্কুলের ছাত্র, তখন যন্ত্র ও কলকবজার প্রতি কৌতূহলের কারণে একবার কেমন বিপত্তিতে পড়েছিলেন সে-কথা জানা যায় তাঁর স্কুলজীবনের স্মৃতিকথায় :&lt;br /&gt;আমি একদিন [কুষ্টিয়া] রেল স্টেশনের স্কেল-ব্যালান্স-এর হ্যান্ডল ধরে নাড়াচাড়া করছিলাম, এমন সময় কেমন করে যেন হাতের থেকে লেভার-এর উজন-কাঠিটা মাপনযন্ত্রের পেটের ভিতর ঢুকে গেল। আমি অসহায়ভাবে হতভম্ব হয়ে ওটা তুলে আবার হাতলের সঙ্গে লাগাবার চেষ্টা করছি। এমন সময় স্টেশন-মাস্টার ব্যাপার দেখে, আমাকে ঐখানেই চুপ করে বসে থাকতে বললেন।৩ পরে এক পরিচিতজনের হস্তক্ষেপে বিপন্ন সন্ধিৎসু মোতাহার সেবারের মতো রেহাই পান।&lt;br /&gt;এই কুষ্টিয়া হাইস্কুলেরই শিক্ষক ছিলেন জ্যোতীন্দ্রমোহন রায়। মোতাহার হোসেন যাঁকে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ বলে রায় দিয়েছেন। এঁর কাছেই মোতাহার হোসেন নিচের ক্লাসে জ্যামিতি ও ওপরের ক্লাসে মেকানিকস বা ‘গতিবিজ্ঞান, স্থিতিবিজ্ঞান ও যন্ত্রবিজ্ঞান’ পড়েছেন। এঁর পড়ানোর ধরনটাই ছিল আলাদা। ক্লাসরুমের বাইরে নিয়ে গিয়ে হাতে-কলমে জ্যামিতি শেখাতেন। কখনও ছাত্রদের নিয়ে যেতেন পুরনো নীলকুঠিতে তার ব্যাসার্ধ মেপে বের করার জন্যে। আবার কখনও নিজে টিকেট কেটে ছাত্রদের সার্কাস দেখাতে নিয়ে যেতেন, বিনোদনের পাশাপাশি ‘ইনারশিয়া’ ও ‘সার্কুলার মোশন’ বোঝানোর জন্যে। প্রিয় ছাত্র মোতাহারকে তিনি যুক্তি দেখান, ‘তুই ত ওসব বইয়ে পড়েছিস; কিন্ত্ত চাক্ষুস দেখলে বিষয়টা আরও স্পষ্টভাবে তোর মনে বসে যাবে।’৪ কৃতজ্ঞ মোতাহার হোসেন বলেছেন :&lt;br /&gt;এইভাবে জ্যোতীনবাবু কতভাবে কতদিকে আমাদের জ্ঞানবৃদ্ধির জন্য চিন্তা ও চেষ্টা করেছেন, তার অবধি নেই। আমার অঙ্কে বিশেষ পারদর্শিতা আছে দেখে, তিনি নিজের চেষ্টায় ‘মেকানিক্সে’র বই পড়ে আগের থেকেই পড়াবার জন্য প্রস্ত্তত হয়েছিলেন, আর হেডমাস্টারের কাছে বলেছিলেন, ‘মোতাহারের মতো এমন ছেলেকে যদি সবপযধহরপং পড়ানো না হয়, তাহলে আর কার জন্য এ বিষয় পড়ানো যাবে।’ এইভাবে যুক্তি দেখিয়ে উপযুক্ত যন্ত্রপাতি কিনে কুষ্টিয়া স্কুলেই বোধহয় পূর্ববাংলায় সর্বপ্রথমে মেকানিক্স পড়ানোর আয়োজন করা হয়।৫&lt;br /&gt;জ্যোতীন্দ্রমোহনের হাতে-কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা দেয়ার আরেকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন মোতাহার হোসেন। ছাত্রদের দিয়ে কাঠের গোল তক্তায় কাগজ সেঁটে ‘গণিতমিটার’ তৈরি করিয়ে তাদের আগ্রহকে উসকে দিতেন তিনি। মোতাহার হোসেনের তৈরি এই রকম একটি ‘গণিতমিটার’ তিনি বহুকাল সযত্নে সংরক্ষণ করেছিলেন। শুধু বিজ্ঞানশিক্ষা নয়,- সেই সঙ্গে বিজ্ঞানমনস্কতা, নীতি-নৈতিকতা আর মানবিকতার শিক্ষাও মোতাহার হোসেন তাঁর এই প্রিয় শিক্ষকের কাছ থেকেই পেয়েছিলেন। উত্তরকালে তাঁর ভেতরে যে বিজ্ঞানমানস গড়ে উঠেছিল, তার প্রথম পাঠ তিনি পেয়েছিলেন তাঁর এই স্মরণীয় স্কুলশিক্ষকের কাছ থেকেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.&lt;br /&gt;অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু মোতাহার হোসেনের প্রত্যক্ষ শিক্ষক ছিলেন না- ছিলেন&lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় সহকর্মী। কিন্ত্ত জিজ্ঞাসু মোতাহার হোসেন একজন শিক্ষার্থীর কৌতূহল নিয়েই তাঁর কাছে যেতেন এবং নিয়তই নিজের জ্ঞানতৃষ্ঞা মেটাতেন। কখনো গণিতের জটিল প্রশ্নের সমাধানের জন্যে তাঁর শরণাপন্ন হতেন, - আবার কখনোবা অধ্যাপক বসু নিজেও নানা ধরনের ‘কূট অঙ্কে’র সমাধান করতে দিয়ে তাঁকে ‘বাজিয়ে নিতেন’। এইভাবে মোতাহার হোসেন অধ্যাপক বসুর প্রিয় ও কাছের মানুষ হয়ে ওঠেন। এই সুবাদে তিনি নিজেকে সত্যেন বসুর ‘সবচেয়ে বড় ছাত্র’ বা ‘ছাত্রতম’ হিসেবে দাবি করেছেন।৬&lt;br /&gt;অধ্যাপক বসুর প্রেরণাতেই মোতাহার হোসেনের পরিসংখ্যানবিদ্যা শেখা সম্ভব হয়। গণিতে মোতাহার হোসেনের আগ্রহ ও অধিকার লক্ষ্য করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর সেই তিরিশের দশকেই সত্যেন বসুর অনুসরণে তিনি বাংলা ভাষায় পদার্থবিদ্যা পড়াতে শুরু করেন। বিজ্ঞানের জটিল বিষয়কে ইংরেজি থেকে বাংলা ভাষায় রƒপান্তরের ঝোকও সৃষ্টি হয় অধ্যাপক বসুর উৎসাহে। এর ফলে সত্যেন বসুর ছঁধহঃঁস ঞযবড়ৎু সংক্রান্ত গবেষণা-নিবন্ধ বাংলায় তর্জমা করেন ‘ঝলকবাদ’ নাম দিয়ে এবং তা ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ছাপা হয়। এর পাশাপাশি তিনি অধ্যাপক বসুর আরো দু-একটি বিজ্ঞানবিষয়ক ইংরেজি-প্রবন্ধেরও ভাষান্তর করেন বাংলায়।&lt;br /&gt;সত্যেন বসু মোতাহার হোসেনকে পরিসংখ্যান-বিদ্যা পড়তে পাঠিয়েছিলেন ভবিষ্যতের ভাবনা মাথায় রেখে। এ-প্রসঙ্গে মোতাহার হোসেন বলেছেন :&lt;br /&gt;এর মধ্যেই তাঁর মাথায় এসে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যাগণিত চালু করতে হবে। আর সে জন্য শিক্ষক সৃষ্টি করতে হবে। সত্যেনবাবুর স্নেহ ও অনুগ্রহেই আস্তে আস্তে আমার পাঠনের মোড় ফিরে গেল : পদার্থবিদ্যা থেকে পরিসংখ্যান বা তথ্যগণিতের দিকে। তিনি প্রথমে তথ্যগণিতকে অঙ্কশাস্ত্রের সঙ্গে সংযোজিত করে দিলেন। এর ফলে ১৯৩৯ সাল থেকে আমি তথ্যগণিত পড়াতে লাগলাম। এইভাবে কিছুদিন চলার পর তথ্যগণিতের একটা পুরো অনুষদ সৃষ্টি করা হল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটা বিষয়ে গর্ব করতে পারে; সে হচ্ছে, তথ্যগণিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ই.অ. ঐড়হড়ঁৎং ঈড়ঁৎংব খুলবার আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উক্ত অনার্স কোর্স খোলা হয়েছিল।৭&lt;br /&gt;সত্যেন বসু শুধু মোতাহার হোসেনকে পরিসংখ্যান-বিদ্যা শিখতে পাঠিয়েছিলেন তাই নয়, ‘ইষড়পশ উবংরমহ’ সম্পর্কে গবেষণায়ও তাঁকে উৎসাহিত করে তোলেন, তাঁর পিএইচডি গবেষণাপত্রটিরও প্রয়োজনীয় সংশোধন করে দেন। তাঁর এই গবেষণা অভিসন্দর্ভের&lt;br /&gt;অন্যতম পরীক্ষক ছিলেন বিশ্ববিশ্রুত পরিসংখ্যানবিদ স্যার রোনাল্ড ফিশার। তিনি মন্তব্য করেছিলেন :&lt;br /&gt;ও ধস ঢ়ধৎঃরপঁষধৎষু ংঃৎঁপশ নু ঃযব বহঃবৎঢ়ৎরংব ংযড়হি নু গৎ. ঐংঁংধরহ. ওহ ড়ৎফবৎ ঃড় ংড়ষাব হবি ঃুঢ়বং ড়ভ ঢ়ৎড়নষবসং যব যধং ভড়ৎমবফ হবি সবঃযড়ফং নু ঃযব ধঢ়ঢ়ষরপধঃরড়হ ড়ভ যিরপয যব যধং ঢ়ৎড়াবফ ৎবংঁষঃং যিরপয ও যধফ ড়হষু মঁবংংবফ রিঃযড়ঃঁ নবরহম ধনষব ঃড় ঢ়ৎড়াব. ঐব যধং মড়হব সড়ৎব ফববঢ়ষু রহঃড় ঃযব ংঁনলবপঃ ঃযধহ ধহু ঢ়ৎবারড়ংঁ ৎিরঃবৎ.৮&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেন-উদ্ভাবিত পদ্ধতি সংখ্যাতত্ত্বশাস্ত্রে ‘ঐংঁংধরহং'ং ঈযধরহ জঁষব’ নামে স্বীকৃতি পেয়েছে। তাঁর এই সাফল্যের মূলে যে ছিলেন সত্যেন বসু সে-কথা কবুল করতে তিনি কখনও দ্বিধা করেননি- ‘এর আদিতে ছিল সত্যেনবাবুর অসীম স্নেহ।’ ৯&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.&lt;br /&gt;ডব্লিউএ জেনকিন্স-এর কাছে মোতাহার হোসেন নানা কারণে ঋণী। তিনি ছিলেন তাঁর পদার্থবিজ্ঞানের প্রিয় শিক্ষক। মেধাবী ও জিজ্ঞাসু ছাত্র হিসেবে মোতাহার জেনকিন্সের মনোযোগ কেড়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যাওয়ার সময় মোতাহার হোসেনের কথা বিশেষ করে সত্যেন বসুকে বলে যান। এর আগে ১৯২১-এর গোড়াতেই জেনকিন্সের কল্যাণে এমএ পরীক্ষার্থী মোতাহার হোসেন নব-প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শক [উবসড়হংঃৎধঃড়ৎ] হিসেবে প্রবেশের সুযোগ লাভ করেন। কিছু পরে পূর্ণ শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। জেনকিন্সের আনুকূল্য তাঁর জীবন-বিকাশের পথ খুলে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬.&lt;br /&gt;বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে মোতাহার হোসেনের নিজস্ব একটা পাঠদান পদ্ধতি ছিল। তিনি জটিল বিষয়কে সহজ করে মাতৃভাষায় বোঝানোর পক্ষপাতী ছিলেন। আর পাঠন-বিষয়ে উদাহরণ কিংবা সাদৃশ্য-বিবরণ আহরণ করতেন শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতার জগৎ থেকে। ফলে তিনি সহজেই হয়ে উঠেছিলেন ছাত্রপ্রিয় শিক্ষক। তাঁর পড়ানোর সহজ পদ্ধতির দরুনই নব-প্রবর্তিত পরিসংখ্যান-বিদ্যার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষকরাও এই সব ছাত্রের ‘গুছিয়ে জওয়াব’ লেখার প্রশংসা করতে কখনো কুণ্ঠিত হননি।১০&lt;br /&gt;তাঁর পাঠন-প্রণালীর বৈশিষ্ট্য এবং শিক্ষার্থীর প্রতি গভীর মমতা ও মনোযোগের কারণে ছাত্রদের স্মৃতিতেও তিনি উজ্জ্বল হয়ে আছেন। জানা যায় :&lt;br /&gt;ক্লাসের বাইরে, সন্ধ্যার পরেও আমরা পড়তে গেছি কাজী সায়েবের বাসায়। অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় শুয়ে শুয়েও অস্পষ্ট কোন বিষয়কে তিনি স্পষ্ট করতে চেষ্টা করেছেন।’১১&lt;br /&gt;কোনো যান্ত্রিক পদ্ধতি নয়, গতানুগতিক কোনো প্রণালীও নয়, তিনি পড়াতেন নিজস্ব এক ভঙ্গিতে। তাঁর শ্রেণীকক্ষে পড়ানোর ধরনটি ছিল এইরকম :&lt;br /&gt;স্বকীয়তা ও অভিনবত্ব প্রকাশ পেত দৈনন্দিন ক্লাসরুমে তাঁর পড়ানোর মাঝেও। প্রায় সব সময়ই পরিসংখ্যান তত্ত্বের কোন একটা প্রতিপাদ্যের প্রমাণ বা কোনো একটা ধ্রুবাঙ্কের মান নির্ণয় করতেন সম্পূর্ণ নিজস্ব পদ্ধতিতে, যার সঙ্গে বইয়ের গতানুগতিক পদ্ধতির মিল খঁুজে পাওয়া যেত না। প্রচলিত ফরমুলার ধারে-কাছে না গিয়ে তিনি নিত্যনতুন ফরমুলা ও পদ্ধতি নিজেই উদ্ভাবন করতেন।&lt;br /&gt;তিনি চাইতেন ছাত্ররা যেন মূল সূত্র (ভরৎংঃ ঢ়ৎরহপরঢ়ষব) থেকে যুক্তির প্রয়োগের দক্ষতা ও মানসিকতা অর্জন করতে পারে। বই থেকে না-বুঝে বা আধা বুঝে ক্লাসরুমে বা পরীক্ষার খাতায় উদগীর্ণ করা ছিল তাঁর অতি অপছন্দ। বইতে লেখা প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে কোন একটা সমাধান করতে পারলে তিনি আনন্দিত হতেনঃ।১২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭.&lt;br /&gt;পরিসংখ্যান-বিদ্যা পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে মোতাহার হোসেন যেমন প্রবর্তকের দাবিদার, তেমনি বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও এ-দেশে তাঁর ভূমিকা পথিকৃতের। আমাদের বেশির ভাগ বিদ্বান-পণ্ডিতদের মধ্যে মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চা কিংবা পঠন-পাঠনের বিষয়ে একটা অনীহা বরাবরই লক্ষ্য করা গেছে। এ-ক্ষেত্রে পরিভাষাসহ নানা অজুহাত তাঁরা খাড়া করে থাকেন। মোতাহার হোসেন এ-সব বক্তব্যকে ‘ছেঁদো যুক্তি’ বলে বিবেচনা করতেন।&lt;br /&gt;বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানশাস্ত্র পঠন-পাঠনে তাঁর আদর্শ ছিলেন অধ্যাপক সত্যেন বসু। তাঁর প্রেরণাতেই তিনি এ-বিষয়ে অগ্রসর হন। মোতাহার হোসেনের জবানিতেই জানা যায় :&lt;br /&gt;১৯৩৬/৩৭ সাল থেকেই তিনি [অধ্যাপক সত্যেন বসু] বাংলা ভাষায় পদার্থবিদ্যা পড়াতেন। আমিও তাঁর পন্থা অনুসরণ করেছিলাম। এতে কোনও দিন অসুবিধা বোধ করিনি।১৩&lt;br /&gt;সত্যেন বসুর পরামর্শে তিনি বাংলায় পদার্থবিদ্যার ব্যবহারিক শিক্ষার বইও লিখেছিলেন ছাত্রদের পরীক্ষণের উদ্দেশ্য’ ও ‘প্রক্রিয়া’ ভালোভাবে বোঝার জন্য।&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেন এরপর থেকে বরাবর বাংলা ভাষার মাধ্যমেই পড়িয়েছেন- প্রথমে পদার্থবিদ্যা, পরে পরিসংখ্যান। তাঁর কাছে পরিসংখ্যান পড়েছেন, এমন একজন এ-বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন :&lt;br /&gt;বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার বিষয়ে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল। ক্লাসের সব বই ইংরেজিতে হলেও তিনি পড়াতেন বাংলাতে অতি কঠিন তত্ত্বকে সহজ করে।১৪&lt;br /&gt;পরবর্তীতে পুরোপুরি পরিসংখ্যানের শিক্ষক হলেও মোতাহার হোসেনকে তাঁর পূর্ব-বিষয় পদার্থবিদ্যার ক্লাসও কিছু কিছু নিতে হতো। এই পদার্থবিদ্যার এক প্রাক্তন ছাত্র তাঁর স্মৃতিচারণায় উল্লেখ করেছেন :&lt;br /&gt;উচ্চ বিজ্ঞানের কথাও যে বাংলা ভাষায় সহজেই লেখা যায় এবং বলা যায়, এটা তাঁর [কাজী মোতাহার হোসেন] কাছ থেকেই প্রথম জানতে পারি।১৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮.&lt;br /&gt;বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা, পঠন-পাঠন, বই লেখা ও তর্জমার বড় সমস্যা ও অন্তরায় যে কেবল পরিভাষার নয়, মানসিকতারও- এ-বিষয়ে মোতাহার হোসেন প্রথম থেকেই সচেতন ছিলেন। দেশভাগের পর শিক্ষা বোর্ড গণিতের পরিভাষা ও সৃষ্টির যে উদযোগ গ্রহণ করে, তাতে মোতাহার হোসেনের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তিনি সব সময় ‘সহজসাধ্য এবং বর্ণনামূলক পরিভাষারই পক্ষপাতী’ ছিলেন।১৬ পরিভাষার সমস্যা যে বিজ্ঞান-পঠন পাঠনের অন্তরায় হতে পারে না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্টই তাঁর ‘তথ্য-গণিত’ বইয়ের ভূমিকায় বলেছেন :&lt;br /&gt;ঃ অনেকের মনেই অহেতুক সংশয় রহিয়াছে,-বাংলা ভাষার মাধ্যমে তথ্য-গণিতের মতো একটি বিষয় কেমন করিয়া শিখান যাইবে। পরিভাষা কোথায়? বাংলা ভাষার যে সমৃদ্ধি কোথায়, যাহাতে বহু পৃথক পৃথক প্রায় সমার্থক পারিভাষিক শব্দের ব্যঞ্জনা প্রকাশ করা যায়? কিন্ত্ত এই বলিয়া কি আরম্ভ করিতে হইবে না? আরম্ভ না করিলে কোথায় কোথায় জটিলতা রহিয়াছে, তাহা ধরা পড়িবে কেমন করিয়া, আর ধরা না পড়িলে অতিক্রমইবা করা যাইবে কিভাবে?&lt;br /&gt;বিজ্ঞানের নানা বিষয়ের পরিভাষার ব্যাপারে তিনি সত্যেন বসুর পরামর্শ ও সহায়তা সবসময়ই পেয়েছেন।&lt;br /&gt;তথ্য-গণিত বইয়ে মোতাহার হোসেন যে পরিভাষা উদ্ভাবন ও ব্যবহার করেছেন, তার অধিকাংশই সত্যেন বসু পছন্দ করেছিলেন, যে সামান্য কয়েকটি তিনি অনুমোদন করেননি, তার বিকল্প শব্দের ধারণাও তিনি দিয়েছিলেন।১৭&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেন নিজে বিজ্ঞান বিষয়ে বই-পুস্তক ও প্রবন্ধ-নিবন্ধ লিখে প্রমাণ করেন যে, মাতৃভাষায় বিজ্ঞানের মতো গুরুভার বিদ্যার চর্চা সহজেই হতে পারে। তিনি তথ্য-গণিত (১৯৬৯), গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস (১৯৭০) ও আলোক-বিজ্ঞান (১ম খণ্ড, ১৯৭৫) রচনা করে যথাক্রমে পরিসংখ্যান, গণিত ও পদার্থবিদ্যা বংলায় পড়ানোর পাঠ্যপুস্তকের অভাব অনেকাংশে মিটিয়েছেন। এই বই তিনটি তার মাতৃভাষায় বিজ্ঞান-চিন্তারই ফসল। এক সময় তিনি স্যার রোনাল্ড ফিশারের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত প্রামাণ্য গ্রন্থ ঝঃধঃরংঃরপধষ গবঃযড়ফ-এর বাংলা অনুবাদেও হাত দিয়েছিলেন, কিন্ত্ত শেষ পর্যন্ত নানা কারণে এই কাজটি সম্পন্ন হতে পারেনি।১৮&lt;br /&gt;‘তথ্য-গণিতে’র ভূমিকায় তিনি উল্লেখ করেছেন :&lt;br /&gt;ঃকলেজীয় শিক্ষা বাংলা ভাষার মাধ্যমে হইলে ছাত্রদের বুঝিবার সুবিধা হয় এবং অল্প প্রচেষ্টাতেই&lt;br /&gt;বিষয়াদি আয়ত্ত হইতে পারেঃ। এ কথা বিজ্ঞান-শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।&lt;br /&gt;এই চেতনা থেকে যেমন তথ্য-গণিত কিংবা গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস রচিত-অনুদিত হয়েছে, তেমনি আলোক-বিজ্ঞান ও। এই বইগুলো বাংলায় বিজ্ঞান বিষয়ক উচ্চতর পাঠ্যপুস্তক রচনার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপই কেবল নয়, সেইসঙ্গে প্রেরণাসঞ্চারী উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও।&lt;br /&gt;১৯৭৪-এর ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কাজী মোতাহার হোসেনকে সাম্মানিক ‘ডক্টর অব&amp;amp; সায়েন্স’ উপাধি প্রদান করা হয়। কোন বিশেষ আনুকূল্য কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, তার অর্জন ও কৃতির পরিপ্রেক্ষিতেই এই সম্মান তাকে দেয়া হয়। এই সমাবর্তন সভায় তার পরিচিতি প্রসঙ্গে বলা হয়েছিল, ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চার যারা সূত্রপাত করেছেন, আপনি তাদের অন্যতম অগ্রণী’। -এই কথাটি আক্ষরিক অর্থেই তার জন্য সত্য ও প্রযোজ্য।&lt;br /&gt;যৌবনের প্রথম পর্ব থেকেই বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের নানা বিষয়ে প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং পরবর্তী সময়ে বই লিখে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চার জোরালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোতাহার হোসেন। এ ধারায় তিনি জগদীশচন্দ্র বসু, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, জগদানন্দ রায় কিংবা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯.&lt;br /&gt;কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞানের সাধনার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চায়ও ছিলেন নিবেদিত। তাই তার সাহিত্য বিষয়ক মননশীল রচনায় নিরাবেগ-যুক্তিনিষ্ঠার বৈশিষ্ট্য এবং বিজ্ঞান বিষয়ক রচনায় সাহিত্যের সংবেদনা ও রসবোধ এবং সামাজিক কল্যাণ চিন্তার ছাপও পড়েছে। তিনি নিজেও একথা বলেছেন :&lt;br /&gt;বিজ্ঞান যে সাহিত্য-রসে সঞ্জীবিত হয়ে প্রকাশিত হতে পারে এবং তা সমাজ ও জাতির মঙ্গল সাধনে শুভ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে সেটা দেখানোও আমার উদ্দেশ্য।১৯&lt;br /&gt;তার ‘কবি ও বৈজ্ঞানিক’ প্রবন্ধে তিনি বিজ্ঞান ও সাহিত্যের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নির্দেশের পাশাপাশি এদের পারস্পরিক সম্পর্ক-সূত্র আবিষ্কারের চেষ্টাও করেছেন। এ বিষয়ে তার বক্তব্য :&lt;br /&gt;জগৎ ঃ কবি ও বৈজ্ঞানিক দুইজনের নিকটই কৃতজ্ঞ। বৈজ্ঞানিক না থাকলে কবির কল্পনা, খেয়াল হয়ে ধোঁয়ার মতো শূন্যে মিলিয়ে যেত, আর কবি-চিত্ত না থাকলে, বৈজ্ঞানিকের সাধনা পৃথিবীর ধুলা-মাটির মধ্যে মাথা কুটে মরত।২০&lt;br /&gt;বিজ্ঞান ও সাহিত্যের মধ্যে একটা সমন্বয়ের চিন্তা তার মনে যে সক্রিয় ছিল তা বেশ বোঝা যায়।&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেনের বিজ্ঞানচিন্তা ছিল নিখাদ ও যুক্তিশাসিত। আমাদের দেশের অনেক মনীষীর মতো তিনি ধর্ম ও বিজ্ঞানের অযৌক্তিক সমন্বয় ও সরল সমীকরণে বিশ্বাসী ছিলেন না। তাই তিনি স্পষ্টই বলতে পারেন :&lt;br /&gt;বিজ্ঞান ও যুক্তির সহিত সংঘর্ষে (অর্থাৎ জ্ঞানবিচার ও বুদ্ধির ক্রমিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে) ধর্মের আনুষঙ্গিক বিশ্বাসগুলোর যদি একটু পরিবর্তন হয়, তবে তাহা দূষণীয় নহে বরং সেইটিই প্রয়োজন।২১&lt;br /&gt;সক্রেটিস ও গ্যালিলিওর সত্য-প্রকাশের চরম পরিণাম-ফলের দৃষ্টান্ত টেনে এ কথাও তিনি বলেছেন :&lt;br /&gt;ঃ মত বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকলে পৃথিবীতে জ্ঞানের উন্নতি মারা্তকভাবে ব্যাহত হতো। বর্বরতা স্থায়ী করার শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে নতুনের সন্ধান ছেড়ে দিয়ে স্থায়ী হয়ে পুরাতনকেই অাঁকড়ে বসে থাকা।২২&lt;br /&gt;তাই, তার বিবেচনায় :&lt;br /&gt;বিজ্ঞানের রাজ্যে এবং জীবনের সবক্ষেত্রেই মতের সহনশীলতা ও সংস্কারমুক্ত নিরাসক্ত বিচারই উন্নতির উপায়। বৈজ্ঞানিকের জ্ঞান উন্নয়নের পন্থা পরীক্ষামূলক।২৩&lt;br /&gt;কেননা :&lt;br /&gt;ঃ বৈজ্ঞানিক সচরাচর দৃশ্যমান জগতের প্রত্যেক বস্ত্ত ও ঘটনাকেই বিশেষভাবে পরখ করে দেখতে চান। তার কাছে ইন্দ্রিয়ের অগোচর বিষয়াদির প্রাধান্য নাই।২৪&lt;br /&gt;বিশ্বাস নয়, নির্ভুল তথ্য আর অকাট্য যুক্তিই বিজ্ঞানের প্রধান অবলম্বন- সিদ্ধান্তের মূল উপকরণ তই রক্ষণশীল শাস্ত্রবিশ্বাসী সাধারণের চোখে বিজ্ঞানীর স্বরƒপ ভিন্নভাবে উদ&amp;amp;ঘাটিত হয়। সেই কারণে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীকে ভুল বোঝার শিকারও হতে হয় অনেক সময়। কিন্ত্ত তা যে সঠিক মূল্যায়ন নয়, সে কথা উল্লেখ করে বলেছেন তিনি :&lt;br /&gt;বৈজ্ঞানিককে সাধারণত বস্ত্ততান্ত্রিক নির্মম বিশ্লেষক ও নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হইয়া থাকে। কিন্ত্ত বৈজ্ঞানিকের বস্ত্ত-তান্ত্রিকতার অর্থ সত্যনিষ্ঠা, সত্যকে বা বাস্তবকে ইন্দ্রিয়াদি ও যন্ত্রাদি সাহায্যে পরীক্ষা করিয়ে লওয়া এবং অন্ধবিশ্বাসের পরিবর্তে সুদৃঢ় জ্ঞানকে প্রতিষ্ঠিত করিবার চেষ্টা।২৫&lt;br /&gt;কাজী মোতাহার হোসেনের বিজ্ঞানদৃষ্টির পেছনে নিছক জ্ঞানস্পৃহাই নয়, ছিল কল্যাণবুদ্ধি ও মানবতাবোধের ধারণাও। তিনি ১৯৩৯ সালে অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসুর একটি ইংরেজি প্রবন্ধের অনুবাদ করেন ‘সভ্যতা ও বিজ্ঞান’ নামে। এই প্রবন্ধটি তর্জমায় তিনি উদ্বুদ্ধ হন শুভবুদ্ধির প্রেরণায়। সত্যেন বসুর এই প্রবন্ধের বক্তব্য তাকে প্রাণিত করেছিল এবং এতে তার মতের প্রতিফলনও লক্ষ্য করেছিলেন। প্রবন্ধটির মূল বিষয় ছিল বিজ্ঞানের অপপ্রয়োগ,-এর নারকীয় ধ্বংসলীলা ও এর ফলে সভ্যতার সংকটের কথা এবং সর্বোপরি এই সমস্যা-সংকট উত্তরণের উপায়-নির্দেশ। এই প্রবন্ধে যে মানবিক আর্তি ও বিজ্ঞানের কল্যাণকর ইতিবাচক দিকের প্রশস্তি উচ্চারিত হয়েছে, তা মোতাহার হোসেনেরও চিন্তা-চেতনার অম্বিষ্ট ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১১.&lt;br /&gt;মোতাহার হোসেন ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি-আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। ১৯২৬-এ ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় মুক্তবুদ্ধি-চর্চার প্রতিষ্ঠান ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’। এই সংগঠনের বীজমন্ত্র ছিল- ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব;। সংস্কারমুক্ত, যুক্তিবাদী, প্রগতিশীল, কল্যাণমুখী সমাজগঠনই ছিল এর লক্ষ্য। ‘সাহিত্য-সমাজে’র এক বার্ষিক অধিবেশনের কার্যবিবরণী লিখতে গিয়ে মোতাহার হোসেন উল্লেখ করেছিলেন :&lt;br /&gt;আমরা চক্ষু বুঁজিয়া পরের কথা শুনিতে চাই না, বা শুনিয়াই মানিয়া লইতে চই না;- আমরা চাই চোখ মেলিয়া দেখিতে সত্যকে জীবনে প্রকৃতভাবে অনুভব করিতে। আমরা কল্পনা ও ভক্তির মোহ-আবরণে সত্যকে ঢাকিয়া রাখিতে চাই না। আমরা চাই জ্ঞান-শিখা দ্বারা অসার সংস্কারকে ভস্মীভূত করিতে এবং সনাতন সত্যকে কুহেলিকা মুক্ত করিয়া ভাস্বর ও দীপ্তিমান করিতে।২৬&lt;br /&gt;এই সংগঠনের চিন্তা-চেতনার আলোকেই মোতাহার হোসেনের মন-মানস মূলত গড়ে উঠেছিল। ‘সাহিত্যসমাজে’র এই যুক্তির-প্রজ্ঞার-বিজ্ঞানমনস্কতার প্রেরণাতেই চিরকাল পথ চলেছেন মোতাহার হোসেন।&lt;br /&gt;সত্যের অনুরোধে এ কথা বলতেই হয় যে, আমাদের দেশে বিজ্ঞানচর্চা যারা করে থাকেন- বিজ্ঞান পঠন-পাঠনের সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের অনেকেই পুঁথি-শাসিত বিদ্বান এবং তারা সংস্কার, গোঁড়ামি, অন্ধবিশ্বাস, ভাবালুতা, রক্ষণশীলতা, শাস্ত্রের দাসত্ব থেকে পুরোপুরি মুক্ত নন। কিন্ত্ত মোতাহার হোসেন কখনও অন্ধবিশ্বাস বা প্রথার আনুগত্য করেননি, মানেননি সংস্কারের শাসন- ছিলেন যুক্তি, প্রগতি ও শ্রেয়চেতনার পক্ষে- পরিপূর্ণ বিজ্ঞানমনস্কতায় সমর্পিত সৃজনশীল এক বিজ্ঞানসাধক। কাজী মোতাহার হোসেনের সঙ্গে এখানেই অন্যদের মৌলিক ফারাক এবং এই বিবেচনাতেই তিনি একক ও অনন্য।&lt;br /&gt;তথ্যনির্দেশ-&lt;br /&gt;১. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৭৯। কাজী মোতাহার হোসেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’; পৃ. ৩৫&lt;br /&gt;২. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জানুয়ারি-ডিসেম্বর ১৯৮১। কাজী মোতাহার হোসেন, ‘আমার জীনব-দর্শনের অভ্যুদয় ও ক্রমবিকাশ’, পৃ. ১&lt;br /&gt;৩. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জানুয়ারি ১৯৭৫। কাজী মোতাহার হোসেন, ‘কুষ্টিয়ার স্মৃতিকথা’; পৃ. ১৭&lt;br /&gt;৪. ঐ; পৃ. ২১&lt;br /&gt;৫. ঐ; পৃ. ২২&lt;br /&gt;৬. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জানুয়ারি-ডিসেম্বর ১৯৮৪। কাজী মোতাহার হোসেন, ‘বিজ্ঞানচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বোসকে যেমন দেখিছি’; পৃ. ২-৩&lt;br /&gt;৭. ঐ; পৃ. ৬-৭&lt;br /&gt;৮. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৭৯। পূর্বোক্ত; পৃ. ৩৫&lt;br /&gt;৯. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জানুয়ারি-ডিসেম্বর ১৯৮৪। পূর্বোক্ত; পৃ. ১০&lt;br /&gt;১০. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৭৯। পূর্বোক্ত; পৃ. ২৯&lt;br /&gt;১১. সন&amp;amp;জীদা খাতুন সম্পাদিত, ‘কাজী মোতাহার হোসেন জন্মশতবর্ষ : আপনজনদের স্মৃতিকথা’; ঢাকা, ১৯৯৭। এম. ওবায়দুল্লাহ, ‘আমাদের কাজী সাহেব’; পৃ. ৩৩&lt;br /&gt;১২. ঐ। কাজী ফজলুর রহমান, ‘কাজী মোতাহার হোসেন : একজন সম্পূর্ণ মানুষ’; পৃ. ৫১&lt;br /&gt;১৩. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৮৪। পূর্বোক্ত; পৃ. ৭&lt;br /&gt;১৪. ‘কাজী মোতাহার হোসেন জন্মশতবর্ষ : আপনজনদের স্মৃতিকথা’, পূর্বোক্ত। কাজী ফজলুর রহমান, পূর্বোক্ত; পৃ. ৫৪&lt;br /&gt;১৫. ‘কাজী মোতাহার হোসেন জন্মশতবর্ষ : আপনজনদের স্মৃতিকথা’, পূর্বোক্ত। জামিল চৌধুরী, ‘অ্যাবসেন্ট মাইন্ডেড প্রফেসর’, পৃ. ৬১&lt;br /&gt;১৬. আবুল আহসান চৌধুরী সম্পাদিত, ‘কাজী মোতাহার হোসেন রচনাবলী’, ৪র্থ খণ্ড, ঢাকা, জুন ১৯৯২; পৃ. ২০৬&lt;br /&gt;১৭. ‘লোকসাহিত্য পত্রিকা’, জুলাই-ডিসেম্বর ১৯৮৪। পূর্বোক্ত; পৃ. ৮&lt;br /&gt;১৮. ‘কাজী মোতাহার হোসেন জন্মশতবর্ষ : আপনজনদের স্মৃতিকথা’, পূর্বোক্ত। কাজী ফজলুর রহমান, পূর্বোক্ত; পৃ. ৫৪&lt;br /&gt;১৯. কাজী মোতাহার হোসেন, ‘নির্বাচিত প্রবন্ধ’, ১ম খণ্ড, ঢাকা, জুন ১৯৭৬; ‘ভূমিকা’&lt;br /&gt;২০. কাজী মোতাহার হোসেন, ‘সঞ্চরণ’, দ্বি-স : ঢাকা, ১৯৬৯; পৃ. ৫৪&lt;br /&gt;২১. ঐ; পৃ. ১৭২&lt;br /&gt;২২. আবদুল হক সম্পাদিত, ‘কাজী মোতাহার হোসেন রচনাবলী’, ২য় খণ্ড, ঢাকা, ডিসেম্বর ১৯৮৬; পৃ. ৮২-৮৩&lt;br /&gt;২৩. ঐ; পৃ. ৮৩&lt;br /&gt;২৪. ‘সঞ্চরণ’, পূর্বোক্ত; পৃ. ৪৭-৪৮&lt;br /&gt;২৫. ঐ; পৃ. ২০৮&lt;br /&gt;২৬. ‘শিখা’, ২য় বর্ষ : ১৯২৮; পৃ. ২২ &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://jugantor.info/enews/issue/2009/07/31/news0624.php"&gt;সূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ৩১ জুলাই, ২০০৯&lt;/a&gt; (লেখার কারিগরি ত্রুটিগুলো পত্রিকায় প্রকাশিত পাতাতেও রয়েছে)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-1740640714721677231?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/1740640714721677231/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/07/blog-post.html#comment-form' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1740640714721677231'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1740640714721677231'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/07/blog-post.html' title='কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞানচেতনার আলোকে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-5834256197684597343</id><published>2009-02-20T23:07:00.003+06:00</published><updated>2009-02-20T23:16:01.803+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইন্টারনেট'/><title type='text'>ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা</title><content type='html'>ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা নিয়ে &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;"ইন্টারনেটে আমার ভাষা"&lt;/span&gt; নামে একটি দারুণ নিবন্ধ লিখেছেন &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;'মুনির হাসান'&lt;/span&gt;। বারবার পড়ার মতো এই লেখাটি &lt;a href="http://banglahelpsite.googlepages.com/cr"&gt;এই সাইটের &lt;/a&gt;সহায়তা নিয়ে ইউনিকোডে কনভার্ট করে আমার ব্লগে পুনরায় প্রকাশ করলাম। মুনির হাসানের সহজভঙ্গির লেখায় ইউনিকোড বাংলা কি জিনিস তা অতি সহজে বোঝা যায়। তিনি যেভাবে লেখাটিকে উপস্থাপন করেছেন, তাতে বাংলা ভাষাপ্রেমী যে কারও মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি হবে। আমার কাছে তো খুবই ভাল লেগেছে। কিন্তু তিনি যেভাবে বাংলা ভাষাকে টিকিয়ে রাখতে প্রস্তাব করেছেন, অর্থাৎ বেশি বেশি করে বিভিন্ন অনলাইন এপ্লিকেশনগুলোতে বাংলা লিখে বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি উৎসাহ দিয়েছেন। কিন্তু ইন্টারনেট বিহীন বাংলাদেশের গ্রামগুলোর প্রাণবন্ত ছেলেমেয়েরা কি করবে? তাদের তো ইন্টারনেট সুবিধা নেই। ইন্টারনেট এখনও ঢাকা ও কয়েকটা বড় শহর কেন্দ্রিক, এছাড়াও ব্যবহারের খরচও কম নয়। সেটা এ দেশে কয়জনেরই বা আছে? তা যা হোক মুনির হাসানের আশাবাদী মনোভাবকে শ্রদ্ধা করি। তার সম্পুর্ণ লেখাটি নিচে তুলে ধরলাম।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইন্টারনেটে আমার ভাষা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মুনির হাসান&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;কোন ভাষা টিকে থাকবে−গুটেনবার্গের ছাপাখানা আবিষ্কারের আগে এ প্রশ্নের উত্তরটা ছিল সহজ। বলা হতো, সেসব ভাষাই টিকে থাকবে, যেগুলোর লিখিত রূপ আছে। যে যে ভাষা কেবল ‘কথাবার্তায়’ চলে, তা বিবর্তিত হয়ে একসময় হারিয়ে যাবে। ছাপাখানা আবিষ্ককারের পর, ব্যাপারটা অনেকখানি পাল্টে গেল। তখন বোঝা গেল, ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে দরকার তার ‘মুদ্রণরূপ’। পরের ইতিহাস অনেক দ্রুত এগিয়েছে। যে ভাষাগুলো তাদের অক্ষরের ছাপ পায়নি, সিসাতে তারা হারিয়ে যেতে শুরু করল। বলা যায়, ভাষার ওপর প্রযুক্তির ছড়ি ঘোরানো সেই থেকে। এরপর এল টাইপরাইটার, ফটোটাইপ সেটিং−ক্রমশ উন্নত প্রযুক্তি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ শতকে কম্পিউটার, কম্পিউটারের নিজের ভাষা কিন্তু সহজ−জলবৎ তরলং, কেবল ‘১’ আর ‘০’। তা সে ভাষা তো মানুষ ‘সেভাবে’ বোঝে না, তাই তৈরি করা হলো নিয়মকানুন, অনুবাদক। আমাদের ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় প্রকাশের জন্য একটা মোর্সকোডের মতো ম্যাপ বানানো হলো [মোর্সকোড হলো ড্যাশ আর ডটের মাধ্যমে ইংরেজি বর্ণমালা বোঝানোর সংকেতলিপি। টেলিগ্রাফে ব্যবহূত হয়]। সেটির একটি গালভরা নামও হলো−আসকি (ASCII)। এগুলো কিন্তু মুশকিল নয়, বরং প্রযুক্তির ধারাবাহিক ক্রমবিকাশ। মুশকিলটা হয়েছে অন্য। শিল্প ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশ এই পৃথিবীর সবখানে একসঙ্গে হয়নি। ফলে কম্পিউটার নামের যন্ত্রটির বিকাশের সঙ্গে যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাঁদের সবাই ছিলেন ইংরেজি ভাষাভাষী। ফলে তাঁরা কেবল তাঁদের ভাষার (ইংরেজি) কথা ভেবে যাবতীয় কল-কব্জা, নীতিমালা বানিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কম্পিউটারের ব্যাপারটা এমন যে অচিরে সেটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ল। অন্য ভাষার লোকেরা সেটিকে তাদের মতো করে, তাদের ভাষায় ব্যবহার করতে চাইল। কম্পিউটারবিদেরা পড়লেন বিপদে। কারণ, সব তো বানানো হয়েছে ইংরেজিকে কেন্দ্র করে। ‘যত মুশকিল তত আসান’ কাজে সবাই রাস্তাও বের করে ফেললেন। দুটো রাস্তা−প্রথমটিও ইংরেজির সঙ্গে সহাবস্থান, আশু করণীয় হিসেবে। অর্থাৎ ‘আসকি’র ইংরেজি ছাড়া অংশগুলো নিজেদের ভাষার জন্য ব্যবহার করা, একটি মধ্যবর্তী প্রক্রিয়া ব্যবহার করা ইত্যাদি। ফলে ইংরেজি কম্পিউটারে জাপানি, আরবি এমনকি বাংলা ভাষায় কাজ করা সহজ হয়ে গেল। এ কাজটা করার সময় কয়েকটি জাতি প্রথমেই ম্যাপের ব্যাপারে একমত হয়েছে। যেমন ভারতীয়রা, তারা আসকি থেকে ইসকি (ISCII) বানিয়ে নিয়ে সবাই সেটা মেনে চলেছে। আবার অনেক দেশে আসকির খালি জায়গাগুলো ‘যে যেমন খুশি’ তেমনই ব্যবহার করেছে। যেমন−আমরা। ফলে আমরা কম্পিউটারে বাংলা লিখতে পারলাম বটে, তবে আমার লেখা আর আপনার কম্পিউটারে ‘পড়া’ যায় না! এভাবে কম্পিউটারে ভাষার ‘স্থানীয়’ সমাধানের পাশাপাশি কাজ হলো ‘আন্তর্জাতিক’ সমাধানের। ফলাফল হিসেবে পাওয়া গেল ‘ইউনিকোড’−বলা যায়, ‘আসকিরই শতপুত্র’। আসকিতে ছিল মোটে ২৫৬টি সংকেত। ইউনিকোডে হলো ৬৫ হাজারেরও বেশি! অর্থাৎ কি না পৃথিবীতে যত ভাষা চালু আছে, তার যত প্রতীক আছে, সবই সেখানে রাখা যাবে (ম্যাপিং)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পৃথিবীর আর দশটি ভাষার মতো আমার মায়ের ভাষাও ঢুকে গেল ইউনিকোডে। অর্থাৎ ইউনিকোডে নির্ধারিত হয়ে গেল বাংলা ভাষার ‘ক’-কে কম্পিউটার কোন সংকেত হিসেবে চিনবে। যে সফটওয়্যারগুলো ইউনিকোড মেনে চলে তাদের বেলায় সব ‘ক’ একই সংকেতে চেনা যাবে। অর্থাৎ আমার আর আপনার কম্পিউটারে বাংলা লেখার পদ্ধতি যদি ইউনিকোড সমর্থিত হয়, তাহলে কারও কোনো বিভ্রান্তি হবে না!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এভাবে আমাদের কম্পিউটারে বাংলা লেখার একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার আন্তর্জাতিক সমাধান হয়ে গেল। এখন সেটা মেনে নিলেই হয়। ইতিমধ্যে দেশে ও দেশের বাইরের অগুনতি বাংলাপ্রেমী তাদের চেষ্টা ও অধ্যবসায়ে ইউনিকোডে বাংলা লেখার নানা উপকরণ হাজির করে ফেলেছে। ফলে ধীরে ধীরে হলেও কম্পিউটারে বাংলা ভাষা একটা প্রমিতমানের দিকে এগোতে শুরু করল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে ইউনিকোডে বাংলার এই প্রচলন কেবল যে লেখালেখির সমস্যার সমাধান করেছে, তা কিন্তু নয়। আগে যেহেতু আমরা কেবল কম্পিউটারে লেখালেখি বা হিসাব-নিকাশ করতাম, সেহেতু আমাদের সব ‘বাংলা সমাধান’ ছিল প্রোগ্রাম-নির্ভর। ইউনিকোড এসে আমাদের প্রোগ্রাম-নির্ভরতা থেকে মুক্তি দিয়েছে। অর্থাৎ এখন আপনার কম্পিউটারে যদি ইউনিকোড সমর্থিত বাংলা চালু থাকে, তাহলে আপনি বাংলায় যেমন লেখালেখি বা হিসাব করতে পারবেন তা-ই নয়, আপনি পারবেন আপনার মায়ের ভাষায় ই-মেইল লিখতে, ফেসবুকে স্ট্যাটাস লাইনটি বাংলায় লিখতে, ওয়েবসাইটটি বাংলায় সাজাতে, দিনপঞ্জি বাংলার লিখতে কিংবা বাংলাতেই তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদান করতে!&lt;br /&gt;বলা যায়, একবারেই সব সমস্যার সমাধান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইউনিকোডের প্রচলনে ব্যক্তি ও বেসরকারি উদ্যোগের যতটা বিকাশ আমরা গত কয়েক বছরে দেখেছি, সরকারি ক্ষেত্রে ততটা দেখা যায়নি। তবে ২০০৮ সালে ভোটার তালিকা করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রবলভাবে সরকারি কর্মকান্ডকে ইউনিকোডে ফিরিয়ে নিয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় তথ্যভান্ডারটি (ডেটাবেইস) বাংলা ভাষায়, ইউনিকোডেই হয়েছে। সঙ্গে বাড়তি পাওনা হিসেবে পাওয়া গেছে ‘নিকস’ নামের একগুচ্ছ বাংলা ফন্ট এবং পুরোনো দলিল-দস্তাবেজ ইউনিকোডে রূপান্তরের জন্য রূপান্তরক (কনভার্টার)। শুনেছি এবারের বইমেলায় একটি বইও প্রকাশিত হয়েছে ইউনিকোডে, নিকস ফন্টে। কাজেই শুরুর প্রশ্নের একটা উত্তর আমরা পেয়ে যাচ্ছি। ইউনিকোডে সমর্থিত হলে একটি ভাষা টিকে যাবে কম্পিউটার জগতে এবং এর পাশাপাশি বস্তু জগতেও। তবে খটকা একটা থেকেই যাচ্ছে। কেবল ইউনিকোডে ম্যাপিং, কি-বোর্ড আর সফটওয়্যার থাকলেই সাইবার জগতে বাংলা ভাষা টিকে যাবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর খুঁজতে হবে আমাদের দ্বিতীয় দুনিয়ায়, ইন্টারনেটে। উনিশ শতকের সত্তরের দশকের শেষভাগে গবেষণাকাজের সহযোগিতার জন্য যে নেটওয়ার্কের জন্ন, ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জোয়ারে সেটি এখন ঢুকে পড়েছে আমাদের ঘরেও। ইন্টারনেটের এক বিশাল জাল ক্রমেই মানব জাতিকে এক সুতায় গেঁথে ফেলছে সাইবার জগতের সুত্রে। সেই ইন্টারনেটেই তাহলে টিকে থাকতে হবে ভাষাকে! কেমন করে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইন্টারনেটে কেন মানুষ ঢোকে? সহজ জবাব তথ্য খুঁজতে, জানতে। এখন পর্যন্ত ইন্টারনেটে যা কিছু পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগ ঠিক করে বললে ৮০-৯০ শতাংশ হলো ইংরেজি ভাষায়। ফলে ইংরেজি না জানলে সেখান থেকে কিছু বের করে আনা মুশকিল। আমাদের মতো দেশগুলোর তাতে আবার সমস্যা (আসকির মতো)! এখন আমাদের দুটো পথ। নিজের মায়ের মুখে ইংরেজি ভাষা বসিয়ে দেওয়া, প্রথমটা। অনেকেই আছে যারা এই মতবাদে বিশ্বাসী। গ্লোবাল ভিলেজের দোহাই দিয়ে তারা আমাদের ভাষা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে বিসর্জন দিতে চায়।&lt;br /&gt;আমরা চাই না। ১৯৫২ সালে যে কারণে মায়ের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছি, ঠিক সে কারণেই আমরা ইন্টারনেটে মায়ের ভাষা চায়। বায়ান্নর সঙ্গে পার্থক্য হলো, তখন আমাদের ‘চাওয়ার’ দিন ছিল, এখন আমাদের ‘করার’ দিন। ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করার সব উপকরণই আমাদের আছে। দেশে এমনকি গড়ে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবকদের এক বড় বাহিনীও। অনেকেই হয়তো জানে, ইন্টারনেটে বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় তথ্যভান্ডার বাংলা উইকিপিডিয়া। গড়ে তুলেছে একদল স্বেচ্ছাসেবী। রয়েছে বাংলা ভাষায় দিনপঞ্জি লেখার অনেক সাইট। বেশ কিছু ওয়েবসাইট এখন সম্পুর্ণ বাংলায়! এসবই আমাদের ভাষায় পতাকা উড়িয়েছে ইন্টারনেটে। তবে সেটিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য দরকার সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসেবী, পারিশ্রমিকভিত্তিক−সব ধরনের উদ্যোগ। বাংলা ভাষার সব সেরা সম্পদ, যা ইতিমধ্যে পাবলিক ডোমেইনে চলে এসেছে, সেগুলোকে ইন্টারনেটে উন্নুক্ত করা যায়। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, মীর মশাররফ হোসেন, বেগম রোকেয়াসহ সব মনীষীর সৃষ্টিকর্ম ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হোক। সরকারের কাছে গচ্ছিত মহান মুক্তিযুদ্ধের সব ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজ, ছবি, চলচ্চিত্রকে জনগণের সম্পদ (পাবলিক ডোমেইন) হিসেবে ঘোষণা করে সেগুলো ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হোক। সরকারি পাঠ্যপুস্তকগুলোও ছড়িয়ে দেওয়া হোক সাইবার জগতে।&lt;br /&gt;সব সরকারি ওয়েবসাইটে বাংলাকে বাধ্যতামূলক করে, বাংলা ভাষায় যেন ক্রেডিটকার্ডের লেনদেন করা যায়, এর আয়োজনও করা হোক। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা এও জানি, ইন্টারনেটে আমার মায়ের ভাষাকে সগৌরবে প্রতিষ্ঠা করার লড়াইটা করতে হবে, বদলে দেওয়ার প্রত্যাশী তরুণ প্রজন্নকে বাংলা ভাষায় ই-মেইল লিখে (রোমান হরফে নয়) তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদান করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লগসাইটসহ নানা ফোরামে সক্রিয় হয়ে তাদের বদলে ফেলতে হবে নিজেদের। তাতেই বাড়বে বদলে দেওয়ার শক্তি। ইতিহাসে পরিবর্তনের জন্য রুখে দাঁড়াতে হয়েছে তরুণদেরই। কখনো কলম হাতে, কখনো বন্দুক হাতে।&lt;br /&gt;এখন সেটা করতে হবে ইউনিকোড সমর্থিত কিবোর্ডে ঝুঁকে, উইকিপিডিয়া কিংবা ফেসবুকে, মনের আনন্দে কিন্তু দিনবদলের প্রত্যাশায়!&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;-০-&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;সুন্দর ও উদ্দীপনামূলক লেখাটির জন্য মুনির হাসানকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-5834256197684597343?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/5834256197684597343/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5834256197684597343'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5834256197684597343'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post_20.html' title='ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-1230502284031372094</id><published>2009-02-12T05:41:00.001+06:00</published><updated>2009-02-12T09:21:47.838+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রাণীবিদ্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফসিল'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গবেষক'/><title type='text'>আজ ডারউইন দিবস</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYb4mWYTbYI/AAAAAAAABZw/0y--BlpKJ6I/s1600-h/Charles_Darwin_by_G_Richmond.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 212px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYb4mWYTbYI/AAAAAAAABZw/0y--BlpKJ6I/s320/Charles_Darwin_by_G_Richmond.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5298195349374201218" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আজ প্রকৃতিবিদ, বিবর্তনবাদের জনক চার্লস রবার্ট ডারউইন এর জন্মদিবস। আজ সারা বিশ্বের বিজ্ঞান সচেতন মানুষ "ডারউইন দিবস (Darwin Day)" পালন করছে। আজ থেকে ২০০ শত বৎসর আগে ১৮০৯ সালের এই দিনে ডারউইন এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল পালানো ছেলে ডারউইন পরবর্তীকালে বিবর্তন বাদ নামক এক যুগান্তকারী তত্ত্বের জন্ম দেন। এই তত্ত্বের মাধ্যমে তিনি মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী এবং উদ্ভিদের জন্ম, বেড়ে ওঠা ও মৃত্যু সম্বন্ধে এমন কিছু কথা বলেন যা প্রচলিত ঈশ্বর আশ্রয়ী ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। ডারউইন এক নতুন কথা শোনালেন। তিনি প্রচলিত ধারণা ও বিশ্বাসের মূলে কঠোর আঘাত হানলেন। তিনি আমাদেরকে জানালেন যে কোন অলৌকিক ফু দিয়ে এই পৃথিবী ও বিশ্বব্রহ্মান্ডসহ মানবপ্রজাতির সৃষ্টি হয়নি। কোন রকম 'কুন' বা 'টুনটুন' বলার মাধ্যমে প্রাণীজগত মাটি ফুড়ে পৃথিবীর মধ্যে উপস্থিত হয়নি। আকাশ থেকেও ধপাস ধপাস করে ডাইনোসর, হাতী, তিমি, বাঘ ইত্যাদি প্রাণী মাটিতে পরেনি। তিনি বলেছেন যে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশের প্রভাব অনুযায়ী, অনেক সময় নিয়ে, ধীর গতিতে প্রাণীসমুহের বিকাশ হয়েছে। তারা বিলুপ্ত হয়েও গেছে সেরকম কোন দীর্ঘমেয়াদী কারণে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডারউইন সম্পর্কে কিছু তথ্য:&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;জন্মস্থান: ইংল্যান্ডের মফস্বর শহর 'শ্রুসবারি'।&lt;br /&gt;তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৮০৯ সাল&lt;br /&gt;পিতা: রবার্ট ডারউইন&lt;br /&gt;পিতামহ: এরেসমাস ডারউইন&lt;br /&gt;পড়াশোনা: শ্রুসবারির গ্রামার স্কুল&lt;br /&gt;ডাক্তারি পড়তে যান: এডিনবরা&lt;br /&gt;পাদ্রি হওয়ার জন্য ভর্তি হন: কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, ১৮২৮&lt;br /&gt;পাদ্রি হিসেবে স্নাতক ডিগ্রী পান: ১৮৩১ সালে&lt;br /&gt;বিগল জাহাজ যাত্রা শুরু করে: ১৬ ডিসেম্বর ১৮৩১ সালে,&lt;br /&gt;জাহার ছাড়ার স্থান: প্লিমাউথ বন্দর&lt;br /&gt;ব্রাজিল পৌঁছে: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮৩২ সালে&lt;br /&gt;পেরুর রাজধানী লিমাতে পৌঁছে: ১৯ জুলাই ১৮৩৫ সালে&lt;br /&gt;গ্যালাপাগাস দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছে: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৩৫ সালে&lt;br /&gt;তাহিতি দ্বীপে পৌছে: ১৫ নভেম্বর, ১৮৩৫ সালে&lt;br /&gt;অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বন্দরে পৌছে: ১২ জানুয়ারি, ১৮৩৬ সালে&lt;br /&gt;মরিশাস দ্বীপে পৌছে: ২৯ এপ্রিল, ১৮৩৬ সালে&lt;br /&gt;সেন্ট হেলেনা দ্বীপে: ৮ জুলাই&lt;br /&gt;ইংল্যান্ডের কর্ণওয়ালের ফ্যালমাউথ বন্দরে ফেরেন: ০২ অক্টোবর, ১৮৩৬ সালে&lt;br /&gt;"প্রজাতির উৎপত্তি (Origin of Species)" প্রকাশিত হয়: ১৮৫৯ সালের ২৪ নভেম্বর&lt;br /&gt;ডারউইন মৃত্যুবরণ করেন: ১৯ এপ্রিল, ১৮৮২ সালে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;* ডারউইনের ভ্রমণসঙ্গীদের সম্পর্কে জানুন &lt;a href="http://darwin.gruts.com/bios/"&gt;এই পেজ&lt;/a&gt; থেকে।&lt;br /&gt;ডারউইন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য ও তাঁর রচনাগুলো একেবারে বিনেপয়সায় ডাউনলোড করুন &lt;a href="http://www.gutenberg.org/browse/authors/d#a485"&gt;গুটেনবার্গ সাইট&lt;/a&gt; থেকে।&lt;a name="a485"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt; &lt;ul&gt;&lt;li class="pgdbxlink"&gt;&lt;a href="http://www.darwin2009.cam.ac.uk/darwin/"&gt;ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডারউইন উৎসব&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbxlink"&gt;&lt;a href="http://www.nhm.ac.uk/visit-us/whats-on/darwin/"&gt;ন্যাচারাল হিস্পরি মিউজিয়ামের উৎসব&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbxlink"&gt;&lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Charles_Darwin"&gt;en.wikipedia&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2010"&gt;The Autobiography of Charles Darwin&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2690"&gt;Coral Reefs&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/4022"&gt;Coral Reefs — Complete&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/14158"&gt;De l'origine des espèces&lt;/a&gt; (French)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2300"&gt;The Descent of Man&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/3807"&gt;The Different Forms of Flowers on Plants of the Same Species&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/4346"&gt;Effects of Cross and Self Fertilisation in the Vegetable Kingdom&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/1227"&gt;The Expression of the Emotions in Man and Animals&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/22728"&gt;The Foundations of the Origin of Species&lt;br /&gt;Two Essays written in 1842 and 1844&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/3620"&gt;Geological Observations on South America&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/5765"&gt;Insectivorous Plants&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2087"&gt;Life and Letters of Charles Darwin — Volume 1&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2088"&gt;Life and Letters of Charles Darwin — Volume 2&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2739"&gt;More Letters of Charles Darwin — Volume 1&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2740"&gt;More Letters of Charles Darwin — Volume 2&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2485"&gt;The Movements and Habits of Climbing Plants&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2354"&gt;Note on the Resemblances and Differences in the Structure and the Development of the Brain in Man and Apes&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/9824"&gt;Observations Géologiques sur les Îles Volcaniques&lt;/a&gt; (French)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbaudio"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/8205"&gt;On the Origin of Species&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbaudio"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/21153"&gt;On the Origin of Species by Means of Natural Selection&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/1228"&gt;On the Origin of Species By Means of Natural Selection, or, the Preservation of Favoured Races in the Struggle for Life&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/22764"&gt;On the Origin of Species by Means of Natural Selection&lt;br /&gt;or the Preservation of Favoured Races in the Struggle for Life. (2nd edition)&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2009"&gt;The Origin of Species by means of Natural Selection, 6th Edition&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/5605"&gt;The Power of Movement in Plants&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2355"&gt;The formation of vegetable mould through the action of worms, with observations on their habits&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/3332"&gt;Variation of Animals and Plants under Domestication&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2871"&gt;Variation of Animals and Plants under Domestication, the — Volume 1&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/2872"&gt;Variation of Animals and Plants under Domestication, the — Volume 2&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/24923"&gt;The Variation of Animals and Plants Under Domestication, Vol. I.&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/3054"&gt;Volcanic Islands&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/944"&gt;The Voyage of the Beagle&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbetext"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/3704"&gt;The Voyage of the Beagle&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;li class="pgdbaudio"&gt;&lt;a href="http://www.gutenberg.org/etext/6951"&gt;The Voyage of the Beagle&lt;/a&gt; (English)&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;'ডারউইন দিবস' বাংলাদেশীরা সফলভাবে পালন করতে শিখুক। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজে এই দিবস সম্পর্কে আলোচনা হোক, শিক্ষিত মানুষরা সচেতন হোক, বাংলাদেশে ডারউইন পাঠকের সংখ্যা আরও বাড়ুক আজকের দিনে এটাই প্রত্যাশা করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনাকে ডারউইন দিবস ২০০৯ (Darwin Day 2009) এর শুভেচ্ছা&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-1230502284031372094?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/1230502284031372094/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post_12.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1230502284031372094'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1230502284031372094'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post_12.html' title='আজ ডারউইন দিবস'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYb4mWYTbYI/AAAAAAAABZw/0y--BlpKJ6I/s72-c/Charles_Darwin_by_G_Richmond.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-2439340217725276945</id><published>2009-02-02T19:15:00.000+06:00</published><updated>2009-02-02T20:46:19.179+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রাণীবিদ্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফসিল'/><title type='text'>ডারউইন দিবস পালন করুন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYbyoaWyAKI/AAAAAAAABZo/8mHn1Pybv9s/s1600-h/darwin-day-web2.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYbyoaWyAKI/AAAAAAAABZo/8mHn1Pybv9s/s320/darwin-day-web2.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5298188787731529890" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;এ বৎসরের ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ এই মাসের ১২ তারিখে পালিত হতে যাচ্ছে 'ডারউইন দিবস'। ডারউইন দিবস হিসেবে এই বৎসরটি একটি বিশেষ দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০০৯ সালে পালন হচ্ছে ডারউইনের ২০০তম জন্মবার্ষিকী। এছাড়াও ডারউইনের বিখ্যাত "অরিজিন অফ স্পেসিস" বইটির প্রকাশনারও ১৫০তম বৎসরও পালিত হচ্ছে এই বৎসর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডারউইন দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ইন্টারনেটেও এই উৎসবের আয়োজন কম নয়। বিজ্ঞানসচেতন, মুক্তচিন্তার অধিকারী মানুষেরা ডারউইন দিবসটিকে নানাভাবে স্মরণ করতে যাচ্ছে। বাংলাভাষী মুক্তমনের মানুষদের ওয়েবসাইট মুক্তমনাতেও ডারউইনকে স্মরণ করার জন্য পুরস্কারসহ &lt;a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=585"&gt;প্রবন্ধরচনার আয়োজন&lt;/a&gt; করা হয়েছে। উৎসাহী বিজ্ঞানচেতনায় বিশ্বাসীরা মুক্তমনা সাইট থেকে এ বিষয়ক&lt;a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=585"&gt; ঘোষণাটি &lt;/a&gt;একবার দেখে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;বাংলাভাষী মানুষদের মধ্যে মুক্তচিন্তার বিকাশ তেমনভাবে হয়নাই বলে বাংলাভাষার বিভিন্ন ব্লগ বা সাইটগুলোতে ডারউইন দিবস নিয়ে কোনরকম ভাবনাচিন্তার কোনরকম চিহ্ন এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। মুক্তমনাই একমাত্র ব্যতিক্রম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইংরেজি ভাষায় ডারউইন দিবসের বিভিন্ন রকম আয়োজনের খবরাখবর জানতে আগ্রহী পাঠকেরা নিচের লিংকগুলি ভ্রমণ করে দেখতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.darwin2009.cam.ac.uk/"&gt;ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎসব&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.darwinday.org/"&gt;&lt;/a&gt;&lt;a href="http://www.nhm.ac.uk/visit-us/whats-on/darwin/"&gt;ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়ামের উৎসব&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://channel.nationalgeographic.com/episode/darwin-s-secret-notebooks-3864/Overview?source=redir_sub_darwin"&gt;ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি অনুস্ঠান&lt;/a&gt;। ডারউইনের নোটবুক নিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.darwinday.org/"&gt;darwinday&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://darwin.gruts.com/"&gt;darwin.gruts&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.darwinbirthplace.com/"&gt;darwinbirthplace&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.woodland-trust.org.uk/"&gt;woodland-trust&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.maerhillsactiongroup.co.uk/"&gt;maerhillsactiongroup&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://citizenship.typepad.com/blogfordarwin/"&gt;blogfordarwin&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;এছাড়া ডারউইনের ভ্রমণকাহিনীটি ধারাবাহিকভাবে পাঠ করতে পারেন &lt;a href="http://darwinbeagle.blogspot.com/"&gt;&lt;span style="text-decoration: underline;"&gt;the beagle project&lt;/span&gt;&lt;/a&gt; থেকে।&lt;br /&gt;চার্লস ডারউইনের উপর ছোট্ট পাচ মিনিটের একটি ভিডিও দেখুন&lt;br /&gt;===&lt;br /&gt;&lt;object width="400" height="120"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.joost.com/embed/36ziwbw"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowNetworking" value="all"&gt;&lt;param name="allowScriptAccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.joost.com/embed/36ziwbw" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="always" allownetworking="all" width="640" height="360"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;noembed&gt;&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;lt;a href="http://www.joost.com/36ziwbw/t/Charles-Darwin"&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;gt;Charles Darwin&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;lt;/a&amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;amp;gt;&lt;/noembed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;===&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-2439340217725276945?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/2439340217725276945/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2439340217725276945'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2439340217725276945'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/02/blog-post.html' title='ডারউইন দিবস পালন করুন'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SYbyoaWyAKI/AAAAAAAABZo/8mHn1Pybv9s/s72-c/darwin-day-web2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-562106100409872285</id><published>2009-01-27T10:33:00.001+06:00</published><updated>2009-02-12T08:55:50.402+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখলাম</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SX6Paw-5FTI/AAAAAAAABZg/14c9aXxJI2w/s1600-h/101071_Lid.gif"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 320px; height: 167px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SX6Paw-5FTI/AAAAAAAABZg/14c9aXxJI2w/s320/101071_Lid.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5295827901822342450" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;বাংলাদেশ থেকে গতকাল সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। বিকেলবেলায় কিছু সময়ের জন্য আংশিক সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করলাম। এত মানুষের মধ্যে এই সূর্যগ্রহণ নিয়ে আগ্রহ রয়েছে জেনে খুব ভাল লাগছে। রাতে বাংলা ব্লগজগতে খুঁজলাম, কিন্তু কারও লেখায় সূর্যগ্রহণের কোন খবর পেলাম না। আজকের সমকাল পত্রিকায় এ বিষয়ের খবর:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"ইন্দোনেশিয়ার কিছু এলাকায় গতকাল দিনের বেলায় সূর্য ‘ডুবে গিয়ে’ রাতের তারাদের ডেকে এনেছিল। কাল ওইসব এলাকায় ছিল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। তবে অপরাপর দেশে গ্রহণ ছিল আংশিক। বাংলাদেশেও সূর্যগ্রহণ আংশিক ছিল। গতকাল সোমবার বিকেলে সেই আংশিক গ্রহণ দেখেছেন অনেকে। এই বঙ্গদেশে গতকাল সূর্যকে রাহুর করাল গ্রাসে পড়তে হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;রাজধানীসহ দেশের বেশ কিছু এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে জমজমাট আয়োজনে আগ্রহী দর্শকরা আংশিক সূর্যগ্রহণ অবলোকন করেন। মা-বাবার হাত ধরে দলে দলে শিশুরাও দেখেছে সূর্যগ্রহণ। বাংলাদেশে গ্রহণ শুরু হয়  বেলা ৩টা ৩৩ মিনিটে, সর্বোচ্চ গ্রহণ হয় বিকেল ৪টা ২ মিনিটে এবং গ্রহণ শেষ হয় ৪টা ২৯ মিনিটে। তবে বিশেষ গ্রহণ শুরু হয় বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশের বিভিন্ন স্থানে শীতের পড়ন্ত বিকেলে জমজমাট আয়োজনের মাধ্যমে আংশিক সূর্যগ্রহণ অবলোকন করেন আগ্রহী দর্শকরা। কুয়াশায় আকাশ মাঝে মধ্যে ঢেকে যাচ্ছিল, তারপরও কুয়াশা সরে গেলে বেশ স্টষ্পভাবেই গ্রহণ দেখা গেছে। শুধু ইন্দোনেশিয়ার কিছু এলাকায় পুর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অষ্ট্রেলিয়া থেকে সহৃর্যগ্রহণ আংশিকভাবে দেখা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজধানীতে বিভিল্পু সংগঠন সূর্যগ্রহণ অবলোকনের আয়োজন করে। বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর যৌথভাবে বিজ্ঞান জাদুঘরের ছাদে অবলোকন শিবির স্থাপন করে। সোসাইটি দর্শকদের জন্য ‘সোলারস্কোপ’ সংগ্রহ করে, যা দিয়ে ক্ষতিকারক রশ্মি এড়িয়ে সূর্যগ্রহণ অবলোকন সম্ভব হয়। সবার জন্য উন্মুক্ত ওই শিবির বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত দর্শকে ভরপুর ছিল।"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবর ও ছবিসূত্র সমকাল, &lt;a href="http://www.shamokal.com/details.php?nid=101071"&gt;খবরের লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-562106100409872285?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/562106100409872285/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_26.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/562106100409872285'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/562106100409872285'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_26.html' title='আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখলাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SX6Paw-5FTI/AAAAAAAABZg/14c9aXxJI2w/s72-c/101071_Lid.gif' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-2410557318160875103</id><published>2009-01-14T09:59:00.000+06:00</published><updated>2009-01-14T10:06:08.365+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শক্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোগ-ব্যাধি'/><title type='text'>ধুমপান ছাড়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত থাকুন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW1jWUc0NcI/AAAAAAAABX0/JoDu7lQJOfM/s1600-h/DhumPan.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 118px; height: 116px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW1jWUc0NcI/AAAAAAAABX0/JoDu7lQJOfM/s400/DhumPan.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5290994372328043970" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আমরা অনেকেই ধুমপান ছাড়তে চাই। আর এ জন্য এ পর্যন্ত কয়েকবার পর্যন্ত ধুমপান ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু কয়েকদিন পর আবার ধুমপান করতে বাধ্য হয়েছি। এর জন্য আমাদের মানসিক দুর্বলতা অন্যতম প্রধান কারণ। কিন্তু এছাড়াও আরও কিছু শারীরিক কারণ রয়েছে। শরীরের এইসব কিছু সমস্যার কারণে ধুমপান ছাড়তে চেয়েও ছাড়া যায়না। বছরের পর বছর ধরে ধুমপান করতে করতে সিগারেট/ বিড়ির উপর শরীরের একটা নির্ভরতা চলে আসে। সেই নির্ভরতাকে কাটিয়ে ওঠা কম কথা নয়। এ জন্য শক্তিশালী মন থাকার পাশাপাশি কিছু শারীরিক সমস্যাকেও ওভারলুক করতে হয়। কিন্তু ঠিক কি কি শারীরিক সমস্যা হতে পারে তা যদি জানা থাকে, তাহলে সমস্যার মোকাবেলা করা কঠিন হয় না। এ ধরণের কিছু সমস্যা নিয়েই আজকের এই পোস্ট।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ধুমপান ছাড়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত থাকুন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ডা. মো. মাহফুজুল হোসেন&lt;br /&gt;সহকারী প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা&lt;br /&gt;বাংলাদেশ ব্যাংক মেডিকেল সেন্টার, ঢাকা&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ধুমপানের মারাত্মক ক্ষতিগুলো আমরা কমবেশি সবাই জানি। এত কিছু জেনে-বুঝেও কি বিবেক এরূপ সর্বনাশা কাজে সায় দিতে পারে? পুরোনো যেকোনো অভ্যাস ছাড়তে হলে কিছু না কিছু কষ্ট করতেই হয়। ধুমপান ছাড়ার এই কষ্টের মাত্রা যেহেতু এর ক্ষতির মাত্রার চেয়ে খুবই কম, তাই এ কষ্ট স্বীকার কোনো ব্যাপারই নয়। নেশা যত পুরোনো ও বেশি হয়, তা ছাড়তে হলে সে বিষয়ে তত বেশি মনোযোগী হতে হয় এবং কিছুটা শ্রম দিতে হয়। যেকোনো নেশা ছাড়ার পর থেকে কী কী অসুবিধা হতে পারে, সেগুলো জানা থাকলে তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ হয়। ধুমপানের নেশা ছাড়তে হলেও কিছু পদক্ষেপ নিতেই হবে। ধুমপান ছাড়লে কী কী উপসর্গ হতে পারে তা জানা থাকলে মনকে সেভাবে প্রস্তুত রাখা যায়। ফলে আস্তে আস্তে সব নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তাই আসুন প্রথমে এ উপসর্গগুলো জেনে নিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কাশি:&lt;/span&gt; ধুমপান ছেড়ে দেওয়ার পর প্রথম অবস্থায় ঘন ঘন কাশি হতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বুঝতে হবে ফুসফুস অনেক দিনের জমে থাকা শ্লেষা বের করে দিতে চাইছে। প্রয়োজন বোধ করলে মাঝেমধ্যে বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে কিছু শ্লেষা আস্তে আস্তে কেশে বের করে ফেলুন। এতে আরাম বোধ করবেন।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;&lt;br /&gt;মাথাব্যথা:&lt;/span&gt; মাঝেমধ্যে অল্প মাথাব্যথা বা মাথা ঝিমঝিম ভাব হতে পারে। মাথাব্যথা উপশম না হয়ে ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;&lt;br /&gt;ক্লান্ত ভাব:&lt;/span&gt; প্রয়োজনবোধে ঘুমানোর সময় এক থেকে দেড় ঘণ্টা বাড়িয়ে দিন। দিনে পর্যাপ্ত ব্যায়াম করুন। এতে ঘুম ভালো হবে এবং ক্লান্তি ভাব অনেকটা কেটে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অমনোযোগিতা:&lt;/span&gt; পরিমিত ও সময়মতো আহার, ব্যায়াম ও বিশ্রাম করুন। আস্তে আস্তে এ উপসর্গটি দুর হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;স্নায়ুবিক দুর্বলতা:&lt;/span&gt; প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন। এতে শরীরে জমে থাকা নিকোটিন বেরিয়ে যাবে। ক্যাফেইন অর্থাৎ চা ও কফি পানের মাত্রাও কমিয়ে ফেলুন। ধীরে ধীরে স্মায়ুকোষগুলো নিকোটিনের প্রভাব থেকে মুক্ত হবে। ফলে সন্ত্রস্ত ভাব কেটে গিয়ে সতেজ ভাব ফিরে আসবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;গলায় ব্যথা বা জ্বালা ভাব:&lt;/span&gt; শরবত, ফলের রস ও অন্যান্য তরল খাবার খেলে ভালো লাগবে। হালকা গরমপানি দিয়ে গড়গড়া করতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কোষ্ঠকাঠিন্য:&lt;/span&gt; প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার, সবজি ও তাজা ফল সংযুক্ত করুন। ইসপগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং সেই সঙ্গে ব্যায়াম করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ঘুম কম হওয়া:&lt;/span&gt; ভালো ঘুমের জন্য ভালো উপায় হলো অল্পতে অহেতুক দুশ্চিন্তা না করা, মনকে সদা প্রফুল্ল রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা। দু-এক দিন ঘুম না হলে সামান্য কিছু অস্বস্তি ভাব হতে পারে। এ নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না। এমনও অনেক মানুষ আছে, ঘুম কেন হচ্ছে না? এ ভাবনাটাই তাদের ঘুম না হওয়ার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে মনমরা ভাব ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। প্রতিদিন মনের মতো ভালো বই পড়ুন, মন খুলে কথা বলুন ও প্রাণখুলে হাসুন। এতে অনেক ভালো বোধ করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিকোটিনের প্রভাব থেকে মুক্ত হতে একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম সময় লাগতে পারে। তবে সাধারণত দু-চার সপ্তাহ লাগে। নেশা ছেড়ে দেওয়ার পর বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক প্রতিক্রিয়া যখন শুরু হবে, তখন সেগুলোকে নেশা থেকে মুক্তি পাওয়ার ও সুস্থতা অর্জনের পূর্বলক্ষণ হিসেবে ভাবতে চেষ্টা করুন। মনে করুন আপনার শরীর নিজে থেকেই নিজেকে পরিষ্ককার করে নিচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই-চার সপ্তাহ পর শারীরিক প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে মুক্তি পেলেও ধুমপানের প্রতি যে ব্যাগ্র কামনাটুকু বাকি থাকে, তার প্রায় পুরোটাই মানসিক ব্যাপার। তাই এ সময় মনটা শক্ত রেখে ধুমপানের সর্বনাশা ক্ষতির কথা ভেবে নিজেকে সংযত রাখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধুমপান ছাড়ার পর কী কী অসুবিধা হতে পারে, সে বিষয়ে জানার পর মনকে সেভাবে প্রস্তুত করে নির্দিষ্ট একটি দিনে ধুমপানের সব উপকরণ, যেমন সিগারেট, দেশলাই-লাইটার, ছাইদানি ছুড়ে ফেলে দিন। ধুমপান ছাড়তে ইচ্ছুক এমন আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিতে পারলে ভালো হয়। খেলাধুলা, ব্যায়াম ও আনন্দ-ফুর্তির মধ্য দিয়ে সময় কাটানোর চেষ্টা করতে হবে। পরিবারের লোকজন, বিশেষ করে স্ত্রী ও সন্তানেরা এ ব্যাপারে মুখ্য ভুমিকা রাখতে পারে। যত তাড়াতাড়ি ধুমপান ছাড়া যায় ততই ভালো। অবসর সময়ে এমন কাজে ব্যস্ত থাকুন, যেন মন চাইলেও আপনার হাত সিগারেট ধরানোর সুযোগ না পায়। ধুমপানের বদলে ফলমূল, সবজির সালাদ, ফলের রস, চিনিমুক্ত চুইংগাম ও চকলেট খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এভাবে সংখ্যা কমাতে কমাতে সিগারেট একেবারে ছেড়ে দিন। ধুমপানমুক্ত নতুন সমাজ গড়ে তুলতে ভুমিকা রাখুন।&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/fcat.news.details.php?issuedate=2009-01-14&amp;fid=MTM=&amp;nid=MzQyMjU="&gt;প্রথম আলো&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-2410557318160875103?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/2410557318160875103/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_13.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2410557318160875103'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2410557318160875103'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_13.html' title='ধুমপান ছাড়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত থাকুন'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SW1jWUc0NcI/AAAAAAAABX0/JoDu7lQJOfM/s72-c/DhumPan.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-6730667889900177580</id><published>2009-01-13T12:20:00.000+06:00</published><updated>2009-01-13T12:27:49.009+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গবেষক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শক্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোগ-ব্যাধি'/><title type='text'>কিসে পুষ্টি বেশি? শিম নাকি শিমের বীজে</title><content type='html'>কিসে পুষ্টি বেশি? শিম নাকি শিমের বীজে এ নিয়ে অনেকেই মাঝেমধ্যে চিন্তায় পরে যান। আমিও মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হই, তাই তো? এটা তো ভাববার বিষয়। তো এই বিষয়ে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা কি বলেছেন, তা জানা দরকার। আমিও এ নিয়ে তথ্য খুঁজে বেড়াতাম। আজ পত্রিকা পড়তে পড়তে পেয়ে গেলাম। জেনে গেলাম, আসলে কিসে পুষ্টি বেশি। শিম নাকি শিমের বীজে?&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পুষ্টি : শিম বনাম শিমের বীজ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম পুষ্টি ও স্বাদে অন্যতম। তবে শিমের চেয়ে বীজ বেশি পুষ্টিকর। আমিষের পরিমাণ শিমের চেয়ে বীজে ৬ গুণ বেশি। খাদ্যশক্তি শিমের চেয়ে বীজে ৭ গুণ বেশি। মোট খনিজ পদার্থ শিমের চেয়ে বীজে ৩ গুণ বেশি। আয়রনের পরিমাণ শিমের চেয়ে বীজে দ্বিগুণ বেশি। শর্করা শিমের চেয়ে বীজে ১০ গুণ বেশি। তবে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বীজের চেয়ে শিমে ৩ গুণ বেশি। ভিটামিন ‘এ’ বীজে নেই, শিমে আছে ১৮৭ মাইক্রোগ্রাম। শিমের বীজ ভেজে, ডাল রান্না করে, মাছ ও মাংসের সাথে সবজি হিসেবে খেতে খুব সুস্বাদু। শিমে আমিষের পরিমাণ কচুশাক, লালশাক ও মটরশুঁটি ব্যতীত সকল শাক-সবজির চেয়ে বেশি আছে। ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কচুশাক ও লালশাক ছাড়া সকল শাক-সবজির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আছে। ভিটামিন বি১ ও আয়রনের পরিমাণও অধিকাংশ শাক-সবজির চেয়ে বেশি আছে। প্রতিদিন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ ২৫০ গ্রাম শিম খেয়ে দৈনিক ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করতে পারে। নিচে প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী শিম ও পরিপক্ক শিমের বীজের পুষ্টিমান দেয়া হলো-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পুষ্টি উপাদান শিম --  শিমের বীজ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;জলীয় অংশ (গ্রাম) ৮৬.১ -- ৯.৬&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;আমিষ (গ্রাম) ৩.৮ -- ২৪.৯&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;শর্করা (গ্রাম) ৬.৭ -- ৬০.১&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;ক্যালসিয়াম (মিলিগ্রাম) ২১০ -- ৬০&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;আয়রন (মিলিগ্রাম) ১.৭ -- ২.৭&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;ক্যারোটিন (মাইক্রোগ্রাম) ১৮৭ -&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;ভিটামিন বি১ (মিলিগ্রাম) ০.১০ -- ০.৫২&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;ভিটামিন বি২ (মিলিগ্রাম) ০.০৫ -- ০.১৬&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;ভিটামিন সি (মিলিগ্রাম) ৯ -&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;মোট খনিজ পদার্থ (গ্রাম) ০.৯ -- ৩.২&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;খাদ্যশক্তি (কিলোক্যালরি) ৪৮ -- ৩৪.৭&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;তথ্যটি দিয়েছেন কৃষিবিদ আহাম্মেদ। প্রকাশিত হয়েছে &lt;a href="http://www.ittefaq.com/content/2009/01/13/news0583.htm"&gt;ইত্তেফাক পত্রিকায়&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-6730667889900177580?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/6730667889900177580/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_12.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6730667889900177580'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6730667889900177580'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post_12.html' title='কিসে পুষ্টি বেশি? শিম নাকি শিমের বীজে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-1525425548463058551</id><published>2009-01-04T07:09:00.000+06:00</published><updated>2009-01-04T07:18:50.075+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শক্তি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোগ-ব্যাধি'/><title type='text'>খাদ্য : ব্রেইন ফুড</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;মস্তিষ্ক বিজ্ঞানীদের মতে, কোলিনসমৃদ্ধ খাদ্য খেলে মেধাশক্তি বাড়ে। প্রতিদিন মস্তিষ্কের জন্য ৪০০-৯০০ মিলিগ্রাম কোলিন প্রয়োজন। একটি হাঁস বা মুরগির ডিমে ৪০০ মিলিগ্রাম, ছোট দু’টুকরা মাছ থেকে ১০০ মি. গ্রা. ৪-৫টি যকৃতের টুকরায় ৬০০ মি. গ্রা. কোলিন থাকে। এছাড়াও ফুলকপি, বাঁধাকপি, সয়াবিন, দুধ, বাদাম ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর কোলিন থাকে। বিশেষ করে সয়াবিন নিয়মিত খেলে শেখার, বুঝার ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধ বয়সে ভিটামিন ‘বি’-এর অভাব হলে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। ভিটামিন ‘বি’ রয়েছে ডাল, শস্যদানা, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, চাল, গম, কলা, গাজর, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খাদ্যে। ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবে মস্তিষ্কের বাস্তবের সাথে বুঝার ক্ষমতা অনেকাংশে লোপ পায়। ভিটামিন সি বেশি থাকে আমলকি, পেয়ারা, আমড়া, আম, লেবু, বাতাবি লেবু, জলপাই ইত্যাদিতে। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে আয়রনের প্রয়োজন। মস্তিষ্কের মধ্যে সবসময় শরীরে রক্তের প্রায় ২০ ভাগ রক্ত চলাচল করে। রক্ত শোধনের জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন। রক্তের লাল রঙের উপাদান হিমোগ্লোবিন হলো অক্সিজেনের বাহক। আয়রন হচ্ছে হিমোগ্লোবিনের প্রধান সৃষ্টিকারী।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব হলে মনোযোগ ও নতুন কিছু বুঝা বা শেখার আগ্রহ কমে যায় এবং মনের চঞ্চল ভাবটাও নষ্ট হয়। কথাবার্তায় আদব-কায়দা হ্রাস পায়। আয়রন বেশি থাকে কচুশাক, লালশাক, পালংশাক, কলা, নটেশাক, মূলাশাক, বরই, তরমুজ, বরবটি, গুড় ইত্যাদি খাদ্যে। এসব আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সাথে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেলে সহজেই হজম হয়। বোরন ও জিংক স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আপেল, আঙ্গুর, ডাব, টমেটো, গম, দুধ এসব খাদ্যে বোরন ও জিংক থাকে। ১০ বছর বয়সের মধ্যে শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ালে স্মরণশক্তি বাড়ে। গর্ভবতী মহিলারা কোলিনসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর খাদ্য খেলে গর্ভের শিশু মস্তিষ্ক গঠনের সময় স্মরণশক্তি ও বুদ্ধি বৃদ্ধির উপাদান সৃষ্টি হয়। বয়স্কদের জন্য মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তেল, চর্বি, ঘি জাতীয় খাদ্য স্মরণশক্তি হ্রাস করে। চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদান রক্তের সাথে মিশে গিয়ে মস্তিষ্কের অত্যন্ত সূক্ষ্মবাহী নালীগুলোর মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচল ব্যাহত করে। খাবারে মিশ্রিত কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। অ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ মানুষের স্মরণশক্তিকে মুছে ফেলে। মস্তিষ্কের প্রোটিন তৈরির সময় অ্যালকোহল বাধা দেয়। ফলে নতুন স্নায়ুকোষ জন্মাবার সম্ভাবনা চিরদিনের জন্যই বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের ওষুধ স্মরণশক্তি হ্রাস করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.ittefaq.com/content/2009/01/04/news0844.htm"&gt;সূত্র&lt;/a&gt;: ইত্তেফাক, ৪ জানুয়ারী, ০৯&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-1525425548463058551?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/1525425548463058551/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1525425548463058551'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1525425548463058551'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2009/01/blog-post.html' title='খাদ্য : ব্রেইন ফুড'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-6818318943147425041</id><published>2008-12-08T20:26:00.000+06:00</published><updated>2008-12-08T21:11:21.231+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোগ-ব্যাধি'/><title type='text'>একটুখানি মদ খান আর হৃদপিণ্ডকে সুস্থ্ রাখুন</title><content type='html'>&lt;img src="http://www.sciencedaily.com/images/2008/12/081204133610.jpg" alt="ওয়াইন" /&gt; নিয়মিতভাবে একটু করে ওয়াইন খেলে শরীরের ওমেগা-৩'র পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হৃদরোগের বিরুদ্ধে শরীরে একটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কিত একটি গবেষণা আগামী জানুয়ারি মাসে প্রকাশ হতে যাচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়েছে যে, অন্য কোন প্রকারের মদ নয়, শুধুমাত্র ওয়াইনের মধ্যে ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে তোলার একটি বিশেষ ক্ষমতা আছে। রক্তের প্লাজমা ও লাল হিমোগ্লাবিনের মধ্যে ওমেগা ৩ বাড়াবার জন্য এতদিন ডাক্তাররা বেশি বেশি করে মাছ খেতে পরামর্শ দিতেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.sciencedaily.com/releases/2008/12/081204133610.htm" target="_blank"&gt;সূত্র&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://amarblog.com/nirman/27601"&gt;আমারব্লগে&lt;/a&gt; প্রকাশিত&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-6818318943147425041?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/6818318943147425041/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/12/blog-post_08.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6818318943147425041'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6818318943147425041'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/12/blog-post_08.html' title='একটুখানি মদ খান আর হৃদপিণ্ডকে সুস্থ্ রাখুন'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-2375437455047219943</id><published>2008-12-02T21:55:00.000+06:00</published><updated>2008-12-02T21:58:26.571+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>বাংলাদেশের আকাশেও দেখা গেল অনন্য ত্রিভুজ</title><content type='html'>আজকের প্রথম আলো পত্রিকায় খবরটা দেখলাম। পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন যে বাংলাদেশের আকাশে এক মহাকাশীয় ত্রিভুজ দেখা গেছে। &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MjA0MTY="&gt;খবরে প্রকাশ&lt;/a&gt;:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;   চাঁদের কাছাকাছি দুরত্বে সৌরজগতের দুই গ্রহ বৃহস্পতি ও শুক্র। পরস্পর থেকে কৌণিক অবস্থানের কারণে তৈরি হলো এক ‘অনন্য ত্রিভুজ’। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশেও দেখা গেল বিরল এই মহাজাগতিক দৃশ্য। কোনো দুরবিন নয়, খালি চোখেই গ্রহ-উপগ্রহের অন্য রকম নিকট অবস্থান প্রত্যক্ষ করল অনুসন্ধিৎসু মানুষ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;   দেশের জ্যেষ্ঠ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এ আর খান প্রথম আলোকে জানান, গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে ঢাকার পশ্চিম-দক্ষিণ আকাশে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি এবং সন্ধ্যাতারা হিসেবে বেশি পরিচিত শুক্র গ্রহ কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। গ্রহ দুটি থেকে কৌণিক দুরত্বে অবস্থান করছিল নতুন চাঁদ। যেন আকাশের গায়ে অঙ্কিত একটি ত্রিভুজ। তবে হালকা মেঘের কারণে মাঝেমধ্যে দৃশ্যটি কিছুটা অস্পষ্ট দেখা গেছে।&lt;br /&gt;   এ আর খান আরও জানান, আগামী সাত থেকে আট দিন রাতের আকাশে প্রায় একই সময়ে কাছাকাছি অবস্থানে গ্রহ দুটিকে দেখা যাবে। তবে চাঁদ ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে সরে যাবে। এভাবে একপর্যায়ে ত্রিভুজ অদৃশ্য হয়ে যাবে। আজ মঙ্গলবারও ত্রিভুজটি দেখা যাবে বলে তিনি জানান।&lt;br /&gt;   বৃহস্পতি ও শুক্র গ্রহের বিরল এ অবস্থান প্রত্যক্ষ করতে বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করে। সংগঠনের জ্যোতির্বিজ্ঞান শাখার সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম অপু জানান, মহাজাগতিক বিরল এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে গত শনি, রবি ও সোমবার দেশের ১৩টি জেলায় বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু দুঃখজনক এ বিষয়ে তেমন কোন প্রচারণ ছিল না। নেট ঘেটে শুধুমাত্র &lt;a href="http://sandhitsu.blogspot.com/2008/12/blog-post.html"&gt;সন্ধিৎসু&lt;/a&gt; ব্লগে এই ঘটনা নিয়ে খবরটা পেলাম। আর কারও মধ্যে চাদের সাথে বৃহস্পতি ও শুক্র গ্রহের পাশাপাশি দেখা যাওয়ার ঘটনা নিয়ে কোন আগ্রহ বোধহয় নেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-2375437455047219943?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/2375437455047219943/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/12/blog-post_02.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2375437455047219943'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/2375437455047219943'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/12/blog-post_02.html' title='বাংলাদেশের আকাশেও দেখা গেল অনন্য ত্রিভুজ'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-6765622069459249653</id><published>2008-11-14T21:22:00.000+06:00</published><updated>2008-11-14T21:38:49.034+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রোগ-ব্যাধি'/><title type='text'>আনন্দে নাচুন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2X7qeuNLI/AAAAAAAABKQ/nthGdB-CwWI/s1600-h/jmmphh.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 10px 10px 0pt; float: left; cursor: pointer; width: 199px; height: 293px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2X7qeuNLI/AAAAAAAABKQ/nthGdB-CwWI/s320/jmmphh.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5268534190364570802" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আনন্দে নাচুন এবং হৃদরোগের আক্রমণ থেকে সুস্থ্য থাকুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনন্দে উচ্ছ্বলে জেগে উঠুন। আপনার প্রিয় আনন্দদায়ক গান শুনুন। এক গবেষণায় জানা গেছে আনন্দদায়ক গান শুনতে থাকলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল হয়। ফলে বিভিন্ন রকমের আক্রমণকে তা সহজে মোকাবেলা করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আনন্দের গান শুনলে মনের ভিতরে যে আনন্দ অনুভব হয়, তার ফলে রক্ত প্রবাহের গতি বেড়ে যায়। আনন্দের অনুভূতি রক্তের ধমনীগুলোকে ফুলিয়ে তোলে। এর ফলে ধমনীর ভিতর দিয়ে সাবলীলভাবে রক্তের গতি প্রবহমান থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এজন্য বলা হয়েছে হাসিখুশি, আনন্দময় জীবন যাপন করলে হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। আর এর ফলে আপনি থাকতে পারেন হৃদরোগের আশঙ্কা থেকে মুক্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবর ও ছবিসূত্র: &lt;a href="http://www.sciencedaily.com/releases/2008/11/081111182904.htm"&gt;সায়েন্সডেইলি&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-6765622069459249653?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/6765622069459249653/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_6600.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6765622069459249653'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6765622069459249653'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_6600.html' title='আনন্দে নাচুন'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2X7qeuNLI/AAAAAAAABKQ/nthGdB-CwWI/s72-c/jmmphh.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-7945464622806346416</id><published>2008-11-14T20:44:00.000+06:00</published><updated>2008-11-14T21:21:32.049+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>চন্দ্রযান চাঁদে পৌঁছেছে</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2O_RUTmOI/AAAAAAAABJ4/I3FwUNVoPyY/s1600-h/earthimage.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 160px; height: 320px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2O_RUTmOI/AAAAAAAABJ4/I3FwUNVoPyY/s320/earthimage.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5268524356724824290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;গত ৮ নভেম্বর নিক্ষেপের পরদিন ভারতের চন্দ্রযান চাঁদের ২০০ কিলোমিটার নিকটে পৌছে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাশের ছবিটি পৃথিবীর। অস্ট্রেলিয় আকাশের ৭০,০০০ কি.মি. উপর থেকে তোলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবর ও ছবিসূত্র: &lt;a href="http://www.sciencedaily.com/releases/2008/11/081110153942.htm"&gt;সাইন্সডেইলি&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-7945464622806346416?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/7945464622806346416/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_14.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7945464622806346416'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7945464622806346416'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_14.html' title='চন্দ্রযান চাঁদে পৌঁছেছে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SR2O_RUTmOI/AAAAAAAABJ4/I3FwUNVoPyY/s72-c/earthimage.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-6772290721495848768</id><published>2008-11-05T12:00:00.000+06:00</published><updated>2008-11-05T12:03:26.677+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গণিত'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গবেষক'/><title type='text'>বিমূর্ত বীজগণিতের অন্যতম স্রষ্টা এমি নোয়েথারের জীবনসংগ্রাম</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এ এম হারুন অর রশীদ ও ফরিদা হক&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_6092.html"&gt;গত সংখ্যার পর&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;গণিতজ্ঞ বাবার উৎসাহ ও সাহচর্য যে এমির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিল, তা বলাই বাহুল্য। বাবা ও মেয়ের এই বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা গণিতের ইতিহাসে একটি মধুর অধ্যায়। হেরমান ভাইলের ভাষায়, ‘বাবা ও মেয়ের এই অপূর্ব সাহচর্য সৃষ্টি করেছিল এক সৃষ্টিশীল ও সক্রিয় জুটি, যা গণিতের জগতে তুলনাহীন।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমি নোয়েথার ঠিক কী ধরনের কাজ করে বিখ্যাত হয়েছিলেন, তা এখানে সামান্য উত্থাপন করাও অসম্ভব−ব্যাখ্যা করা তো দুরের কথা। কিন্তু কিছু ধারণা দেওয়ার জন্য উল্লেখ করা যায়, এমি ছিলেন একজন বিশুদ্ধ বীজগণিতবিদ। একজন বিশুদ্ধ গণিতবিদ সংখ্যার ওপর চারটি কাজ বা অপারেশন ছাড়া আর কিছুই করতে পারেন না। কাজগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ। তাঁর কাছে সংখ্যার একটি গুচ্ছ আসলে একটি আবদ্ধ গুচ্ছ; অর্থাৎ তাঁর কাছে এমন কিছুই নেই, যা দিয়ে তিনি ওই গুচ্ছের বাইরে যেতে পারেন। এ ধরনের একটি সংখ্যাগুচ্ছকে বলে ক্ষেত্র বা ফিল্ড। ক্ষেত্রের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হলো মূলদ সংখ্যার সেট। এখন আমরা সবাই জানি, বীজগণিতের চিরায়ত সমস্যা হলো বীজগাণিতিক সমীকরণ f(x)=0 এর সমাধান নির্ধারণ, যেখানে x হলো একটি চলক রাশি এবং f(x) হলো তার অপেক্ষক। এখন অপেক্ষকের মধ্যে থাকে চলকের বিভিন্ন ঘাতের পদ, যাদের সহগগুলো তৈরি করে একটা ক্ষেত্র বা ফিল্ড শ। উদাহরণস্বরূপ মূলদ সংখ্যার ক্ষেত্রে এর মধ্যেই সীমিত থাকে ওই অপেক্ষকের সব সহগ। এখন বীজগাণিতিক সমীকরণটি সমাধান করে আমরা পাই তার মূল, যা জানা থাকলে সৃষ্টি করা যায় উপরিউক্ত চারটি কাজের মাধ্যমে একটি বীজগাণিতিক ক্ষেত্র k ("")।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;পূর্ণ সংখ্যার ওপর শুধু যোগ, বিয়োগ ও গুণন আমরা অসংখ্যবার প্রয়োগ করতে পারি। এভাবে সংখ্যার যে এলাকা বা অঞ্চল সৃষ্টি হয়, তাকে বলে রিং। সংখ্যাতত্ত্ব আলোচনা করে এই রিং নিয়ে; ফিল্ড নিয়ে নয়। একটি চলকের অপেক্ষক হলো একটি বহুপদী রাশি বা পলিনমিয়াল, যা সেই সব রাশির অঞ্চল চিহ্নিত করে, যাদের মাধ্যমে একটা রিং তৈরি হয়। সুতরাং বহুপদীর সংশ্লিষ্ট বীজগণিতের রাশি হলো রিং। এভাবে স্বতঃসিদ্ধ পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে একটা বীজগাণিতিক সংগঠন তৈরি করা যায়। এই স্বতঃসিদ্ধ বীজগণিতের সঙ্গে জড়িত বিখ্যাত সব গণিতবিদের নাম; যেমন−ক্রোনোকার, ডোডেফিল্ড, মূর, পিয়ানো ও হিলবার্ট, যাঁদের হাতে স্বতঃসিদ্ধ পদ্ধতি সৃষ্টি এবং বিকাশ লাভ করে। এমি নোয়েথারও ছিলেন এই স্বতঃসিদ্ধ গণিতের একজন অত্যন্ত নিপুণ ও সার্থক শিল্পী। তাঁর হাতেই গণিতের বহু নতুন সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান হয়েছে। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছে অবিনিময়ী বীজগণিত, যার প্রয়োগ আমরা পাই আজকাল কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানে এবং কণা-পদার্থবিজ্ঞানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এমি নোয়েথারের কর্মপরিমন্ডলের পূর্ণ পরিচয় দেওয়ার স্থান এটা নয়। তবে এটুকু বলা যায়, তিনি ১৯১৩ সালে কাজ করেছিলেন যৌক্তিক অপেক্ষকের ওপর, ১৯২০ সালে মডিউল, আইডিয়ালের ওপর এবং ১৯২৫ সালে গ্রুপতত্ত্বের ওপর। কোয়ান্টাম ক্ষেত্রতত্ত্বের প্রথমেই আসে ‘নোয়েথারের উপপাদ্যে’র উল্লেখ। এ উপপাদ্য অনুসারে যেকোনো ভৌত ব্যবস্থার প্রতিসাম্য গাণিতিকভাবে প্রকাশ করার জন্য প্রয়োজন হয় কতগুলো কারকের। ভৌত প্রতিসাম্যের অধীনে ওই কারকগুলো যদি অপরিবর্তনীয় থাকে, তবে তার অনুষঙ্গী একটি সংরক্ষণের আইনও আমরা স্বীকার করে নিই। যেমন−ত্রিমাত্রিক বিশ্বের মহাকাশ সব দিকে একই। তাই এই বিশ্বে সরণ প্রতিসাম্য দাবি করে সর্বব্যাপী রৈখিক ভরবেগের সংরক্ষণের নীতি। একইভাবে সময় অনুসারে সরণের অনুষঙ্গী কারকের অপরিবর্তনের দাবি থেকে আসে শক্তি সংরক্ষণের নীতি। এভাবেই শক্তি ও ভরবেগের সংরক্ষণের নীতি নোয়েথারের তত্ত্বের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত কারণ অর্থাৎ মহাকাশের দিক-নিরপেক্ষতার প্রতিসাম্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়ে যায়। এমি নোয়েথার প্রথম জীবনেই অপরিবর্তনীয়ের নীতির একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন। ফলে গটিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত অধ্যাপক ক্লাইন ও হিলবার্ট তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ করে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, জার্মান গণিতের এত বড় দুজন ব্যক্তিত্বের পক্ষেও এমিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি উপযুক্ত নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি আইন−বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পদে নিয়োগ লাভ করতে পারেন পুরুষ, কোনো মহিলা নন। হিলবার্ট তাই এ সময় প্রকাশ্যে দুঃখ করে বলেছিলেন, তিনি বুঝতে পারেন না যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে এ প্রশ্ন কেন ওঠে, প্রার্থী পুরুষ না মহিলা; বিশ্ববিদ্যালয় তো স্নানাগার নয়? অবশ্য এমির দুর্ভাগ্য ছিল দ্বিবিধ−তিনি ছিলেন মহিলা ও ইহুদি। তবে নোয়েথারের অকৃত্রিম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন হিলবার্ট, ক্লাইন, আইনস্টাইন, ডাইল এবং আরও অসংখ্য প্রথিতযশা বিজ্ঞানী। কিন্তু জাতিগত বিদ্বেষ ও ঈর্ষাপরায়ণতা যে ছিল না, তা নয়। কিছুকাল তিনি অতি সাধারণ একটি নিয়োগ পেয়েছিলেন, যার জন্য কোনো বেতন নির্দিষ্ট ছিল না। জার্মান ভাষায় এটা ছিল ‘টিটেল ওহনে মিটেল’, সম্মানী ছাড়া শুধু উপাধি। কিন্তু সেটাও একসময় বন্ধ হয়ে যায়, নাৎসিরা যখন রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে ইহুদি বিতাড়ন এবং পরে ইহুদি নিধন শুরু করে। এমি নোয়েথারের পক্ষে জার্মানি থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া ছাড়া আর উপায় ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রে তিনি এক মহিলা কলেজে একটি সম্মানজনক পদ পান। কিন্তু অবিবাহিত এমি নোয়েথারের জীবনধারণের চাহিদা ছিল অতি সামান্য। তাই তিনি তাঁর নতুন বেতনের অর্ধেকই তাঁর ভ্রাতুষ্কপুত্রের জন্য সঞ্চয় করে রাখতেন। এমি নোয়েথার সম্পর্কে যে গল্পটি আমার সবচেয়ে মধুর লাগে, তা হলো তাঁর ছাতার গল্প। তাঁর বহুল ব্যবহূত ছাতার দুরবস্থা দেখে তাঁর ছাত্রছাত্রীরা একবার সেটি মেরামত করার প্রস্তাব করলে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘তা তো সম্ভব নয়। যখন বৃষ্টি হয় না, তখন আমি ছাতার কথা চিন্তাই করি না। কিন্তু যখন বৃষ্টি পড়ে, তখন ছাতাটি আমি ব্যবহারই করি।’ বোধহয় এ কারণেই নোয়েথারের সব ছাত্রছাত্রী তাঁকে সব সময় গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করতেন। এ জন্যই আলবার্ট আইনস্টাইন লিখেছিলেন, ‘এমি নোয়েথারের বহু বর্ষব্যাপী নিঃস্বার্থ, গভীর তাৎপর্যপূর্ণ গবেষণা জার্মানির নতুন শাসকেরা পুরস্কৃত করেছিলেন তাঁকে চাকরিচ্যুত করে, যে চাকরি ছিল তাঁর অতি সাধারণ জীবনধারণের একমাত্র উপায় এবং যার মাধ্যমে তিনি তাঁর গাণিতিক গবেষণাকর্ম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রিন্সটনে তিনি সেই সব সহকর্মীর সাহচর্য পেয়েছিলেন, যাঁরা তাঁর মৃত্যুর দিনটি পর্যন্ত তাঁর বন্ধুত্বের যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। এটাই ছিল তাঁর সারা জীবনের সবচেয়ে সার্থক ও আনন্দময় কিছু সময়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রথম আলো, ২ অক্টোবর, ২০০৮&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-6772290721495848768?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/6772290721495848768/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_04.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6772290721495848768'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6772290721495848768'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post_04.html' title='বিমূর্ত বীজগণিতের অন্যতম স্রষ্টা এমি নোয়েথারের জীবনসংগ্রাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-4593965439308034308</id><published>2008-11-05T11:55:00.000+06:00</published><updated>2008-11-05T12:00:13.705+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সাক্ষাৎকার'/><title type='text'>বিজ্ঞান প্রজন্মের মুখোমুখি নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী</title><content type='html'>প্রথম আলো পত্রিকার বিজ্ঞান প্রজন্ম বিভাগ সম্প্রতি বাংলাদেশ ঘুরে যাওয়া নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. আরনস্ট এর একটি সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে। সেখানে তিনি বলেছেন- "প্রয়োজন নতুন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যার চালিকাশক্তি হবে বিজ্ঞান−ড. আরনস্ট"। সাক্ষাৎকারটি পাঠকের পাঠ সুবিধার্থে সম্পূর্ণ তুলে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞান প্রজন্ম: কেমন লাগছে বাংলাদেশ?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: ভালো। এখানকার মানুষের মধ্যে খুব সুন্দর একটা প্রাণ আছে। ঢাকা শহরে ট্রাফিক জ্যাম অবশ্য চোখে পড়ছে। বেশ কিছু বহুতল ভবনও দেখলাম।&lt;br /&gt;বিপ্র: আপনার গবেষণাকর্ম ও নোবেল বিজয় সম্পর্কে কিছু বলুন।&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: আমার গবেষণার মূল বিষয় ছিল এনএমআর (নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স)। পরে আমি ফিল্ড মডুলেশন টেকনিক, ফিল্ড ফ্রিকোয়েন্সি লক সিস্টেম, সলিড স্টেট এনএমআর, হাই রেজুলেশন এনএমআর স্পেকট্রোস্কোপি, স্পিন ডিফিউশন, অ্যাপ্লিকেশন টু ওয়ান ডাইমেনশনাল অর্গানিক কনডাক্টরস, ডাইনামিক্স ইন হাইড্রোজেন বন্ডেড কার্বক্সিলিক এসিড−এসব নিয়ে কাজ করেছি। যেসব পরমাণু নিউক্লিয়াসে বেজোড়সংখ্যক প্রোটন বা নিউট্রন বহন করে, তাদের স্বকীয় চৌম্বক ভ্রামক এবং কৌণিক ভরবেগ রয়েছে। এ ধরনের পদার্থের ওপর একটি নির্দিষ্ট চৌম্বকক্ষেত্র প্রয়োগ করলে নিউক্লিয়াসে অনুরণনের সৃষ্টি হয়। এটিই হলো এনএমআর।&lt;br /&gt;এই এনএমআরের সুত্র ধরেই আবিষ্কৃত হয়েছে এমআরআই (ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং)। এমআরআইয়ের মাধ্যমে শরীরের যেকোনো অংশ বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঠিক অবস্থান, অবস্থা ও ক্রিয়াকর্ম পর্যবেক্ষণ করা যায়। বর্তমানে এমআরআই চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিউরোলজি, কার্ডিওভাসকুলার, অনকোলজিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহূত হচ্ছে।&lt;br /&gt;বিপ্র: এই এনএমআর নিয়ে ভবিষ্যতে আরও কী কী হতে পারে বলে ভাবছেন?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: এনএমআর এবং এমআরআই দিয়ে মানুষের মস্তিষ্কেকর সবকিছু জানা গেছে, তা কিন্তু নয়। তবে তত্ত্বীয় চিন্তা করলে এনএমআরবিজ্ঞান ব্যবহার করে আপনি মস্তিস্কের চুলচেরা পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করতে পারবেন। আপনি যখন হাত নাড়েন, পায়ের আঙ্গুল নাড়াচাড়া করেন, হাঁটা বা খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি যা-ই হোক না কেন, তার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিস্কে প্রচুর কাজ হয়, অনুরণন হয়, অনেক সংবেদনশীলতার প্রয়োজন বাড়ে, মস্তিষ্কপেশি ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে অনেক তথ্যের আদান-প্রদান ঘটতে থাকে। এসব তথ্য উদ্ধার করতে পারলে আমাদের চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেক এগিয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;বিপ্র: ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি, তখন চিকিৎসাবিজ্ঞানের সার্বিক চেহারাটা কেমন দাঁড়াবে বলে আপনার মনে হয়?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: একটা জিনিস মনে রাখবেন, বিশ্ববিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউটগুলোর গবেষণাগারে যা যা হয়, তার প্রতিফলন বাজারে বা সাধারণ মানুষের পর্যায়ে আসতে আসতে কখনো বা ১০ আবার কখনো ২০-৩০ বছর লেগে যায়। তেমনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন অনেক তত্ত্ব, প্রযুক্তি, ওষুধ তৈরি হয়েছে, যেগুলো এখনো আসেনি, তবে আসবে। জেনেটিকসের সুফল চিকিৎসাবিজ্ঞানের মাধ্যমে এখনো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। তবে আশা করছি, শিগগিরই পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি মেডিকেল পরীক্ষাগুলোর উন্নততর অনেক সংস্করণ ক্রমান্বয়ে আসতে থাকবে বলেই আমার বিশ্বাস। এক কথায় যদি বলি তাহলে বলব, যন্ত্র মানুষকে পড়তে পারবে, বুঝতে পারবে।&lt;br /&gt;বিপ্র: আপনি কি নিজে এ অগ্রগতিতে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিচ্ছেন?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: নাহ্! আমার এখন বয়স হয়েছে। আমি বলা যায় অবসরে এখন। আগের মতো মস্তিষ্কক সৃষ্টিশীল নয়। তাই বলে আমি বসে নেই। চেষ্টা করছি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে, শিক্ষা-গবেষণায় সবার আগ্রহ তৈরি করতে, নতুন ধরনের সহনশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রচলন করতে, বিশ্ব জলবায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধি, গ্রিনহাউস, পানিদুষণ, শব্দদুষণ প্রভৃতির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গরিব-ধনী, ছোট-বড়, চাকুরে, সরকার−সবাইকে আহ্বান জানিয়ে চলেছি।&lt;br /&gt;বিপ্র: একসময় বিজ্ঞান নিয়ে সরাসরি কাজ করেছেন। আর এখন বিজ্ঞানের জন্য জনসচেতনতা তৈরির কাজ করছেন। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার দিকে তাকান। শেয়ারবাজারে ব্যাপকভাবে ধস নেমেছে, বিনিয়োগ বন্ধ। এমবিএওয়ালা আর কোম্পানির সিইওদের (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) বেতন বেড়েই চলছে, অথচ অন্যদের জীবন হয়েছে হতাশার। সমাজের অস্থিতিশীল করুণ এক প্রতিচ্ছবি দেখছি আমরা মুক্তবাজার অর্থনীতির মুখোশে ঢাকা করপোরেট যুগে। বাংলাদেশ যেহেতু ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, তাই এখানে সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যা আরও প্রকটভাবে ধরা পড়ে। আমাদের এখন প্রয়োজন নতুন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যার মূল নিয়ন্ত্রক হবে সরকার, চালিকাশক্তি হবে বিজ্ঞান। দেশের মানুষের প্রয়োজন বুঝে যেমন এগোতে হবে বিজ্ঞানকে; তেমনি বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্ককার ব্যবহার করে কীভাবে সহজ, সুন্দর জীবন যাপন করা যায়, সে চিন্তাও করতে হবে সবাইকে।&lt;br /&gt;বিপ্র: এবার ব্যক্তিগত ও প্রত্যাশিত একটা প্রশ্ন−নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভুতি কেমন ছিল?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: এক কথায় অসাধারণ! নোবেল যেকোনো বিজ্ঞানীর জন্য স্বপ্ন। যেকোনো বিজ্ঞানীই নোবেল পাওয়ার স্বপ্ন মনের মধ্যে পুষে রাখে। আমিও রাখতাম। যখন ছাত্র ছিলাম, তখন মনের মধ্যে সব সময় নোবেল ও খ্যাতির আশা ছিল। অবশ্য গবেষণায় ঢোকার পর বুঝতে পারি, খ্যাতি নয়−সামাজিক দায়বদ্ধতা, সৃষ্টিশীলতা, বিজ্ঞানের আনন্দই আসল জিনিস। যখন গবেষণা করতাম, তখন সব সময় বলতাম, মানুষের জন্য কিছু একটা করব, কিছু একটা করব। পেরেছিও করতে, বুঝতেই পারছেন, সেই পারাটার পুরস্কার পাওয়ার আনন্দটা কতটা বিশাল, কতটা মোহনীয়।&lt;br /&gt;বিপ্র: আচ্ছা, নোবেল পাওয়ার পর আপনার মধ্যে কোনো পরিবর্তন এসেছি কি?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: সত্যি বলছি, কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমার খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-আশাক, হাঁটাচলা, চিন্তাভাবনা, পরিবার−সব আগের মতোই আছে। আমি এখনো টেলিভিশন দেখি না। তবে হ্যাঁ, আমার পরিবর্তন না আসুক, মানুষের এসেছে। আগে আমি কোথাও বক্তৃতা দিতে গেলে যেখানে শুন্য গ্যালারি থাকত, এখন সেখানে ভরাট গ্যালারি হয়ে যায়, গায়ে যেহেতু নোবেল বিজয়ী ট্যাগটা বসে গেছে!&lt;br /&gt;বিপ্র: এবার বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু বলুন।&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: বাংলাদেশ খুব সুন্দর। আপনাদের অনেক জনশক্তি রয়েছে। তবে আমি যতটুকু জেনেছি, দক্ষতা ও প্রযুক্তির অভাব রয়েছে। আপনাদের উচিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। প্রথমে প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট শিক্ষাব্যবস্থা। তার মূল লক্ষ্য থাকবে গবেষণা। গবেষণার মাধ্যমে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় সমাধান দেবেন নবীন-প্রবীণ গবেষকেরা। যাঁরা গবেষণায় আসবেন না, তাঁদের জন্য প্রয়োজন চাকরি বা ব্যবসাসংক্রান্ত ভিত্তি। এ ভিত্তিটাও কিন্তু বিজ্ঞানভিত্তিক হওয়া চাই। বিজ্ঞানকে নিয়ে যেতে হবে গ্রামে। পাশাপাশি ভাবতে হবে দেশের সংরক্ষিত প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে। ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রাকৃতিক সম্পদ ও নবায়নযোগ্য সম্পদের সমন্বিত ব্যবহার জরুরি। যানবাহন ও তাদের জ্বালানির সুন্দর সমাধান বের করতে হবে আপনাদের নিজেদেরই।&lt;br /&gt;বিপ্র: আমরা এবার একটা বিশেষ বিষয়ে নজর দেব−পেটেন্ট ব্যবস্থার কারণে গরিব দেশগুলোয় অনেক প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: পেটেন্ট ব্যবস্থা অনেক আগে থেকে চলে আসছে। হঠাৎ করে নিশ্চয়ই এটি বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। তবে এটির প্রয়োজনীয়তা, উপযোগিতা ও ব্যবহার নিয়ে বিশ্বকে ভাবতে হবে। পেটেন্ট ব্যবস্থার সবচেয়ে বাজে ব্যবহার করে চলেছে ওষুধ কোম্পানিগুলো। গরিব দেশগুলোর জন্য অবশ্যই ওষুধ কোম্পানিগুলোর ছাড় দেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনে ভিন্ন জায়গার জন্য ভিন্ন ধরনের বিপণনব্যবস্থার উদ্যোগ নিতে পারে ওষুধ কোম্পানিগুলো। সরকারকেও খেয়াল রাখতে হবে, দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর দাম যেন বিলাসসামগ্রীর চেয়ে বেশি না হয়ে যায়। আপনাদের এখানে তো দুজন নোবেল বিজয়ী আছেন, তাঁরা নোবেলও পেয়েছেন অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে। তাহলে তো আপনাদের অর্থনীতিতে এ ধরনের সমস্যাগুলো থাকার কথা না!&lt;br /&gt;বিপ্র: আপনার কাছে বিজ্ঞান প্রজন্মের শেষ প্রশ্ন বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে−তাদের জন্য আপনার কী বলার আছে?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: সত্যিকার অর্থে, তাদের জন্যই আমার সবচেয়ে বেশি বলার আছে। তাদের দিকেই আমরা সবাই তাকিয়ে আছি। তারা যা চাইবে, যা স্বপ্ন দেখবে, যা করবে, সেভাবেই চলবে আমাদের বিশ্ব। তারা যেন তাদের সামগ্রিক দায়বদ্ধতার কথা ভুলে না যায়। খ্যাতি, যশ−এগুলো পরে, প্রথমে তাকাতে হবে দেশের দিকে, সমাজের সাধারণ মানুষগুলোর দিকে। তাদের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে ভাবতে হবে, দেশের উন্নতি নিয়ে ভাবতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করা, সৃষ্টিশীল করে গড়ে তোলা। এ জন্য প্রয়োজনে স্কুল পর্যায় থেকে শিশু-কিশোরদের নতুন, আনন্দদায়ক, যুগোপযোগী পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় যেন একই ধারায় প্রবাহিত হয়, সেটা মাথায় রাখতে হবে। তরুণ গবেষকদের জন্য বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়-ইনস্টিটিউটগুলোয় গবেষণার উদ্যোগ নিতে হবে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমন্বিত একটা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।&lt;br /&gt;বিপ্র: বাংলাদেশে আবার আসার ইচ্ছা আছে কি?&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: অবশ্যই। দেশটা খুব সুন্দর। সুযোগ পেলে নিশ্চয়ই আরেকবার আসব।&lt;br /&gt;বিপ্র: বিজ্ঞান প্রজন্মের পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;ড. আরনস্ট: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। বিজ্ঞান প্রজন্েনর পাঠকদের জন্য রইল আমার শুভেচ্ছা।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুব্রত দেবনাথ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ২ নভেম্বর, ২০০৮, &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/archive/news_details_fcat.php?dt=2008-11-02&amp;amp;issue_id=1090&amp;amp;cat_id=&amp;amp;nid=MzIxNjc=&amp;amp;fid=Nw=="&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-4593965439308034308?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/4593965439308034308/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/4593965439308034308'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/4593965439308034308'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/11/blog-post.html' title='বিজ্ঞান প্রজন্মের মুখোমুখি নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-7170098372826481772</id><published>2008-10-31T19:36:00.000+06:00</published><updated>2008-10-31T20:08:09.958+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রাণীবিদ্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফসিল'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাখি'/><title type='text'>প্রথম পাখি আর্কিওপটেরিক্স</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4yytnlI/AAAAAAAABH0/UpNW6f--BDs/s1600-h/archi1.gif"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 187px; height: 226px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4yytnlI/AAAAAAAABH0/UpNW6f--BDs/s320/archi1.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263314759359241810" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4nxnqsI/AAAAAAAABHk/jTCFc1nPrUg/s1600-h/ARCHEOPTERIX.GIF"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 183px; height: 168px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4nxnqsI/AAAAAAAABHk/jTCFc1nPrUg/s320/ARCHEOPTERIX.GIF" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263314756401867458" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4dhZi_I/AAAAAAAABHc/D0JCkEHNB2g/s1600-h/archeopterix2.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 244px; height: 193px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4dhZi_I/AAAAAAAABHc/D0JCkEHNB2g/s320/archeopterix2.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263314753649478642" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4vpb0YI/AAAAAAAABHs/3Tvxh9OaZDc/s1600-h/archeopterix.jpg"&gt;&lt;img style="cursor: pointer; width: 227px; height: 191px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4vpb0YI/AAAAAAAABHs/3Tvxh9OaZDc/s320/archeopterix.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5263314758515020162" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="color: rgb(255, 0, 0);" id="fullpost"&gt;উপরের ছবিদুটো আর্কিওপটিরিক্সের ফসিল।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(255, 0, 0);" id="fullpost"&gt;নিচের ছবিদুটো ফসিল দেখে কল্পনা করে শিল্পীর আকা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;সমকাল পত্রিকার কালস্রোত বিভাগে আর্কিওপটেরিক্স Archeopteryx (Archaeopteryx) সম্বন্ধে একটি মনোজ্ঞ আলোচনা দেখলাম। লিখেছেন নোমান মোত্তাকী।&lt;br /&gt;আজকে আমরা যে প্রাণীটিকে পাখি বলে ডাকি, তাদের পূর্বপুরুষ এসেছে ডাইনোসরের একটি প্রজাতি থেকে। জুরাসিক যুগে দুই পাওয়ালা বিশাল আকৃতির পালকযুক্ত ঠোঁটে দাঁতওয়ালা ডাইনোসর থেকে বর্তমানকালের পাখিগুলো বিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানকালের পাখিদের মতো এদের শরীরেও বায়ুথলি ছিল, হৃদপিণ্ড ছিল চার প্রকোষ্টবিশিষ্ট। এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রথম পাখির কথা&lt;/span&gt; রচনায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;কম্পিউটারাইজড টমোগ্রাফি স্ক্যান প্রক্রিয়ায় প্রাচীনকালের পাখিদের এসব বৈশিষ্ট্য ঠিকঠাকভাবেই বুঝতে পারা যায়। আর এসব বৈশিষ্ট্য আজও অবশিষ্ট রয়েছে বর্তমানের পাখিদের মাঝে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূলত সরীসৃপ ও পাখিতে রূপান্তরিত হওয়া ডাইনোসরদের একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল, যার প্রমাণ মিলেছে আরকিওপটেরিক্সের একটি জীবাশ্ম থেকে। সেগুলো ছিল পালকাবৃত সরীসৃপ, যারা প্রথমে ছিল স্থলচর। পরে ক্রমাগত পাখিতে রূপান্তরিত হয়ে যাওয়ায় আবাস স্থাপন করেছিল পাহাড়ের চূড়ায়। খুঁজে পাওয়া আরকেওপ্টিরিক্সের জীবাশ্মটি আবিষ্কৃত হয়েছিল চার্লস ডারউইনের ‘অরিজিন অব স্পিসিস’ প্রকাশের মাত্র দুই বছরের মাথায় (১৮৬১)। প্রাণী বিবর্তনের এটি ছিল একটি মুখ্য প্রমাণ, যা জীবাশ্মবিদ এবং একই সঙ্গে পাখিবিদদের আগের সব চিন্তা-ভাবনাকে বিবর্তনের আলোকে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;অবশ্য ১৯৯০ সাল থেকেই পালকাবৃত অসংখ্য ডাইনোসরের জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া যেতে লাগল, যা থেকে ডাইনোসরের পাখি হওয়ার ধারণাটি আরো সুদৃঢ় হলো। এসব ফসিলের অধিকাংশই খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। ক্রিটেসিয়াস যুগে এই অঞ্চলটি ছিল সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোর অন্যতম এবং স্বাভাবিকভাবেই উড়ন্ত ডাইনোসরের আবাসস্থল। পালকাবৃত ডাইনোসরের মধ্যে অন্যতম ছিল ডিলং, মাইক্রোরেপ্টর, প্রটারিচপ্টিরেক্স, সাইনোরনিথসরাস এবং জিনফেনগপ্টিরেক্স। এছাড়া ডাইনোসরসদৃশ পাখি কনফিউসিওসরনিসের জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া গেছে! যা অর্ধলাখ বছর আগেও পৃথিবীতে বিচরণশীল ছিল বলে ধারণা করা হয়। তাছাড়া স্থলচর ডাইনোসরের এমন কতগুলো প্রজাতির সন্ধন পাওয়া গেছে, যেগুলো পাখি ছিল না, অথচ তাদের দেহ ছিল ছোট এবং নরম পালকে আবৃত। লাখ লাখ বছর আগে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ডাইনোসরের জীবাশ্ম থেকে চামড়া বা পালক কোনোটারই সন্ধন পাওয়া যায়নি। কেননা, লাখ লাখ বছরের ধারাবাহিকতায় শরীরের এসব অংশের স্থায়িত্ব হয় খুবই কম। তবে পরীক্ষণ দ্বারা চামড়া বা পালকের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। অবশ্য, পাখিতে রূপান্তরিত ডাইনোসর ছাড়াও স্থলচর ডাইনোসরের বেশকিছু ছিল পালকাবৃত সরীসৃপ!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্রাইনোসরাস রেক্সের জীবাশ্ম পর্যবেক্ষণে সুষ্ঠভাবে ডাইনোসরের বিবর্তনের ধারাবাহিকতার বর্ণনা দেওয়া যায়। চারটি পা, বিশাল আকৃতির দেহ-কাঠামো এবং অত্যন্ত হিংস্র মাংসাশী স্বভাবের এই প্রজাতিটি ডিম পাড়ার সময় পেটের ভেতর বিশেষ ধরনের ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ একটি হাড় গঠন করত। ডিমের ওপরকার শক্ত আবরণ তৈরিতে এই হাড়ের একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল; এবং এ থেকে প্রমাণিত হয়, ট্রাইনোসরাস রেক্স প্রজাতির ডাইনোসর ছিল স্ত্রী প্রজাতির। আর তাদের প্রজনন বৈশিষ্ট্য আধুনিককালের পাখির মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। ট্রাইনোসরাস রেক্স ছিল স্থলচর সরীসৃপ। আর পাখি প্রজাতির ডাইনোসরগুলো তাদের থেকে আচরণগত দিক দিয়ে ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এরপরও প্রজনন বৈশিষ্ট্যের আলোকে সহজেই অনুমেয়, একই পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভব ঘটেছিল এই দুটি ভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসরের। তাছাড়া তাদের রক্তনালিগুলো ছিল আধুনিক পাখিকুলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডাইনোসর সম্পর্কে আমাদের ধারণাগুলোর সাধারণ ভিত্তি হচ্ছে- খুঁজে পাওয়া জীবাশ্মের গঠন, আবাসস্থলের এবং কম্পিউটার সিমুলেশনে খুঁজে পাওয়া জৈবিক বৈশিষ্ট্যগুলো, যার শতভাগই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে আমাদের কল্পনা আর অনুমান দ্বারা। তবে আধুনিক সময়ে বেঁচে থাকা দুটি প্রজাতির (কুমির জাতীয় সরীসৃপ ও পাখি) আচরণগত কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য যে প্রাচীন ডাইনোসরদের মাঝে বিদ্যমান ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। অভিযোজনের স্বার্থেই ডাইনোসরের শরীরে লোম ও পালক সৃষ্টি হয়েছিল। ট্রিয়াসিক যুগেই পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া ডাইনোসরের পরিবেশ ভেদে অভিযোজন ঘটেছিল, যার ফলে তারা পৃথকভাবে কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করে থাকতে পারে। যেসব ডাইনোসরের অভিযোজন ঘটেছিল অপেক্ষাকৃত শীতল পরিবেশে (যেমন, এন্টার্কটিকা বা অষ্ট্রেলিয়া মহাদেশের ডাইনোসর), সেগুলোর অভিযোজনের প্রক্রিয়াটি ছিল ভিন্নতর। পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা কম হওয়ায় দেহাভ্যন্তরে সৃষ্ট তাপ যাতে অতিমাত্রায় বের হতে না পারে, সেজন্য তারা শরীর আবৃত করেছিল ঘন পালক দ্বারা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কল্পনাপ্রসূত প্রণোদনাগুলো ডাইনোসরকে আমাদের কাছে অতিকায় দানব হিসেবে পরিচিত করেছে, যদিও তৃণভোজী ডাইনোসরের স্বভাব ছিল অপেক্ষাকৃত ধীর প্রকৃতির। তীক্ষ্ণ দাঁতযুক্ত এই বিশাল আকৃতির সরীসৃপের সঙ্গে তখন সহাবস্থান করত আকাশে উড়ে বেড়ানো কিছু সরীসৃপ, যাদের দাঁতের স্থানটি দখল করেছিল শক্ত দুটি ঠোঁট (তারাই ছিল আধুনিক পাখির পূর্বপুরুষ এবং পৃথিবীর প্রথম পাখি), যা দিয়ে সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্চাগুলোর মুখে খাবার তুলে দিত তারা। এসব ডাইনোসরের সামনে দুটি পা অভিযোজনের স্বার্থেই এক পর্যায়ে ডানায় রূপান্তরিত হয়েছিল। আর এদের চোয়াল শক্ত আবরণীতে আবদ্ধ হয়ে ঠোঁটে মিশে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরকেওপ্টিরিক্সের জীবাশ্মের আধুনিক বিশেল্গষণ থেকে জানা যায়, এরা সম্পূর্ণভাবে পাখিতে পরিণত হয়েছিল এবং এদের চোয়ালে আধুনিক পাখির মতো ছিল বেশ উন্নত দাঁত। এদের ছিল একটি যুক্ত হাড়ের লেজ আর ডানায় ছিল পাখিদের মতো পালক। আধুনিক পাখির মতোই তাদের মস্তিষ্ক ছিল বেশ উন্নত। এদের প্রখর দৃষ্টিশক্তির কথা উলেল্গখ করতে গেলে এভাবেই বলা যায়- এরা খুব দ্রুত টেলিস্কোপীয় দৃষ্টিশক্তি থেকে মাইক্রোস্কোপীয় সূক্ষ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতায় দৃষ্টিকে রূপান্তর করতে পারত। আনুমানিক ৬ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে অন্যান্য প্রজাতির পাশাপাশি উড়ন্ত সরীসৃপের অধিকাংশই বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেই সঙ্গে বিলুপ্ত হয় কিছু কিছু সাঁতার কাটতে সক্ষম সরীসৃপও। তবে পৃথিবীতে তখন এমন কিছু সরীসৃপের অস্তিত্ব ছিল, যাদের সঙ্গে ডাইনোসরের সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। আকস্মিক বিলুপ্তির খাতায় তারাও নাম লেখাল। তবু কোনো এক কারণে টিকে গিয়েছিল কিছু সরীসৃপ, যাদের বিকট আওয়াজে আবারো কাঙ্ক্ষিত হয়েছিল পৃথিবী। তারা আজও বেঁচে আছে এই পৃথিবীর বুকে- কখনো সরীসৃপ হয়ে, কখনোবা পাখি হয়ে। আমাদের আবির্ভাব তাদের জন্য অশনিসংকেত! যদিও তাদেরই কোনো এক পূর্বপুরুষের ভয়ে আমরা ভীত ছিলাম এবং অস্তিত্বের স্বার্থে উপনিবেশ স্থাপন করেছিলাম বৃক্ষের মগডালে।&lt;/span&gt;&lt;/blockquote&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমকাল, ৩১ অক্টোবর, ২০০৮&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-7170098372826481772?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/7170098372826481772/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_31.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7170098372826481772'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7170098372826481772'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_31.html' title='প্রথম পাখি আর্কিওপটেরিক্স'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQsM4yytnlI/AAAAAAAABH0/UpNW6f--BDs/s72-c/archi1.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-739640498737696885</id><published>2008-10-26T17:35:00.000+06:00</published><updated>2008-10-26T17:43:21.708+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গণিত'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গবেষক'/><title type='text'>বিমূর্ত বীজগণিতের অন্যতম স্রষ্টা এমি নোয়েথারের জীবনসংগ্রাম</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এ এম হারুন অর রশীদ ও ফরিদা হক&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উন্নত অথবা স্বল্পোন্নত−সব সমাজেই সংখ্যালগিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর কোনো সদস্য যদি মহিলা হন, তাহলে তিনি যত প্রতিভাধরই হোন না কেন, তাঁর পক্ষে বৃহত্তর সমাজের কাছ থেকে যথাযোগ্য স্বীকৃতি আশা করা অনেকটা আকাশকুসুম। এর একটা সুন্দর উদাহরণ আমালি এমি নোয়েথার (১৮৮২−১৯৩২), যিনি একদিকে মহিলা ও ইহুদি, অন্যদিকে নিঃসন্দেহে ঊনবিংশ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী প্রথম শ্রেণীর গণিতবিদদের অন্যতম উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। তাঁর সম্পর্কে স্বয়ং অ্যালবার্ট আইনস্টাইন লিখেছিলেন, ‘জীবিত ও সক্রিয় বেশির ভাগ নামকরা গণিতজ্ঞের বিচারে ফ্রয়লাইন নোয়েথার ছিলেন মহিলাদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রবর্তনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত জন্মগ্রহণকারী প্রতিভাশালী গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গণিত-প্রতিভা।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আইনস্টাইন যে মহিলার প্রয়াণকালে এই অকুন্ঠ প্রশংসাবাণী উচ্চারণ করেছিলেন, তিনি জার্মানির এরলাঙ্গেন শহরে ১৮৮২ সালের ২৩ মার্চ সোমবার জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ম্যাক্স নোয়েথার (১৮৪৪−১৯২১) নিজেও ছিলেন একজন নামকরা গণিতবিদ এবং এরলাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক। ওই সময় এরলাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল জার্মানির তিনটি ‘মুক্ত’ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছিল এই অর্থে মুক্ত যে তারা খ্রিষ্টীয় চার্চের কোনো অর্থানুকুল্যে স্থাপিত হয়নি এবং তাই তারা ধর্মীয় বিধিনিষেধের বাইরে কাজ করার স্বাধীনতা বহুলাংশে ভোগ করত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরলাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয় একসময় ইউরোপে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল যে গণিতবিদের কল্যাণে, তিনি হলেন ফেলিক্স ক্লাইন (১৮৪৯−১৯২৫)। এই ফেলিক্স ক্লাইনই সর্বপ্রথম জ্যামিতিক গবেষণায় গ্রুপ বা দলের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ফলে উদ্ভব হয়েছিল বিখ্যাত ক্লাইন-বোতলের। গণিতে ক্লাইনের গভীর অন্তর্দৃষ্টির ফলেই সৃষ্টি হয়েছিল তার ‘এরলাঙ্গেন প্রোগ্রাম’ বা এরলাঙ্গেন কর্মসুচি, যার জন্য আজও ক্লাইনের নাম গণিত মহলে শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;ফেলিক্স ক্লাইনের সুযোগ্য ছাত্র ছিলেন পল গর্ডান (১৮৩৭−১৯১২), যিনি শুধু ম্যাক্স নোয়েথারের বন্ধু ও সহকর্মীই ছিলেন না, তিনি মেয়ে এমি নোয়েথারের গবেষণা-পরিচালকও হয়ে গিয়েছিলেন। গর্ডানের প্রত্যক্ষ প্রভাবেই এমি নোয়েথার অপরিবর্তনীয়ের তত্ত্ব বা ‘থিওরি অব ইনভেরিয়্যান্টস’-এর ওপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন জীবনের শুরুতেই। এ প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল ‘টারনারি বাইকোয়াড্রাটিক ফর্মের ফর্ম ব্যবস্থা নির্মাণ’। এটাই এমি নোয়েথারের পিএইচডি অভিসন্দর্ভ, যা এরলাঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবন্ধিত হয়েছিল ১৯০৮ সালের ২ জুলাই, যখন এমির বয়স মোটে ২৬। এর কিছুদিন আগেই এরলাঙ্গেনের পদার্থবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের সমিতির এক সভার প্রতিবেদন হিসেবে প্রবন্ধটির অংশবিশেষ প্রকাশিত হয়েছিল। খুব সম্ভব এটাই এমি নোয়েথারের প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা, যা পরে সম্পুর্ণ আকারে প্রকাশিত হয়েছিল ‘জার্নাল ফ্যুর ডি রাইনে উন্ড আনগেভান্টে ম্যাথমেটিকে’, ১৩৪ (১৯০৮), ২৩-৯০। এই প্রবন্ধ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এ কারণে যে এ প্রবন্ধটি শেষ হয় একটি বিরাট তালিকা দিয়ে, যেখানে রয়েছে তিন শতাধিক বিস্তৃতভাবে লেখা অপরিবর্তনীয় রাশি। এসব রাশির কয়েকটি পরে আলোচনা করা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু মজার ব্যাপার এই যে এমি নোয়েথার পরে তাঁর অপরিবর্তনীয়ের তত্ত্বের ওপর এ কাজ সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলতে চাইতেন না। এমনকি তিনি একবার স্বীকারও করেছিলেন, ‘আমি সম্পুর্ণ ভুলেই গেছি প্রতীক গণনা পদ্ধতি, যা একসময় আমি শিখেছিলাম এবং ব্যবহার করেছিলাম।’ এমি নোয়েথার তাঁর পিএইচডির মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন সম্মানের সঙ্গেই−সুম্মা কাম লাউডে ১৯০৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর। এর পরের কয়েক বছর তিনি এরলাঙ্গেনের গণিত ইনস্টিটিউটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন কোনো বেতন বা নিয়োগ ছাড়াই। মনে হয়, এ সময়ই এটি এমির কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে তিনি তাঁর সমগ্র জীবন গণিতের গবেষণাতেই কাটিয়ে দেবেন−বেতন তাঁর ভাগ্যে আসুক বা না আসুক। এ সময় তিনি বিভিন্ন গাণিতিক সভা-সমিতি-আলোচনাচক্রে যোগদান করতেন উৎসাহের সঙ্গে। কেননা, এভাবেই গণিতে কী হচ্ছে, সে সম্পর্কে ধারণা করা যায়। এসব আলোচনাচক্রে অনেক সময় তিনিই একমাত্র মহিলা গণিতবিদ উপস্থিত থাকতেন; অন্য যেসব মহিলা আসতেন, তাঁরা তাঁদের স্বামীর সঙ্গিনী মাত্র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনে রাখা দরকার, এমি যখন জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তার কিছুদিন আগেও ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলাদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং জার্মানিতে কোনো বাবা চিন্তাও করতে পারতেন না, তাঁর মেয়ে বিজ্ঞান চর্চা করতে এগিয়ে আসবে, বিশেষ করে গণিতের মতো বিমূর্ত বিষয়ে। অবশ্য ১৯০৩ সালে মেরি কুরি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্ককারের জন্য। মাদাম কুরি কী অমানুষিক পরিশ্রম করে খনিজ পদার্থ থেকে তেজস্ক্রিয় রেডিয়াম পৃথক করতে সক্ষম হয়েছিলেন, সে গল্প আজ সবাই জানে। মাদাম কুরি ভাগ্যবান যে তিনি তাঁর কাজের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, কিন্তু সবারই সে ভাগ্য হয় না। যেমন−পরমাণু বিভাজনের কথাটি প্রথমে যাঁর মাথায় এসেছিল, তিনি একজন জার্মান মহিলা−লিঙ্গে মাইটনার। আবার ডিএনএ পরমাণুর ডবল হেলিক্স নকশা যেসব পরীক্ষণলব্ধ প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল, এর এক্স-রে ছবিগুলো উঠিয়েছিলেন মিস রোজালিন্ড, যাঁর নামও আজ আর বিশেষ উচ্চারিত হয় না। কিন্তু গবেষণার পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয় জেনেও এরলাঙ্গেনের এই ইহুদি তরুণী সে পথই বেছে নিয়েছিলেন। পরে এমি নোয়েথার স্বতঃসিদ্ধ বীজগাণিতিক গবেষণার একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টিশীল গণিতবিদ হিসেবেই স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন। এটা যে একজন মহিলার পক্ষে কত বড় কৃতিত্ব, তা যাঁরা গণিত গবেষণার ব্যাপারে কিছু খোঁজখবর রাখেন, তাঁরাই স্বীকার করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রথম আলো, ২৬ অক্টোবর, বিজ্ঞান প্রজন্ম সংখ্যায় প্রকাশিত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-739640498737696885?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/739640498737696885/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_6092.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/739640498737696885'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/739640498737696885'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_6092.html' title='বিমূর্ত বীজগণিতের অন্যতম স্রষ্টা এমি নোয়েথারের জীবনসংগ্রাম'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-6453057874756245615</id><published>2008-10-26T17:29:00.001+06:00</published><updated>2008-10-26T17:34:45.447+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শক্তি'/><title type='text'>পরমাণু শক্তি: সমরে নয়, শান্তিতে</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;হিরোশিমা আর নাগাসাকি আমাদের সব সময় পরমাণু শক্তির ভয়াবহতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু শান্তির কাজে লাগালে পরমাণু শক্তি আমাদের এ পৃথিবী বদলে দিতে পারে। আমাদের দেশেও দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। পরমাণু শক্তির বদলে দেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাকিয়া বেগম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার দ্বারা প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধন বিংশ শতাব্দীর একটি বড় অর্জন, যা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে অনেক প্রক্রিয়া অধিক উন্নততর, সহজতর, দ্রুততর ও সাশ্রয়ী করে তুলেছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত এ শক্তির কোনো বিকল্প আবিষ্কৃত হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পারমাণবিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিক্রিয়ার কারণে যে শক্তি উৎপাদিত হয়, তাকেই পরমাণু শক্তি বলা হয়। এ ক্ষেত্রে ফিশন ও ফিউশন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত শক্তি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রেডিও আইসোটোপ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। ফিশন প্রক্রিয়ায় ভারী কোনো পদার্থের কেন্দ্রিণ (নিউক্লিয়াস) ভেঙে ফেলার কারণে ভিন্ন ভরের দুটি পদার্থ তৈরি হওয়া ছাড়াও প্রবল শক্তি উৎপন্ন হয়, আর ফিউশন প্রক্রিয়ায় দুটি কম ভরের মৌলিক পদার্থ যুক্ত হয়ে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী পদার্থে রূপান্তরিত হয়; এ ক্ষেত্রেও প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই ধরনের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমানসংখ্যক প্রোটনসংখ্যা কিন্তু ভিন্নতর নিউট্রনসংখ্যার নিউক্লিয়াসগুলোকে ওই মৌলিক পদার্থটির আইসোটোপ বলা হয়। শক্তির দিক দিয়ে অস্থায়ী অবস্থান থেকে স্থায়ী অবস্থানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এ আইসোটোপগুলো বিকিরণরশ্মির আকারে শক্তি নির্গমন করতে থাকে। এগুলো প্রাকৃতিক রেডিও আইসোটোপ। এ ছাড়া বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে স্থায়ী কোনো পদার্থকে বিকিরণরশ্মি দ্বারা সম্পাদিত করে অস্থায়ী পদার্থে রূপান্তর করা হয়। এ হলো মানুষের তৈরি রেডিও আইসোটোপ। রেডিও আইসোটোপ থেকে বিকিরণের আকারে নির্গত পরমাণু শক্তি চিকিৎসা, কৃষি, শিল্প, নিরাপত্তা, উৎপাদন ও নির্মাণ, গৃহস্থালিসামগ্রী, গবেষণা প্রভৃতি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বিদ্যুৎ উৎপাদনে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এ শক্তির সবচেয়ে বড় ও উল্লেখযোগ্য অবদান। সাধারণত ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। উন্নত বিশ্বে বিদ্যুৎ চাহিদার বিরাট একটি অংশ এ শক্তি দ্বারা পূরণ করা হচ্ছে। জাপান, চীন, ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশও বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এ শক্তি ব্যবহার করে চলেছে। কম গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হওয়ার কারণে পরিচ্ছন্ন, সেই সঙ্গে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস হিসেবে এ শক্তি নতুনভাবে সমাদৃত হয়ে উঠছে এবং বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চিকিৎসাক্ষেত্রে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;রোগ নির্ণয়ের জন্য সহজ ও সুলভ পদ্ধতি হিসেবে এক্স-রের পরিচিতি এখন প্রায় সর্বত্র। সুলভ এই পদ্ধতি কিন্তু পারমাণবিক বিক্রিয়ার কারণেই সম্ভব হয়ে উঠেছে। এতে আজ লাখ লাখ মানুষ উপকৃত হচ্ছে। সাধারণ রেডিওগ্রাফি ছাড়া এ রশ্মি দ্বারা পরিচালিত ফ্লোরোস্কপি, সিটি স্ক্যান, মেমোগ্রাফি, বোন ডেনসিটোমিটার, এনজিওগ্রাফি প্রভৃতি পদ্ধতি বর্তমানে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে বিকিরণজনিত শক্তি কাজে লাগানো হয়, যা ক্যান্সারের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে টেলিথেরাপি যন্ত্র অথবা এক্স-রে মেশিন অথবা লিনিয়ার অ্যাকসিলারেটর থেকে নির্গত বিকিরণরশ্মি শরীরের বাইরে থেকে প্রয়োগ করা হয়, অথবা কখনো বিকিরণ-উৎসটি আক্রান্ত স্থানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থাপন করে (ব্রাকিথেরাপি) দেওয়া হয়, যা ক্যান্সারের কোষগুলো ধ্বংস করে ফেলে অথবা এর বিস্তৃতি রোধ করে রোগটি প্রশমিত করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পারমাণবিক চিকিৎসা এ শক্তির ওপর নির্ভরশীল আরও একটি উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। আণবিক পর্যায়ে লক্ষ্য স্থির করতে সক্ষম হওয়ায় ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এবং কিছু কিছু রোগের চিকিৎসায়ও এ পদ্ধতির ব্যবহার অধিক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। বিশেষ করে এ পদ্ধতি থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা নির্ণয় ও চিকিৎসায় বর্তমানে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে চলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ওষুধশিল্পে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে ওষুধপথ্য জীবাণুমুক্তকরণ ও এগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষা করতে তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করা হয়। এইডস, ক্যান্সার, আলঝেইমার প্রভৃতি রোগের কারণ ও রোগমুক্তিসংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনাসহ জৈবচিকিৎসাসংক্রান্ত গবেষণার ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় বস্তু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে চলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শিল্পক্ষেত্রে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;শিল্প-কারখানায় ব্যবহূত যন্ত্রপাতিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ত্রুটিবিচ্যুতি দেখা দেয়। ফলে কারখানার স্বাভাবিক কর্মকান্ড বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা বড় ধরনের ক্ষতি বা দুর্ঘটনা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করে ধাতব পদার্থের অভ্যন্তরীণ গঠন বিশ্লেষণ করা সম্ভব বলে এর গঠনগত ত্রুটিবিচ্যুতি নির্ণয় করা সম্ভব। তাই শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত না করে বা কার্যক্রম বন্ধ না রেখেই এ পদ্ধতি দ্বারা মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হচ্ছে। অতি ক্ষুদ্র পরিমাণ তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করেই পাইপলাইনের মধ্য দিয়ে পরিচালিত তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের গতি, ফিল্টারকরণের ক্ষেত্রে দক্ষতা, পাইপলাইনের অভ্যন্তরীণ ক্ষয়প্রাপ্তির হার, কোনো ধারক বা পাত্রের মধ্যকার তরল বা পাউডারজাতীয় পদার্থের স্তর নির্ণয়, নির্মাণ ও উৎপাদনশিল্পে সুলভে এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভুলভাবে বিভিন্ন বস্তুর পুরুত্ব, ঘনত্ব ও উপাদানের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় এবং কারখানায় উৎপাদিত বস্তুর কোথাও কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা নির্ণয় করা সম্ভব হয়। তাই তেল শোধনাগার, তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র, জাহাজ তৈরির কারখানা, সার কারখানা, কাগজশিল্প, রেললাইন, বিমান প্রভৃতি শিল্পে এ পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পলিমারের সঙ্গে তেজস্ক্রিয় প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কাঠ ও প্লাস্টিক, পাট ও প্লাস্টিক প্রভৃতি মিশ্র পদার্থ তৈরিসহ জৈবিক, পুষ্টি, চিকিৎসা প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যবহার্য বিভিন্ন ধরনের দ্রব্যসামগ্রী তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কৃষিক্ষেত্রে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;খাদ্যশস্যের মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে, সংরক্ষণে, পুষ্টিগুণ বর্ধিতকরণে এবং কীটপতঙ্গ দমনে তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়। তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগে শস্যের জেনেটিক পরিবর্তন ঘটিয়ে অধিক ফলনশীল, বৈরী আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতে সক্ষম ও কীটপতঙ্গের আক্রমণ প্রতিরোধক শস্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আক্রান্ত শস্যক্ষেতকে কীটপতঙ্গমুক্ত করার জন্য বিকিরণ দিয়ে পুরুষ প্রজাতিকে নির্জীব করে ক্ষেতের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে এদের বংশবিস্তারের প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ক্ষেত পতঙ্গমুক্ত হয়। এ ছাড়া শস্যক্ষেতের আর্দ্রতা পরিমাপ, মৃত্তিকার ক্ষয়প্রাপ্তির হার ও লবণাক্ততা নির্ণয় এবং সার প্রয়োগের পর এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উদ্ভিদ কর্তৃক শোষিত হওয়া এবং অপচয় হওয়ার হার নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পরিবেশে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;অল্প পরিমাণে তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করে মাটি, পানি বা বায়ুতে বিদ্যমান প্রধান, সুক্ষ্ম বা অতি সুক্ষ্ম উপাদানগুলো নির্ণয় করা সম্ভব হওয়ায় বায়ু ও মাটির দুষণমাত্রা, মাটির উপরিভাগ বা তলদেশের পানিতে বিদ্যমান দুষণমাত্রা অথবা মানবস্বাস্েথ্যর জন্য ক্ষতিকর আর্সেনিক, সিসা, ক্যাডমিয়াম বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের উপস্িথতি নির্ণয় করা, বাঁধ ও সেচপদ্ধতির ক্ষেত্রে নদীর পানির প্রবাহ, পানি চুইয়ে বের হয়ে যাওয়া এবং আবর্জনা বা তলানি বৃদ্ধির হার পরিমাপ করা সম্ভব হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আইসোটোপ হাইড্রোলজি পদ্ধতিতে ভুতাত্ত্বিক ও রসায়নগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভুগর্ভস্থ পানির প্রবাহ, সুনির্দিষ্টভাবে এর অবস্থান চিহ্নিতকরণ, উৎপত্তি, বয়স, পানিতে বিদ্যমান দুষণের বৈশিষ্ট্য ও প্রক্রিয়া নিরূপণ, গুণগত মান নির্ধারণ, নতুন ও নবায়নযোগ্য পানির উৎসের সন্ধান, বণ্টনপ্রক্রিয়া, গভীর ও অগভীর জলস্তরে পানি পুনর্ভরণ পদ্ধতি এবং এগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় ও বিশ্লেষণ করা যায়, যা পানির সঠিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন&lt;br /&gt;করে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মহাশুন্যে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;মনুষ্যবিহীন মহাশুন্যযানে জ্বালানির উৎস হিসেবে রেডিও আইসোটোপ দ্বারা পরিচালিত তাপীয় বৈদ্যুতিক জেনারেটর ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্লুটোনিয়াম ডাই-অক্সাইডের ক্ষয়িষ্ণুতার কারণে সৃষ্ট শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়, যা নিরবচ্ছিন্নভাবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ভুতাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ক্ষেত্রে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;কার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে জীবাশ্মসংক্রান্ত নমুনা ও শিলাখন্ডের বয়স নির্ধারণ করা সম্ভব হয়। এ ছাড়া উদ্ভিদের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করা সম্ভব হওয়ায় বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ধারণা লাভ করাসহ বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চালানো সম্ভব হয়। জাদুঘরে সংরক্ষিত চিত্রকর্ম বা অন্যান্য শিল্পকর্মের খাঁটিত্ব প্রমাণ করার ক্ষেত্রেও তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করা হয়। খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে, খনিজ পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণের জন্যও তেজস্ক্রিয় বস্তু দ্বারা পরিচালিত ওয়েল লগিং বা ট্রেসার টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;গৃহস্থালির কাজে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;তাপ প্রয়োগের ফলে প্লাস্টিক, প্রসাধন প্রভৃতি যেসব পদার্থের গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেগুলোর দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণের জন্য বিকিরণরশ্মি ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার ডিস্কের মেমোরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে, স্মোক ডিটেকটরে, রান্নার কাজে ব্যবহূত ননস্টিক প্যানের আস্তরণটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য, ফটোকপি মেশিনে উৎপাদিত স্থির বিদ্যুৎ দুরীকরণে এবং কাগজগুলো একত্রে আটকে দলা পাকিয়ে যাতে যন্ত্রটি নষ্ট হয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেও কখনো কখনো তেজস্ক্রিয় বস্তু ব্যবহার করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিরাপত্তার ক্ষেত্রে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধানের ক্ষেত্রে জল, স্থল ও বিমানপথে মালামাল পরিবহন ও যাত্রীদের স্ক্যানিং করার জন্য সাধারণত এক্স-রে মেশিন ব্যবহার করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিউট্রন সোর্সও ব্যবহার করা হয়। সর্বোপরি বলা যায়, মানুষের জীবনযাত্রার মনোন্নয়নের জন্য পরমাণু শক্তি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রথম আলো, ২৬ অক্টোবর, ২০০৮ এর বিজ্ঞান প্রজন্ম সংখ্যায় প্রকাশিত।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-6453057874756245615?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/6453057874756245615/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_26.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6453057874756245615'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/6453057874756245615'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_26.html' title='পরমাণু শক্তি: সমরে নয়, শান্তিতে'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-4932308164026512738</id><published>2008-10-25T16:17:00.000+06:00</published><updated>2008-10-25T16:30:37.996+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবিষ্কার'/><title type='text'>প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ নারী সারভাইক্যাল কারসিনোমায় বা জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৭ ভাগের ক্যান্সার আক্রান্ত কোষে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। এই ভাইরাসের নির্দিষ্ট কিছু প্রকরণই ক্যান্সারের জন্য দায়ী। হ্যারল্ড জার হৌসেন প্রচলিত বিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে প্রমাণ করেছেন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস জরায়ু ক্যান্সারের জন্য দায়ী। তার গবেষণায় বোঝা গেল, কীভাবে এটি ক্যান্সার সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ফলে আবিষ্কৃত হয় এইচপিভির প্রতিষেধক টিকা। সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট জরায়ু ক্যান্সারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য হ্যারল্ড জার হৌসেনকে এবং একই সঙ্গে এইডস জীবাণু আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে ফ্রান্সিস বেয়ার সিনৌসি এবং লুক মন্টেনিয়ারকে ২০০৮-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডা. হাসান শাহরিয়ার কল্লোল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কলেরা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড বা ইনফ্লুয়েঞ্জা-মহামারীর দিন শেষ হয়েছে বলেই ধারণা চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের। যদিও এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর হুমকি এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে সত্যিকারের যে মহামারীর হুমকি মানবজাতির সামনে মূর্তিমান আতঙ্কের মতো সাক্ষাৎ উপস্থিত তা হলো এইডস। ইতিমধ্যেই আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া, আমেরিকা আর অষ্ট্রেলিয়া- পাঁচ মহাদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে রোগটি। আফ্রিকার দেশে দেশে বহু দশক ধরে চলা গৃহযুদ্ধেও এত লোক মারা যায়নি যত লোক মারা গেছে এইডসে। এইডস  ছাড়াও আরেকটি ভাইরাস ঘটিত রোগ হচ্ছে সারভাইক্যাল ক্যান্সার। এটি জরায়ু মুখের এক ধরনের ক্যান্সার। প্রশ্ন উঠতে পারে ভাইরাস একটি জীবাণু। সুতরাং এটি দিয়ে জ্বর, সর্দি বা আমাশয়ের মতো জীবাণু ঘটিত রোগ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্যান্সারের সঙ্গে এর সম্পর্ক কোথায়? খুবই যৌক্তিক প্রশ্ন। সে প্রশ্নের উত্তর আমরা পাব একটু পরই। বলে রাখা ভালো, ২০০৮ সালে চিকিৎসাবিদ্যা বা শরীরবিদ্যায় নোবেল বিজয়ের কাহিনী বুঝতে এটুকু ভূমিকার প্রয়োজন ছিল।&lt;br /&gt;&lt;span id="fullpost"&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নোবেল ঘোষণা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;গত ৬ অক্টোবর সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট সারভাইক্যাল ক্যান্সারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য হ্যারল্ড জার হৌসেনকে এবং একই সঙ্গে এইডসের জন্য দায়ী জীবাণু আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে ফ্রান্সিস বেয়ার সিনৌসি এবং লুক মন্টেনিয়ারকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘোষণায় বলা হয়, হ্যারল্ড জার হৌসেন প্রচলিত বিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে প্রমাণ করেছেন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (Human Papiloma Virus - HPV) সারভাইক্যাল ক্যান্সারের জন্য দায়ী। এটি মহিলাদের যত ধরনের ক্যান্সার হয় তার মধ্যে সংখ্যার হিসাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম। তিনি বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন এইচপিভি-ডিএনএ টিউমারের ভেতর অনুৎপাদনশীল অবস্থায় থাকতে পারে। আর তাই সুনির্দিষ্টভাবে খুঁজলে সেখান থেকে ভাইরাসের ডিএনএ পাওয়া সম্ভব। গবেষণা করতে গিয়ে তিনি দেখলেন এইচপিভি একটি বিষম বর্গীয় ভাইরাস। এর নির্দিষ্ট কিছু প্রকরণই ক্যান্সারের জন্য দায়ী। তার এ আবিষ্কারের ফলে এইচপিভি বা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের জীবনবৃত্তান্ত জানা গেল। বোঝা গেল কীভাবে এটি ক্যান্সার সৃষ্টিতে সাহায্য করে। ফলে আবিষ্কৃত হলো এইচপিভির প্রতিষেধক টিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্যদিকে ফ্রান্সিস বেয়ার সিনৌসি এবং লুক মন্টেনিয়ার এইচআইভি বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাসের আবিষ্কর্তা। তারা এইডস রোগের প্রাথমিক পর্যায়ের রোগীদের ফুলে যাওয়া লসিকা গ্রন্থির লসিকা কোষ থেকে এবং শেষ পর্যায়ের এইডস আক্রান্তদের রক্তে এ ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি খুঁজে বের করেন। তারা এ ভাইরাসটির অঙ্গসংস্থান, জৈবরাসায়নিক এবং প্রতিষেধক বিদ্যার ওপর ভিত্তি করে এ রেট্রো ভাইরাসটিকে মানবদেহের প্রথম জানা লেন্টি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেন। এইচআইভি লসিকা কোষের ভেতর দ্রুত বংশবৃদ্ধি এবং পরবর্তী সময়ে কোষটিকে ধ্বংস করে (জীববিদ্যার ছাত্র বা পাঠক মাত্রেই জানেন, ভাইরাসের জীবিত কোষে বংশবৃদ্ধি ঘটে এবং তারপর ওই কোষের শেষ প্রাচীর বা কোষ আবরণী ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে, ফলে ওই কোষের মৃত্যু ঘটে)। রোপ্রতিরোধক ব্যবস্থা বা ইমিউন সিষ্টেমের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এইডস রোগের সাম্প্রতিক রোগতত্ত্বটি বোঝা এবং এর এন্টিরেকটোভাইরাল চিকিৎসা পদ্ধতির পহৃর্বশর্তই ছিল এ আবিষ্কার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস আবিষ্কারের কাহিনী&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সারভাইক্যাল ক্যান্সার সংঘটনের প্রচলিত ধারণার বিপরীতে ১৯৭০ সালের দশকে হ্যারল্ড জার হৌসেন হিউমান প্যাপিলোমা ভাইরাসের ভূমিকা সম্পর্কিত বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন। তিনি ধারণা করেন, যদি কোনো ভাইরাস আদতেই ক্যান্সারের কারণ হয় তবে সেই টিউমার কোষের জিনোমের ভেতর ভাইরাসের ডিএনএ অঙ্গীভূত থাকবে। ফলে সুনির্দিষ্টভাবে খুঁজলে এইচপিভির বংশবৃদ্ধির জন্য সহায়ক জিন টিউমার কোষের ভেতরে শনাক্ত করা যাবে। এরপর থেকে দীর্ঘ এক দশক জার হৌসেন বিভিন্ন ধরনের এইচপিভি নিয়ে গবেষণা করেন। এ গবেষণাটি দুঃসাধ্য ছিল এ কারণেই যে, পোষক কোষের জিনোমে ভাইরাল ডিএনএর খুব সামান্যই অঙ্গীভূত থাকে। ১৯৮৩ সালে প্রথম তিনি একটি অনন্য এইচপিভি-ডিএনএ খুঁজে পান সারভাইক্যাল ক্যান্সারযুক্ত কোষের পরীক্ষায়। এভাবেই আবিষ্কৃত হয় ক্যান্সার সংঘটনকারী প্রথম এইচপিভি প্রকরণ- এইচপিভি ১৬। ১৯৮৪ সালে তিনি সারভাইক্যাল ক্যান্সার রোগীদের কোষ থেকে এইচপিভি ১৬ এবং এইচপিভি ১৮-এর ক্লোন করেন। পরবর্তী সময়ে নানা গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের রোগীদের শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে এ দুটি প্রকরণ নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এইচপিভি আবিষ্কারের গুরুত্ব&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বের জনস্বাস্থ্য সমস্যায় একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। সব ধরনের ক্যান্সারের ভেতর শতকরা ৫ ভাগেরও বেশি হয় শুধু এ ভাইরাসের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ফলে। যৌনবাহিত রোগের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, যার শতকরা হার ৫০ থেকে ৮০ ভাগ। এ পর্যন্ত শতাধিক প্রকারের এইচপিভি ভাইরাসের মধ্যে ৪০টি প্রজননতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং তার মধ্যে ১৫টি মহিলাদের সারভাইক্যাল ক্যান্সারের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। এছাড়াও যোনিপথ, শিশু, মুখ ও অন্যান্য অঙ্গের কিছু ক্যান্সারেও এই ভাইরাস পাওয়া গেছে। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৫ লাখ নারী সারভাইক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯.৭ ভাগের ক্যান্সার আক্রান্ত কোষে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের অস্থিত্ব ধরা পড়েছে।&lt;br /&gt;হ্যারল্ড জার হৌসেন এইচপিভির অভিনব বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে ভাইরাস সংক্রমণজনিত ক্যান্সার রোগের সৃষ্টির প্রক্রিয়া, ক্যান্সার সংক্রমণের পূর্বশর্ত হিসেবে ভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ এবং কোষের পরিবর্তনে এর প্রভাবের বিষয়গুলো বোঝা সহজ হয়। তিনি বিজ্ঞানীদের কাছে এইচপিভি ১৬ এবং ১৮ সহজলভ্য করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফলে আবিষ্কার হয় প্রতিষেধক, যা ঝুঁকিপূর্ণ এইচপিভি ১৬ এবং ১৮-এর সংক্রমণ থেকে শতকরা ৯৫ ভাগেরও বেশি ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেয়। এছাড়া এ প্রতিষেধকগুলো সার্জারির প্রয়োজন কমায় এবং বিশ্বব্যাপী সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে ভূমিকা রাখছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমকাল, ২৪ অক্টোবর, ২০০৮ এর কালস্রোত পাতায় প্রকাশিত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-4932308164026512738?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/4932308164026512738/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_25.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/4932308164026512738'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/4932308164026512738'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_25.html' title='প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-7813642745105634698</id><published>2008-10-24T21:40:00.000+06:00</published><updated>2008-10-25T16:36:19.166+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবিষ্কার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='যান্ত্রিক'/><title type='text'>সময়খেকো ফড়িং ঘড়ি</title><content type='html'>ঘড়ি বলতে যা বোঝায় তা হলো  নানা আকৃতির কাঁটাবিশিষ্টএকটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা টিকটিক করে সময়ের জানান দেবে; কিন্তু কেউ কি কাঁটা ও সংখ্যা ছাড়া ঘড়ির নাম শুনেছেন কোনোদিন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড. টেইলর হলেন একজন হরোলজিষ্ট, যিনি সময় পরিমাপ বিষয়ে কাজ করেন। তিনি এমন একটি ঘড়ি তৈরি করেছেন, যার কোনো কাঁটা বা হাতা নেই, নেই সংখ্যাও। শুধু সময় প্রদর্শনের জন্য এর পৃষ্ঠে ৬০টি চিরকাঁটা এবং একটি ঘাসফড়িং ব্যবহৃত হয়েছে। এ ঘাসফড়িংটির নড়াচড়ার ফলে নীল বর্ণের আলোক ঝলকের সৃষ্টি হয়, যা পুরো পৃষ্ঠ প্রদক্ষিণ শেষে একটা নির্দিষ্ট সময় পর থামে। কিন্তু ঘড়িটিকে পাঁচ মিনিটে একবার সঠিক বলা যায়। কারণ প্রতি পাঁচ মিনিট অন্তর অন্তর আলোটি সময় প্রদর্শনের জন্য থামে। উল্লিখিত ঘাসফড়িংটিকে সময় পরিমাপক বলা যায়, যা কি-না প্রায় চার ফুট ব্যাসবিশিষ্ট পৃষ্ঠে অগ্রসর হতে থাকে এবং এর প্রতিটি পদক্ষেপকে এক সেকেন্ড বলা হয়। এর পৃষ্ঠে ২৪ কেরেট সোনার প্রলেপ দিতে ৮ জন প্রকৌশলী এবং দক্ষ কারিগরের ৫ বছর সময় লেগেছে। ঘড়িটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ পাউন্ড। এটিতে ব্যবহার করা হয়েছে বৈদ্যুতিক মোটর, যা ২৫ বছর পর্যন্ত সচল থাকবে। ঘড়িটিতে প্রদর্শিত ঘাসফড়িংটি হিংস্রতার প্রতীক, যে সময়ের ওপর জিহ্বা বের করে হাঁ করে বসে আছে এবং সময় বা সেকেন্ডগুলোকে চেটে চেটে ৫৯তম সেকেন্ডে পুরোপুরি গলাধঃকরণ করছে। তাই একে বলা হয় সময়খেকো বা টাইম ইটার। এ জন্যই বোধ হয় ঘড়িটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে আজব ঘড়ি বলা হয়। ঘড়িটির উদ্ভাবক জন টেইলর বলেন, ‘ঘাসফড়িংটি কোনো হাস্যকর চরিত্র নয়’। তিনি এটিই বোঝাতে চেয়েছেন যে, নিষ্ঠুর সময় একবার চলে গেলে কেউ তা কখনো ফিরে পাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭২ সালে তিনি ইংরেজ ঘড়ি নির্মাতা জন হ্যারিসনের স্মরণে ঘড়িটির নকশা করেন। জন হ্যারিসন ১৮ শতকে দ্রাঘিমা সমস্যার সমাধান করেন এবং ঘাসফড়িংবিশিষ্ট একটি ঢাল ও ছোট যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, যা দোলনের সময় দোলকটিকে মুক্ত রাখে। এক সাক্ষাৎকারে ড. টেইলর বলেন, গতানুগতিক ঘড়ির কাঁটাগুলো দেখতে দেখতে একঘেয়ে মনে হয়। তাই সময় গণনার জন্য নতুন কিছু তৈরির আশা নিয়ে  যন্ত্রটিকে আরো সুন্দর ও উন্নত করেছেন। প্রতীকী অর্থে, সময়বিনাশি ও ক্ষয়িষ্ণু এবং কোনো কিছু সময়কে খেয়ে ফেলছে, ঘাসফড়িং দিয়ে তিনি তাই দেখিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ঘড়িটি কর্পাস ক্রিষ্টি কলেজের লাইব্রেরির বাইরের দেয়ালে স্থাপন করা হবে সাধারণ মানুষের অবলোকনের জন্য। ১৯৫০ সালে জন টেইলর এ কলেজের ছাত্র ছিলেন। কলেজটিকে তিনি উপহার হিসেবে ঘড়িটি প্রদান করেন। ঘড়ির উদ্বোধনকালে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ‘কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ গ্রন্থের লেখক স্টিফেন হকিংও এমন একটি আজব ঘড়ির প্রস্তাবক, যার ব্যাস এক মিটার। British Horological College (BHC) -এর পরিচালক এলান মিল্টন বলেন, ‘পরিকল্পনাটি আসলে চমৎকার। তবে এটা কি বিগ ব্যাঙ-এর মতো বিখ্যাত হবে? তা সময়ই বলে দেবে। যদিও আমি এর সত্যতার ওপর সংশয়াপন্ন।’&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-7813642745105634698?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/7813642745105634698/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_8265.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7813642745105634698'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7813642745105634698'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_8265.html' title='সময়খেকো ফড়িং ঘড়ি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-7256187265359446635</id><published>2008-10-24T20:50:00.001+06:00</published><updated>2008-10-24T20:57:37.409+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>ভারত 'চন্দ্রযান' পাঠালো</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHg5H8x0XI/AAAAAAAABEs/1Z_4qTqMiDU/s1600-h/ilfmmc.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0pt 0pt 10px 10px; float: right; cursor: pointer; width: 267px; height: 320px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHg5H8x0XI/AAAAAAAABEs/1Z_4qTqMiDU/s320/ilfmmc.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5260733111736586610" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;ভারত চাঁদ নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যে আকাশে 'চন্দ্রযান' নামক একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছে। ভারত এর মাধ্যমে মহাকাশযাত্রায় সমর্থ দেশগুলোর সভায় নাম নিবন্ধন করলো। অবশ্য এর আগেই ভারতের একাধিক ব্যক্তি আমেরিকার নাসা'তে কর্মরত থেকে মহাকাশযাত্রার অভিযানে সামিল হয়েছিল। এর মধ্যে কল্পনা চাওলা ও সুনিতা উইলিয়ামস এর নাম উল্লেখযোগ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;পাশের ছবিটি ভারতের মহাকাশযানের একটি শৈল্পিক কল্পনা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভারতের যে সব বিজ্ঞানী এই মহাকাশ গবেষণায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, তাদের পরিচয় নিম্নরূপ। নিচের লেখাটিতে তাদের পরিচয় সংক্ষেপে দেয়া হয়েছে। রচনার সূত্র: &lt;a href="http://amarblog.com/puranpapi/18064"&gt;পুরানপাপী&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;ভারতের মহাশূন্য গবেষনার প্রতিষ্ঠাতা বিক্রম সারাভাইকে বলা হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিজ্ঞানীর গবেষনা আজ এই প্রতিষ্ঠানটি এক মহিরুহে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে ভারতের চন্দ্র অভিয়ানে যেসব বিজ্ঞানী নিরলস ভাবে কাজ করছেন। তার মধ্যে জি মাধবন নায়ার, মইল্লা সোয়ামী আনন্দুরাই, জর্জ কোশি, এস ভি কুমার হচ্ছে অন্যতম। ভারতের এই কৃতিমান পূরেুষরা পৃথিবীর নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয় গুলির গবেষনা করেছেন জীবনের বিভিন্ন সময়ে। তারপর তারা দেশে ফিরে দেশকে উপহার স্বরুপ এই সাফল্য এনে দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমেই আসি &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাধবন নায়ারের&lt;/span&gt; কথায়। ভারতের একজন প্রথম সারির প্রযুক্তিবিদ। রকেট সিষ্টেম উন্নতর করার ক্ষেত্রে উনার অবদান এক কথা অনিস্বীর্কায। একধিক স্যাটালাইট এক সাথে রকেটে বেধে মহাশূন্যে প্রেরন করার প্রযুক্তি নির্মনে উনার অবদান গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করা হয়। উনি ইসরোতে পরিচালক থাকা অবস্থায় রিমোট নিয়ন্ত্রিত প্রথম পোলার স্যটালাইট লঞ্চ ভেহিক্যাল পিএসএলভি মহাকাশে উৎক্ষেপন করা হয়। এর পর তিনি একে আরো উন্নত করেন ।&lt;br /&gt;উনি ভারতের জিও সিনক্রোনাইস স্যটালাইট লঞ্চ ভেহিকলের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের নকশা এবং একে আরো আধুনিক ও উন্নত করতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কৃতীমান এই বিজ্ঞানীর জন্ম ভারতের কেরলা রাজ্যের নিয়াটিনকারা নামক এক গ্রামে ১৯৬৬ সালে উনি বিএসসি ডিগ্রি নেন তড়িৎ ও যোগাযোগ প্রকৌশলে। স্নাতক ডিগ্রি নেওয়ার পর উনি ভরতের বিখ্যাত ভাবা আনবিক গবেষনাগারে যোগদান করেন। বিজ্ঞানে তার অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে উনাকে ভারত সরকার পদ্মভুষনে সন্মানিত করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয় যে ব্যক্তিটির নাম আসে এই চন্দ্রযান প্রজেক্টে তিনি হচ্ছেন &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মইলোসোয়ামী আনানদূরা&lt;/span&gt;ই। বিজ্ঞানী আনানদূরাই এই চন্দ্রমিশনে নেতৃত্য দানের পাশাপাশি মিশনের সকল রিপোর্ট তৈরী করেছেন।উনি নিজে অনেক গবেষনা পত্র বিভিন্ন বিজ্ঞান সাময়িকিতে প্রকাশ করেছেন। ভারতের ইনস্যাট সট্যালাইটই সহ বিভিন্ন সটালাইট নির্মান ও উন্নয়নের পিছনে উনার অবদান বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। উনার জন্ম ২রা জুলাই, ১৯৫৮ ভারতের পোলালাচি সংলগ্ন কোটারী নামক গ্রামে তামিল নাডু রাজ্যে কোয়েম বাটোরে এটি অবস্থিত। প্রকৌশলে স্নাকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে উনি ১৯৮২ সালে ইসরোতে যোগদান করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;টি কে এলেক্স&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভারতের প্রথম সট্যালাইট আর্যভট্ট যখন মহাকাশে ছাড়া হয় তখন উনি ছিলেন সেই মিশনের পরিচালক।&lt;br /&gt;ভারতের যেসব স্যটালাইট ইতিপূর্বে ছাড়া হয়েছে তার সবগুলি সট্যালাইটের সেন্সর সিস্টেম গুলিতে যে পরিবর্তন উন্নয়ন ঘটেছে তার বেশির ভাগ কৃতিত্ব এই বিজ্ঞানীর। উনার নেতৃত্বে ১৯৯৩ সালে ভারতে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম ইলেকট্রো অপটিকস সিষ্টেম ল্যাবোরেটরি । ভুপৃষ্ঠের যেসব ছবি স্যটালাই্ট ক্যমেরার সাহায্যে তোলা হয় সে সব ক্যমেরার সঠিক ডাটা ও নিখুত ছবি তোলার যন্ত্র গুলি উন্নয়ন ঘটান এই কৃতিমান বিজ্ঞানী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টি কে এলেক্স স্বর্ন পদক পান কেরালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসিতে। তারপর আই আই টি মাদ্রাজ থেকে উনি তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাকোত্তর মানে মার্ষ্টাস ডিগ্রি নেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শিব কুমার&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উনিও ইসরোর একজন মিশন পরিচালক । উনি ভুমি থেকে মহাশূন্যে চন্দ্রযান পাঠানোর মধ্যে যে সব যোগাযোগ করা হয় তার কমান্ড উনি পরিচালনা করেন। অতন্ত্য জটিল মূহুর্ত গুলির পরিস্থিত যেমন চদের অরবিটে ঢুকা , চন্দ্রপৃষ্ঠে আরোহন করা ইত্যাদির সাথে যে যোগাযোগ তার কমান্ড উনি পরিচালনা করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়া বিভিন্ন বিজ্ঞানী আছেন এর সাথে যুক্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে উল্লেখ্য প্রতিটি অভিযানে এর প্রধান তিরুপাতি মন্দিরে গিয়ে ভগবান তিরুপতির আর্শীবাদ নিয়ে এরা কাজ শুরু করেন। বিজ্ঞানী নায়ার এ পূজাটি দেন ইসরোর পক্ষ থেকে।&lt;/blockquote&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-7256187265359446635?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/7256187265359446635/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_24.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7256187265359446635'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/7256187265359446635'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_24.html' title='ভারত &apos;চন্দ্রযান&apos; পাঠালো'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_uq9J292axvc/SQHg5H8x0XI/AAAAAAAABEs/1Z_4qTqMiDU/s72-c/ilfmmc.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-5493920447141704887</id><published>2008-10-22T17:00:00.000+06:00</published><updated>2008-10-22T17:03:59.647+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>মহাকাশ বিষয়ক ভিডিও</title><content type='html'>মহাকাশ বিষয়ক বেশি কিছু বিখ্যাত ভিডিও আছে। এগুলো টরেন্ট ফাইল হিসেবে রয়েছে। আই এস ও হান্ট এ গিয়ে সার্চ করলে অনেকগুলো পাওয়া যায়। সার্চ রেজাল্টের লিংক হল:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;http://isohunt.com/torrents/?ihq=hst+the+universe&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://isohunt.com/torrents/?ihq=hst+the+universe"&gt;এখানে ক্লিক করলে&lt;/a&gt; সরাসরি আই এস ও হান্টে চলে যাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোন একটা ভিডিও ডাউনলোড করতে চাইলে লিংকে ক্লিক করতে হবে। যে কোন একটা টরেন্ট ডাউনলোডার সফটওয়ার দিয়ে এই ভিডিও ফাইলগুলো ডাউনলোড করা যাবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-5493920447141704887?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/5493920447141704887/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_22.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5493920447141704887'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5493920447141704887'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_22.html' title='মহাকাশ বিষয়ক ভিডিও'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-3159159477398270029</id><published>2008-10-22T11:46:00.002+06:00</published><updated>2008-10-22T15:26:27.203+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রাণীবিদ্যা'/><title type='text'>ডলফিনের জন্য ভালোবাসা</title><content type='html'>একসময় বাংলাদেশের খুব কম নদনদীই ছিল যেখানে শুশুক দেখা যেত না। প্রতিকুল পরিবেশ, মানুষের বৈরিতায় আস্তে আস্তে বড় কিছু নদী ছাড়া আর সব জলাশয় থেকেই প্রায় হারিয়ে গেছে ডলফিনের এ প্রজাতি। তার পরও সাম্প্রতিক কিছু জরিপ বলছে, এখনো আশপাশের দেশের তুলনায় আমাদের দেশে ডলফিনের সংখ্যা নেহাত কম নয়। বাংলাদেশে ডলফিনের অবস্থা নিয়ে আমাদের এই প্রতিবেদন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ফারহানা আলম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ডলফিন নিয়ে আলাদা করে কোনো আগ্রহ রুবাইয়াত মনসুর মুগলির ছিল না। তাঁকে আগ্রহী করে তোলেন ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক ব্রায়ান স্মিথ। ২০০০ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন ভদ্রলোক। বেসরকারি পর্যটন সংস্থা দ্য গাইড ট্যুরস লিমিটেডের ভ্রমণতরীতে করে সুন্দরবন গিয়েছিলেন তিনি। সুন্দরবন যাওয়ার পথে নদীতে শুশুকসহ অনেক ডলফিন দেখলেন ব্রায়ান। ওই অঞ্চলের নদীর পানিতে জলজ স্তন্যপায়ী গোত্রের প্রাণী দেখে গাইড ট্যুরসের মুগলিকে গল্প শোনাতে লাগলেন তিনি। সেই প্রথম মুগলি জানলেন, বাংলাদেশের নদনদী ও বঙ্গোপসাগরে নানা জাতের ডলফিন আছে। গভীর সমুদ্রে আরও আছে ডলফিনেরই জাতভাই তিমি। ব্যস, আর যায় কোথায়! এই বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে শুরু করলেন রুবাইয়াত মুগলি। আর তাঁকে বিভিন্ন সময় সহযোগিতা করার জন্য ব্রায়ান স্মিথ তো ছিলেনই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির জন্য বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তিমি ও ডলফিন সংরক্ষণ সংস্থা এবং কনভেনশন অন মাইগ্রেটরি স্পিসিজের সমর্থনে মূলত ব্রায়ান স্মিথের আয়োজনে প্রথমবারের মতো শুরু হয় রুবাইয়াতের ডলফিন নিয়ে জরিপের কাজ। জরিপে অংশ নেন ভারত, বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। জরিপের জন্য তাঁরা ঘুরে বেড়িয়েছেন সুন্দরবনের সব নদী ও খাল। আইইউসিএনের সঙ্গে যৌথভাবে আবার সুন্দরবনের জলপথ ধরে চলে গবেষণা। বাংলাদেশের জলসীমায় থাকা স্তন্যপায়ী প্রাণিবৈচিত্র্যের সন্ধান করা এবং সেগুলো যেন বিলুপ্ত হয়ে না যায় সে লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তার অনুসন্ধানই ছিল রুবাইয়াতের মূল লক্ষ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৪ সালে বাংলাদেশের উপকুল ধরে মিয়ানমারের সীমানা থেকে অর্থাৎ নারিকেল জিঞ্জিরার উপকুল থেকে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের শেষ সীমা পর্যন্ত চালানো হয় আরেকটি জরিপ। এই জরিপেও বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কার ১৫ জন বিজ্ঞানী অংশ নেন। তখনই তাঁরা এই অঞ্চলে সামুদ্রিক ডলফিন ও তিমির দেখা পান। সেই সঙ্গে সুন্দরবনের গভীর সমুদ্রের গিরিখাদ বা অতলস্পর্শে ডলফিনের বৈচিত্র্য ও এদের অবাধ বিচরণ দেখেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৫ সালে আবার এ জায়গায় জরিপের সময় তাঁরা প্যানট্রপিক্যাল স্পটেড ডলফিন ও স্পিনার ডলফিনের অস্তিত্ব খুঁজে পান।&lt;br /&gt;বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জরিপ চলতে থাকলেও কোনো আনুষ্ঠানিক ভিত্তি না থাকায় রুবাইয়াত ২০০৬ সালের জুলাই মাসে এসে গঠন করেন বাংলাদেশ সেটেশন ডাইভার্সিটি প্রজেক্ট (বিসিডিপি)। রুবাইয়াতও পুরোদমে প্রধান গবেষক হিসেবে কাজ শুরু করেন।&lt;br /&gt;ছয় বছরের জরিপের ফলাফলে মোটামুটি একটা সংখ্যা বের হয়ে এসেছে। গাইড ট্যুরসের ভ্রমণতরী এমভি অবসর, এমভি ছুটি ও এমভি বনবিবির সারেংরাও এই জরিপে অংশ নেন। তাঁরা দল, একক ও বাচ্চা−এই তিনটি ভাগে জরিপটি পরিচালনা করেন। সেই হিসাবমতো শুশুকের এক হাজার পাঁচটি দল, একক এক হাজার ৯৯৩টি এবং বাচ্চা ২৩৫টি গণনা করা হয়। আর ইরাবতী ডলফিনের ২৮১টি দল, একক ৫৬৬টি এবং বাচ্চা ৩২টি দেখা গেছে। এই জরিপ করা হয়েছে সুন্দরবনের সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ২৬ হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সামগ্রিক জরিপে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রায় ছয় হাজার ইরাবতী ডলফিনের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিন্তু শুধু অস্তিত্ব থাকলেই হবে না; তাদের অস্তিত্ব যেন বিলুপ্তির দিকে না যায় সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে। তাই বিসিডিপি কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। জনসচেতনতা তৈরি করতে তারা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নানা ধরনের বইপত্র, যেখানে ডলফিন ও তিমিবিষয়ক নানা তথ্য দেওয়া আছে। আবার সামাজিকভাবে সংঘবদ্ধ করে আলোচনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্থানীয় নেতা এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষকেরাও এই সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছেন। খেলাধুলা ও ছবির মাধ্যমেও প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেই সঙ্গে একটি তথ্যচিত্র জাতীয় গণমাধ্যমে বা স্থানীয়ভাবে দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। জলজ স্তন্যপায়ী আর নিজেদের নিরাপত্তার জন্য জেলেরা যাতে নিরাপদ জলপথ ব্যবহার করতে পারে সেই লক্ষ্যে কম খরচে ও সহজবোধ্য গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও আছে। আছে আশপাশের এলাকার গ্রামবাসী ও জেলেদের জলজ স্তন্যপায়ীর বিচরণক্ষেত্র, জীবনাচরণ পর্যালোচনা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সচেতনতা বাড়ানোর পরিকল্পনা। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, জলবায়ুর পরিবর্তন, বাঁধের কারণে সুন্দরবন ও মোহনায় নদীর পানির স্বল্পতার মধ্যেও জলজ স্তন্যপায়ীর জীবনধারণ লক্ষ করে এদের বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।&lt;br /&gt;জলজ স্তন্যপায়ীদের জন্য একটি সংরক্ষিত এলাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে বিসিডিপি। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর আর উত্তরে মংলা বন্দর, পূর্বে বলেশ্বর আর পশ্চিমে পশুর নদকে সীমা ধরে মাঝখানে পূর্ব সুন্দরবনের নির্ধারিত অংশকে এই সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখানে সংরক্ষিত এলাকায় চিংড়ি মাছের পোনা ধরায় সুক্ষ্মজালের ব্যবহার বন্ধ ও পানিদুষণ রোধ করা গেলেই জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অবাধে বিচরণ করতে পারবে।&lt;br /&gt;জলজ স্তন্যপায়ীর অবাধ বিচরণ ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধির লক্ষ্যেই বিসিডিপি ৯ থেকে ১২ অক্টোবর শিশু একাডেমীতে আয়োজন করে বাংলাদেশে প্রথম শুশুক মেলা। চার দিনব্যাপী এই মেলায় বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিতি প্রমাণ করে জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণিবৈচিত্র্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ আছে। বললেন বিসিডিপির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সমন্বয়কারী এলিজাবেথ ফাহরনি মনসুর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ডলফিনের অভয়াশ্রম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচের ছবিটি ভালো করে লক্ষ করুন। মনে হচ্ছে না পানির একটা অংশে ছায়া পড়েছে? আসলে কিন্তু ছায়াটায়া কিছু না। পানির রংই এ রকম। সুন্দরবনসংলগ্ন সমুদ্রের এই জায়গায় খাড়া নেমে গেছে গিরিখাদ। ৯০০ মিটার (প্রায় তিন হাজার ফুট) গভীর এই গিরিখাদ নাম রাখা হয়েছে সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড। দুই দেশে বিস্তৃত চোঙাকৃতির এই জায়গার মুখের দিকে ৪০ কিলোমিটার আর মাথার দিকে ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এই জায়গায় বিপুলসংখ্যক ডলফিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। জায়গাটি মূলত ইন্দোপ্যাসিফিক বটলনোজ, স্পিনার ও প্যানট্রপিক্যাল স্পটেড ডলফিন, ব্রাইডস তিমি এবং সম্ভবত ফিন তিমির আবাস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বাংলাদেশে যত ডলফিন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ হলো বিভিন্ন প্রজাতির বিপুলসংখ্যক জলজ স্তন্যপায়ীর অবাধ বিচরণক্ষেত্র। এশিয়ার অন্যান্য দেশ, যারা বাংলাদেশের প্রতিবেশী, তাদের তুলনায় বাংলাদেশের নদী ও উপকুলীয় এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির জলজ স্তন্যপায়ী অনেক বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, উপকুলীয় ও গভীর সমুদ্রের জলভাগ অসাধারণ সব প্রজাতির জলজ স্তন্যপায়ীর জন্য খুবই উপযোগী বাসস্থান।&lt;br /&gt;বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পরিচিত ডলফিন হলো শুশুক। এরা সত্যিকারের নদীর ডলফিন। বিশেষ আকৃতির লম্বা ঠোঁট, পিঠের ছোট ডানা আর দুই পাশের বড় পাখনার কারণে শুশুক দেখতে একটু অদ্ভুত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা নদীর সব জায়গাতেই শুশুকের বাস। সত্যিকারের নদীর ডলফিন সাগরের ডলফিনের দুরসম্পর্কের আত্মীয়। এদের ঠোঁট লম্বা এবং চোখ খুব ছোট। শুশুকের দৃষ্টিশক্তি খুবই দুর্বল। নদীর যে ঘোলা পানিতে এদের বসবাস, সেখানে দৃষ্টিশক্তির খুব একটা প্রয়োজন হয় না। এর বদলে এদের ইকোলোকেশনের শক্তি অনেক প্রখর। চলাচলের সময় জলজ স্তন্যপায়ীরা প্রতিধ্বনিত শব্দ দিয়ে মস্তিষ্কেক প্রতিচ্ছবি তৈরি করে।&lt;br /&gt;শুশুকের শরীরের দুই পাশের বড় পাখনা ও নমনীয় ঘাড়ের জন্য এরা সহজে চলাচল করতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, এরা কাত হয়ে সাঁতার কাটে। বড় পাখনার সাহায্যে এরা নদীর তলদেশ ছুঁয়ে পথ নির্ধারণ করে। এরা কিন্তু মোটেই সমাজবদ্ধ নয়। সাধারণত একাই থাকে। তবে অনেক সময় নদীর বাঁকে ও মোহনায় ছোট ছোট দলে দেখা যায়।&lt;br /&gt;কিছু প্রজাতির ডলফিন নদী ও সাগর উভয় স্থানেই দেখা যায়। যেমন ইরাবতী ডলফিন। আমাদের দেশে এরা সুন্দরবনের মিঠা পানির নদী আর বঙ্গোপসাগরের উপকুলীয় অঞ্চলে বাস করে। নদীসহ যেসব উপকুলীয় জলাশয়ে নদী থেকে মিঠা পানি আসে, সেসব স্থানে ইরাবতী ডলফিন দেখা যায়। সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের জলপথে এরা শুশুকের সঙ্গে মিলেমিশেই থাকে।&lt;br /&gt;গোলাপি ডলফিন বা ফিনলেস পরপয়েসকে মাঝেমধ্যে সুন্দরবনের নদীতে দেখা গেলেও এরা আসলে উপকুলীয় জলভাগে বাস করে, যেখানে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা নদী থেকে মিঠা পানি আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(153, 51, 0);"&gt;প্রথম আলো, শুক্রবারের ক্রোড়পত্র, অন্য আলো, ১৭, অক্টোবর, ২০০৮ সংখ্যায় প্রকাশিত।&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-3159159477398270029?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/3159159477398270029/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_9837.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/3159159477398270029'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/3159159477398270029'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_9837.html' title='ডলফিনের জন্য ভালোবাসা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-1454102224916033579</id><published>2008-10-21T15:21:00.000+06:00</published><updated>2008-10-21T17:02:11.572+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>এবার চাঁদেও পানি!</title><content type='html'>মানুষ কেন ভিনগ্রহের পানে ছুটছে, তার সবচেয়ে সহজ উত্তর হলো, প্রাণের অস্তিত্ব। অন্য প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজা মানে নিজেদের দ্বিতীয় আবাস তৈরি করা। প্রাণের সরাসরি দেখা না পেলেও তাদের চিহ্নটা পেলেও চলে। তাহলে হয়তো একে মানুষের উপযোগী করে গড়ে তোলা যাবে। তবে মানুষ থাকতে হলে সবার আগে দরকার অক্সিজেন, তথা পানি। তাই ভিনগ্রহে বিজ্ঞানীদের চোখ চকচক করে ওঠে পানির সাড়া পেলে; সেটা মঙ্গলেই হোক আর দুরের কোনো তারায়ই হোক। পানির দেখা মিলবে−এমন আশায় মঙ্গলের পানে হাত বাড়িয়েছে মানুষ। মঙ্গলে যাওয়ার জন্য অনেক পরিকল্পনা আছে মানুষের। মঙ্গলের মহড়াটা তারা সারতে চায় আবারও চাঁদে গিয়ে। তবে চাঁদে যে পানি নেই, সে কথা অনেক আগেই জেনে গেছি আমরা। তাই হয়তো চাঁদ নিয়ে সরাসরি মাথাব্যথা নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাথাব্যথাটা নতুন। খুব সম্প্রতি চাঁদেও পানির অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে। চাঁদের পানে তাকিয়ে সেই পানির দেখা মেলেনি; বরং চাঁদের পানির দেখা মিলেছে পৃথিবীতে, আমাদের সিন্দুকে। প্রায় চার দশক আগে চাঁদ থেকে যে মাটির টুকরো নিয়ে এসেছিলাম আমরা, সেখানেই পানির অস্তিত্বের সন্ধান মিলেছে। চাঁদের মাটি নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা সেখানে পানি থাকার আলামত পেয়েছেন। তবে এই মাটিতে পানি লেগেছিল অন্তত ৩০০ কোটি বছর আগে। সেই সঙ্গে চাঁদের জন্ন নিয়েও নতুন করে কথা উঠেছে। আগেকার ধারণা ছিল, পৃথিবীর সঙ্গে অন্তত মঙ্গলের আকারের কোনো গ্রহের সংঘর্ষের ফলে চাঁদের জন্ন হয়। আর তখন সেখানে যে পরিমাণ তাপের সৃষ্টি হয়েছিল, পানি উধাও করে দিতে সেটাই যথেষ্ট। কিন্তু বর্তমান গবেষণায় উঠে এসেছে, চাঁদের জন্েনর অনেক দিন পর অবধি সেখানে পানি ছিল। পানি সরে যাওয়ার জন্য তাঁরা দায়ী করেছেন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতকে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, আজ থেকে শত কোটি বছরের বেশি সময় আগে অগ্ন্যুৎপাতের ফলে চাঁদের অন্তত ৯৫ শতাংশ পানি সরে গেছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, বাকি পাঁচ ভাগ পানি গেল কোথায়? যেহেতু চাঁদের অভিকর্ষজ বল কোনো বায়ু কিংবা জলকণা ধরে রাখতে পারে না, তাই ধারণা করা হচ্ছে, চাঁদের পানির একটা অংশ পৃথিবীর দিকে চলে আসতে পারে। আবার চাঁদের দুই মেরুতে বরফেরও সন্ধান মিলতে পারে এর কিছু অংশে। এ সম্পর্কে জানতে আরও গবেষণার দরকার আছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।&lt;br /&gt;চাঁদ থেকে নিয়ে আসা সবুজ ও কমলা রঙের কাচজাতীয় পদার্থের খুব সুক্ষ্ম বিশ্লেষণে এই প্রমাণ মেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, এর ১০ লাখ ভাগের ৪০ ভাগ অংশে পানি থাকার উপযোগী একটি করে গর্ত আছে; যেখানে পানি কিংবা হাইড্রোজেনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। আগামী বছর চাঁদে পানি খোঁজার বিশেষ অভিযান এলক্রস থেকে পানির অস্তিত্বের বিষয়টি নিয়ে আরও জানা যাবে বলে বিশ্বাস বিজ্ঞানীদের।&lt;br /&gt;চাঁদ সম্পর্কে মানুষ জেনে গেছে অনেকটাই। একে আর খুব দুরে বলেও মনে হয় না। অনেকটা একই বাড়ির ভিন্ন ঘরের মতো।&lt;br /&gt;মানুষের এখনকার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে মঙ্গল গ্রহ। মঙ্গল জয়ের অভিপ্রায় তাবৎ দুনিয়ার। কিন্তু জয় করতে হলে আগে জানতে হবে মঙ্গলকে। প্রতিদিন নানা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নতুন নতুন তথ্য জানার পাশাপাশি মানুষ স্বপ্ন দেখে যাচ্ছে মঙ্গলে পা রাখার। সেদিক থেকে তারা হয়তো খুব দুরে নয়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই অসাধ্য সাধ্য হতেও বোধহয় খুব দেরি হবে না। কিন্তু অজানা মঙ্গলে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রস্তুতি। আর সে কাজটিই এখন করছে নাসাসহ অন্যান্য মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। চাঁদে যাওয়া প্রসঙ্গে নাসার সবচেয়ে বড় যুক্তি এই প্রস্তুতিকে ঘিরেই। তারা বলতে চাইছে, মঙ্গলে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই তারা চাঁদে যেতে চায়। আর এই মিশন চেষ্টা করে যাবে চাঁদে স্থায়ী কোনো স্থাপনা গড়ে তোলার জন্য। নাসার নভোচারীরা চাঁদে বিকল্প শক্তি ও জ্বালানি বা পানি খোঁজার কাজটিও করবেন তখন। তাঁরা চেষ্টা করে যাবেন চাঁদের জমানো বরফ গলিয়ে পানি উৎপন্ন করা যায় কি না কিংবা চাঁদের মাটি খুঁড়ে কোনো খনিজ জ্বালানির সন্ধান পাওয়া যায় কি না। সুর্যরশ্মি থেকে শক্তি সংগ্রহ করে চলার চেষ্টা করেও দেখবেন তাঁরা।&lt;br /&gt;-জাবেদ সুলতান পিয়াস&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-1454102224916033579?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/1454102224916033579/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_21.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1454102224916033579'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1454102224916033579'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_21.html' title='এবার চাঁদেও পানি!'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-8971685309685713474</id><published>2008-05-15T16:15:00.000+06:00</published><updated>2008-10-21T17:02:53.110+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পাখি'/><title type='text'>হুমকির মুখে পাফিন পাখি</title><content type='html'>পাফিন (Fratercula arctica, Linnaeus) হচ্ছে অনিন্দ্য এক সামুদ্রিক পাখি। এদের বলা হয় সমুদ্রের প্যারট ও সমুদ্রের সেরা ভাঁড়ামি সার্কাস দল। একটি পাফিন তার ঠোঁটে একসঙ্গে কয়েক হালি মাছ বহন করতে পারে। বিশ্বে এই পাখিরা খুবই জনপ্রিয়। এরা বায়োইন্ডিকেটর পাখি। যেখানে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়, সেখানে পাফিনরা বেশি থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ১৮০০ সাল থেকে পৃথিবীতে পাফিনের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। শিকার, আবাসস্থল ও ডিম ধ্বংস করার কারণেই আজ পাফিনদের এ অবস্থা। তবে নতুন করে এদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে জলবায়ুর পরিবর্তন। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে উত্তর আটলান্টিক ও দক্ষিণ সাগরের খাদ্যজালে (ফুডওয়েব) ব্যাঘাত ঘটার ফলে ব্রিটেনের সবচেয়ে জমজমাট পাফিন-কলোনিতে পাফিনের সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। জীবগোষ্ঠীর মধ্যে অসম খাদ্য-সম্পর্কের ফলে একটি বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন খাদ্যশৃঙ্খলের আন্তসংযোগে যে জালিকাকার গঠন সৃষ্টি হয়, তাকে বলে খাদ্যজালিকা। খাদ্যজালে কোনো রকম ব্যাঘাত ঘটলে সংশ্লিষ্ট জীবের জীবনধারণ দুরূহ হয়ে পড়ে। ব্রিটেনের সেন্টার অব ইকোলজি অ্যান্ড হাইড্রোলজির গবেষক অধ্যাপক মাইক হ্যারিস ১৯৭০ সাল থেকে পাফিন নিয়ে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, আসলি অব মে, যেখানে ২০০৩ সালে প্রায় ৭০ হাজার জোড়া পাফিন পাখি বাসা বেঁধেছিল, সেখানে এ বছর মাত্র ৪১ হাজার জোড়া পাখি বাসা বেঁধেছে। অর্থাৎ সংখ্যায় এরা দিন দিন কমছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাফিনদের প্রধান খাদ্য হলো ছোট মাছ, স্কুইড ও অন্যান্য সামুদ্রিক মলাস্কা। কিন্তু জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এদের বসতি-সাগরগুলোতে প্লাঙ্কটনের উৎপাদন কমে গেছে। ফলে প্লাঙ্কটনের ওপর নির্ভরশীল মাছগুলো কমে যাচ্ছে। আর এ কারণেই হুমকির মুখে আছে পাফিন পাখিরা।&lt;br /&gt;"" সৌরভ মাহমুদ&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-8971685309685713474?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/8971685309685713474/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_8670.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8971685309685713474'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8971685309685713474'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post_8670.html' title='হুমকির মুখে পাফিন পাখি'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-1332826182590693725</id><published>2008-04-11T03:24:00.000+06:00</published><updated>2008-10-21T17:03:54.887+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাকাশ'/><title type='text'>সুর্যের আবার কী হলো?</title><content type='html'>ভয়ের কিছু নেই। সুর্যের কোনো মতিভ্রম হয়নি। সুর্য স্বাভাবিক আচরণ করছে। সুর্যকে নিয়ে নতুন ভয়কে এভাবেই উড়িয়ে দিলেন নাসার সৌরপদার্থবিজ্ঞানী ডেভিড হ্যাথওয়ে। আর হ্যাথওয়ের এ কথা সুর্যকে নিয়ে আজব সব আশঙ্কায় স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে অনেকটাই।&lt;br /&gt;‘তাহলে ভয়টা কী ছিল?’&lt;br /&gt;‘ভয়টা ছিল, সুর্য নাকি দিন দিন নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে আশাতীতভাবে। এর আলামতও দেখা যাচ্ছে বেশ জোরেশোরেই।’&lt;br /&gt;‘কী আলামত?’&lt;br /&gt;‘সুর্যে সৌরদাগের (সোলার স্পট) সংখ্যা কমে গেছে, প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে কিছুদিন ধরে।’&lt;br /&gt;‘সাধারণত সোলার মিনিমামের সময় এমন অবস্থা হয়। ১১ বছর পর পর এই চক্রে এমন সৌরদাগহীন সময় আসে। এখন এই সময় চলছে। এতে ভয়ের কী আছে? এমন তো হয়ই।’&lt;br /&gt;‘তা তো হয়ই। কিন্তু এবার একটু বেশি বেশি হচ্ছে যে। সোলার মিনিমাম অনেক বেশি দীর্ঘ লাগছে। এত দিন এ অবস্থায় থাকার কথা নয়। বিষয়টা অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে না তো? আমাদের তারাটি কি নিভে যাওয়ার সংকেত দিচ্ছে? তেজহীনভাবে এত দিন থাকার পাত্র তো সুর্য নয়। তাহলে?’&lt;br /&gt;এই ভয় আর জল্পনাকল্পনার ডালপালা যখন অনেক বড় হয়ে গেছে, তখনই আশার বাণী শুনিয়েছেন হ্যাথওয়ে। তিনি বলছেন, এমন হতেই পারে। অতীতে বহুবার হয়েছে, এর চেয়ে অনেক বেশি দিন ছিল সোলার মিনিমাম। এবার এ অবস্থা চলছে প্রায় তিন বছর ধরে। তবে গত শতকের শুরুর দিকের কোনো এক সময় এই সোলার মিনিমাম এর দ্বিগুণের বেশি সময় স্থায়ী ছিল। দুটি সোলার ম্যাক্সিমামকে আলাদা করে এই সেলার মিনিমাম। শেষ সোলার ম্যাক্সিমামটি হয়েছিল ২০০০-০১ সালে।&lt;br /&gt;‘এই সোলার ম্যাক্সিমাম-মিনিমামটা কী?’&lt;br /&gt;সোলার ম্যাক্সিমাম-মিনিমাম নির্ধারণ করা হয় সুর্যে কোনো সময়ে সৌরদাগের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। সৌরদাগের ঘটনা বেশি হলে সোলার মিনিমাম পিরিয়ড বলে, আর কম হলে সোলার মিনিমাম। সৌরদাগ হচ্ছে সুর্যের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে সৃষ্ট বিশেষ এক ধরনের অবস্থা। আশপাশের এলাকার তুলনায় সুর্যের কোনো জায়গার তাপমাত্রা হঠাৎ কমে গেলে সেখানে অন্ধকার গর্তের তৈরি হয়, যা পৃথিবী থেকেও দেখা যায়। সৌরদাগে সাধারণত চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কেলভিন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়। আর আশপাশে থাকে পাঁচ হাজার ৮০০ কেলভিন। এ সময় তাপের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন মাত্রার সৌর বিকিরণের সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব পড়ে পৃথিবীতেও। সেই সঙ্গে সৌরদাগের আশপাশে ভিন্নমুখী অনিয়মিত প্রবাহের সৃষ্টি হয়। সব মিলিয়ে সৌরদাগের কারণে সুর্য থাকে অনেকটা উত্তাল। ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রায়ও প্রভাব পড়ে। সৌরদাগের সংখ্যা মিনিমাম পিরিয়ডে প্রায় শুন্যের কাছাকাছি চলে আসে। তখন সপ্তাহেও একটি সৌরদাগের দেখা মেলা ভার। এই সংখ্যা বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ হয় ম্যাক্সিমামে। তখন দুরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে বেশ সহজেই দেখা যায় সুর্যের এই কলঙ্ক। ম্যাক্সিমাম থেকে সৌরদাগের সংখ্যা আবার কমতে কমতে মিনিমামে আসে। এই মিনিমাম পিরিয়ড থেকে আরেক মিনিমাম পর্যন্ত সময়কে সৌরদাগ চক্র বলে। এই চক্র সম্পন্ন হতে মোটামুটি ১৩১ মাস লাগতে পারে। এই সময় সাধারণত ১৪ মাস পর্যন্ত কমবেশি হতে পারে। মিনিমাম পিরিয়ড এক বছরেরও কম সময় থাকে। কিন্তু এবার প্রায় দুই বছর হতে চলল সুর্যের তেজের দেখা মিলছে না। তবে এই ঘটনা এত অস্বাভাবিক কিছু নয়। মিনিমাম পিরিয়ড আরও অনেক বেশি দীর্ঘ হওয়ার নজির আছে। ১৬৪৫ সালে সবচেয়ে বড় মিনিমাম পিরিয়ড শুরু হয়েছিল; সুর্যের আবার জ্বলে উঠতে তখন ৭০ বছর লেগেছিল। সবচেয়ে বড় এই মিনিমাম পিরিয়ডকে মাউন্ডার মিনিমাম বলে। এর জন্যই সতেরো শতকে পৃথিবীর তাপমাত্রা অনেক কম ছিল। এই মাউন্ডার মিনিমামের কারণ বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো অজানা। তবে এর পর থেকে সৌরদাগ চক্র বেশ নিয়মিতই ছিল। মাউন্ডার মিনিমামকে বলা হয় ‘ক্ষুদ্র বরফ যুগ’। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছিলেন, ২০০৮ সাল থেকে এমন কোনো নতুন বরফ যুগের শুরু হয় কি না! সেই আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে বিজ্ঞানী ডেভিড হ্যাথওয়ে বলেন, এই আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। এখনকার মিনিমাম পিরিয়ড বড়জোর ২০১২ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। তবে এর আগেই সুর্য তার তেজ ফিরে পাবে বলে বিশ্বাস করেন হ্যাথওয়ে। মাউন্ডার মিনিমামের আগের সময় থেকে সৌরদাগের তথ্য বিশ্লেষণ করে তিনি এই ধারণা করেন।&lt;br /&gt;সোলার স্পট মিনিমাম পিরিয়ড চলাকালে পৃথিবীর তাপমাত্রা কমতে পারে। পৃথিবীর তাপমাত্রা কমানো আমাদের খুব প্রত্যাশিত হলেও সোলার মিনিমামের কারণে হলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে। সৌর বিকিরণসহ অন্যান্য কিছু কারণে আমরা চাই সুর্য থাকুক তার তেজ নিয়ে, যেমনটা তাকে মানায়।&lt;br /&gt;-  জাবেদ সুলতান পিয়াস&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-1332826182590693725?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/1332826182590693725/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/04/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1332826182590693725'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/1332826182590693725'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/04/blog-post_10.html' title='সুর্যের আবার কী হলো?'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-8523032600219890097</id><published>2008-04-10T15:22:00.000+06:00</published><updated>2008-10-21T17:05:52.088+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবিষ্কার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='যান্ত্রিক'/><title type='text'>স্টিলের মতো মজবুত কাগজ!</title><content type='html'>কাগজে লিখে রাখা নাম কালের আবর্তে মুছেই যায়। কিন্তু বিজ্ঞানীরা নতুন যে কাগজ তৈরি করেছেন, তা বোধহয় চিরকালই টিকে থাকবে। সুইডেনে প্রাকৃতিক সেলুলোজ ন্যানোফাইবার থেকে তৈরি ন্যানোপেপার নামের একটি কাগজ উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা স্টিলের মতোই মজবুত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টকহোমের সুইডিশ রয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী লারস বার্জল্যান্ড জানান, কাগজ তৈরির জন্য কাঠ থেকে মন্ড তৈরির সময় এর ভেতরের প্রাকৃতিক আঁশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। বার্জল্যান্ড এই আঁশগুলো অক্ষত অবস্থায় সংগ্রহ করার একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন। ন্যানোপেপারের শক্তির রহস্য হলো, এর সেলুলোজ ফাইবারগুলোর অক্ষত এবং নেটওয়ার্কের মতো সজ্জিত অবস্থায় থাকা। ফাইবারগুলো একটির সঙ্গে অন্যটির কঠিন বন্ধন তৈরি করে রাখলে কী হবে, যেকোনো চাপ বা টানের মতো বাইরের চাপে এগুলো একটি আরেকটির ভেতর দিয়ে পিছলে গিয়ে চাপ সহ্য করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রচলিত কাগজের আঁশের চেয়ে এই সেলুলোজ ফাইবার অনেক ছোট। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এর চাপ সইবার ক্ষমতা ২১৪ মেগাপ্যাসকেল, যা ঢালাই লোহার (১৩০ মেগাপ্যাসকেল) চেয়ে বেশি এবং ভবন ও সেতুতে ব্যবহূত ইস্পাতের (২৫০ মেগাপ্যাসকেল) কাছাকাছি। প্রচলিত কাগজের চাপ সইবার ক্ষমতা এক মেগাপ্যাসকেলেরও কম।&lt;br /&gt;খ্যাতনামা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক জুল ভার্নের ১৮৬৬ সালের উপন্যাস রোবার দ্য কংকারার-এ স্টিলের মতো শক্তিশালী কাগজের উল্লেখ ছিল। জুল ভার্নের উপন্যাসের অনেক ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে এটিও শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। বিজ্ঞানীরা ইস্পাতদৃঢ় এই কাগজকে নির্মাণকাজেও ব্যবহারের কথা ভাবছেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-8523032600219890097?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/8523032600219890097/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/04/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8523032600219890097'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8523032600219890097'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/04/blog-post.html' title='স্টিলের মতো মজবুত কাগজ!'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-5562772782842158052</id><published>2008-03-21T15:19:00.000+06:00</published><updated>2008-10-21T15:21:50.487+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কীট পতঙ্গ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রাণীবিদ্যা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উষ্ণায়ন'/><title type='text'>মৌমাছি কি বিলুপ্ত হয়ে যাবে?</title><content type='html'>মুশফিকুর রহমান&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সংবাদমাধ্যমে এখন অন্যতম আলোচিত বিষয় মৌমাছির বিলুপ্তি-আশঙ্কা!&lt;br /&gt;আমরা যখন পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করি, তখন একপশলা বৃষ্টিতে শহর ও লোকালয়গুলোর বসবাস অযোগ্য হয়ে ওঠা; বৃষ্টি বিলম্বিত হলে পরিষ্ককার পানির জন্য হাহাকার, বর্ষায় নর্দমা উপচে পথে এবং কখনো ঘরবাড়িতে উঠে আসা থেকে শুরু করে পাহাড়ধসে প্রাণহানি, নদীর দুই কুল উপচে ও পাড় ভেঙে মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপন্ন করা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস, সম্প্রতি অতি আলোচিত বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তার আশঙ্কায় বাংলাদেশের কতভাগ স্কীত সমুদ্রের জলে ডুবে যাবে পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুরবর্তী মনে হলেও বিশ্বজুড়ে জ্বালানির অব্যাহত ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং মানহীন জ্বালানি ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারে শহরাঞ্চলে বায়ুদুষণ, জীবনযাত্রা বিপন্ন হওয়ার বিষয়গুলো আমাদের অন্যতম আশঙ্কার উপাদান।&lt;br /&gt;পরিবেশের অন্য বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে, যেমন বন উজাড়, পানিদুষণ, প্রজাতি ও জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তি বা বিপন্নতার বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির অব্যাহত চাপে মানুষের দিশেহারা হওয়ার অবস্থা। বিষয়টি অবাক করার মতো শোনালেও সত্যি যে জ্বালানি ও খাদ্যসংকটের সম্পর্ক নিবিড়। আবার দুষণ হ্রাস, বিশ্বের উষ্ণায়ন থেকে খানিক প্রশাসনের তাগিদে যে পরিবেশবান্ধব বায়োফুয়েল উৎপাদনের বর্ধিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে খাদ্যসংকট ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে। আবার জ্বালানি ও জমি দুর্লভ হয়ে ওঠায় খাদ্যশস্যও দুর্লভ ও দুর্মুল্য হচ্ছে। এ দিক দিয়ে দেখলে পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ খাদ্য ও জ্বালানি উভয়কে ব্যয়বহুল করে তুলছে। আবার বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিবেশগত অভিঘাত এত প্রবল আশঙ্কার বিষয় হয়ে উঠেছে যে জীবাশ্ম জ্বালানির উত্তম বিকল্প অনুসন্ধান অবধারিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের হয়েছে ত্রিশঙ্কু অবস্থা। বেশি মানুষ আর স্বল্প সম্পদের মধ্যে দুর্বল ব্যবস্থাপনায় প্রতিমুহুর্তেই আমাদের টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হচ্ছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই পরিবেশের যে বিপর্যয় দেখা দিক আমাদের তাতে নিষ্ককৃতি নেই। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে মৌমাছিগুলো কেন দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে, তাও আমাদের ভাবনার বিষয় না হওয়ার সুযোগ নেই। কেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মৌমাছি আমাদের পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও তার বিকাশের অন্যতম প্রধান সহায়ক শক্তি। অন্তত এক লাখ ৩০ হাজার উদ্ভিদের পরাগায়ণ সরাসরি মৌমাছির ওপর নির্ভরশীল। একটি মৌচাকে যে মৌমাছি বাস করে, তার চারপাশে ৪০০ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে যত ফুল ফোটে, এক দিনে সেগুলোতে ঘুরে ঘুরে মধু সংগ্রহ ও পরাগায়ণ করতে সাহায্য করে ওইসব মৌমাছি। আমাদের চারপাশে যত ফুল ফোটে, ফল ধরে, শস্য, সবজি চাষ হয়, মৌমাছি সেসব ক্ষেত ও বাগানে না এলে কী হবে ভাবা যায়? যদি পরাগায়ণ বিঘ্নিত হয় তাহলে আমরাই কেবল ফল-মূল-শস্য থেকে বঞ্চিত হব তাই নয়, পুরো উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের খাদ্য ও জীবনচক্র হয়ে উঠবে বিপন্ন। মৌমাছি নিয়ে যাঁরা গবেষণা করছেন, তাঁরা তো আশঙ্কা করছেন−মৌমাছির বিলুপ্তিকে কয়েক বছরের মধ্যে অনুসরণ করবে মানুষ ও অন্যান্য প্রজাতি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মৌমাছি যে মধু সংগ্রহ ও উৎপাদন করে তা কেবল পুষ্টি ও ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ নয়; মৌমাছির খাবার ও শক্তি জোগান দেওয়ার উপাদানও বটে। সুতরাং মৌমাছি বিলুপ্ত হলে বা আশঙ্কাজনকভাবে এর সংখ্যা কমে গেলে আমাদের আশঙ্কিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এক বা একাধিক কারণে মৌমাছির সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মৌচাষি ও গবেষকদের অনেকেই কয়েক বছর ধরে লক্ষ করছেন মৌমাছির আশঙ্কাজনক হারে বিলুপ্তি। তাদের চোখে পড়েছে অত্যন্ত সংগত কারণেই অদ্ভুত ঘটনা−মৌচাক ছেড়ে উড়ে যাওয়া মৌমাছিগুলো অজানা কারণে ওই মৌচাকগুলোতে আর ফিরে আসছে না। সুযোগসন্ধানী অন্য মৌমাছির ঝাঁক সেগুলো সংগ্রহে উৎসাহ দেখাচ্ছে না। এতে মৌচাষিদের আশঙ্কা−হয়তো কোনো অজানা রোগ বা বিষক্রিয়া মৌমাছি ও তাদের সংগৃহীত মধু-মৌচাক আক্রান্ত করছে। এমন নয় যে মৌচাক ছেড়ে যাওয়া মৌমাছিগুলোর গণমৃত্য ও মৃতদেহ কোথাও ছড়িয়ে থাকা অবস্থায় কেউ খুঁজে পাচ্ছে। হয়তো মৌমাছির বিচরণ এলাকার বিস্তৃতি, ক্ষুদ্র ও দ্রুত ধ্বংস হওয়ার মতো দেহ এ ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গবেষকেরা লক্ষ করেছেন যে ১৯৭১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় অর্ধেক মৌচাক বিলুপ্ত হয়েছে। সাগর পাড়ি দিয়ে আমেরিকার মৌমাছিগুলো ইউরোপে তাদের সমস্যা ছড়িয়ে দিয়েছে এমন ধারণার কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু স্পেন, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া, পোল্যান্ড সুইজারল্যান্ড, ইতালি, গ্রিস, পর্তুগাল ও জার্মানিতে মৌমাছি ও মৌচাক বিলুপ্তির ব্যাপক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউরোপে ছড়িয়ে পড়া মৌমাছির এই আকস্িনক মড়ক কেবল মৌচাষিদের নয়, পরিবেশ ও কৃষি, জীববৈচিত্র্যের সংকট হিসেবেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;জার্মান বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদেরা মৌমাছিগুলোর এই ব্যাপক মড়ককে মধু উৎপাদন শিল্পের সঙ্গে এইডস মহামারির তুলনা করছেন। মৌচাক বিলুপ্তির এই ব্যাপক বিস্তৃতি-প্রবণতাকে নাম দেওয়া হয়েছে সিসিডি বা কলোনি কলাপস ডিসঅর্ডার। মৌমাছি ও মৌচাক বিলুপ্তির এই ছড়িয়ে পড়া আতঙ্কের কারণ অনুসন্ধানে নানামুখী গবেষণাও শুরু হয়েছে। এ জন্য শস্য ও কৃষি খাতে ব্যাপক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারকে কেউ কেউ দোষারোপ করছে। ২০০৪ সালে মৌচাষিদের দাবির মুখে ফ্রান্সে ‘ফিপ্রোনিল’ নামের এক ধরনের কীটনাশক নিষিদ্ধ করা হয়। যদিও উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এই কীটনাশকের সঙ্গে মৌমাছি ধ্বংসের সম্পর্ক অস্বীকার করেছে।&lt;br /&gt;বিভিন্ন অনুমানের মধ্যে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ফুডের (জিএম ফুড) বিস্তৃতিকেও অনেকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। আরও একধাপ এগিয়ে অনেক গবেষক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মোবাইল-টেলিফোন প্রযুক্তিকে সম্পর্কিত করছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় মোবাইল ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে মৌমাছির ব্যাপক মড়কের সঙ্গে সম্পর্কিত করা হচ্ছে। গবেষকদের একদল লক্ষ করেছে যে মোবাইল ফোনের টাওয়ারের আশপাশে মৌমাছি আসতে চায় না। ফিনল্যান্ডের সরকারি এক গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের ব্রেন টিউমার হওয়ার আশঙ্কা ৪০ শতাংশ বেশি বলে চিহ্নিত হয়েছে। মৌমাছি ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক মড়কের সঙ্গে এই গবেষণা ফলাফলকেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। যদিও মোবাইল ফোন কোম্পানি এ সম্পর্কিত গবেষণা ও বিজ্ঞানীদের আশঙ্কাকে অমূলক বলতেই পছন্দ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিখ্যাত লানডাও বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জোসেন কুন পরিচালিত গবেষণা অনুযায়ী মৌমাছি মোবাইল ফোন চালু রাখলে নিকটবর্তী মৌচাকে ফিরতে অপছন্দ করে বলে তথ্য দিয়েছেন। বিজ্ঞানীদের গবেষণার বর্তমান পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে দ্রুত মৌমাছি কেন বিলুপ্ত হচ্ছে তার স্পষ্ট উত্তর না পাওয়া গেলেও এ কথা নিশ্চিত যে মৌমাছি ও মৌচাক দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে। তা ছাড়া মৌমাছির এই মড়ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে দেশ থেকে দেশান্তরে। একক কোনো কারণ, নাকি অনেক কারণের মিলিত ফল হিসেবে এই মৌমাছির মড়ক, তা এক্ষনি বলা কঠিন। তবে কৃষিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহূত কীটনাশক, প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারের আধিক্য, মাইক্রোওয়েভ ও মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তৃতি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও কৃষি এবং বনায়নে মনোকালচার (একই গাছ বা ফসলের চাষ) এ জন্য দায়ী বলে অনুমান করা হচ্ছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান এখনো অনেক প্রশ্নেরই জবাব দিতে সমর্থ হয়নি। আবার প্রযুক্তির বিকাশ ও বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে অনেক নতুন সমস্যাও হাজির হচ্ছে। সে সমস্যাগুলো কেবল গবেষণাগার বা জ্ঞান জিজ্ঞাসার রহস্য নয়, এর সঙ্গে যুক্ত পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং সরাসরি আমাদের খাদ্য ও জীবনের নিরাপত্তা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুশফিকুর রহমান: খনিবিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ বিষয়ক লেখক।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-5562772782842158052?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/5562772782842158052/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5562772782842158052'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/5562772782842158052'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/10/blog-post.html' title='মৌমাছি কি বিলুপ্ত হয়ে যাবে?'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-8682430572751412540</id><published>2008-02-03T01:08:00.000+06:00</published><updated>2008-10-20T20:15:01.734+06:00</updated><title type='text'>কৃতজ্ঞতা</title><content type='html'>&lt;ul&gt;&lt;li&gt;আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আপনার প্রতি যিনি এই ব্লগটি পড়ছেন। আপনি বিজ্ঞানকে ভালবাসেন, বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে চান। নিশ্চয় সে কারণে আপনি কষ্ট করে, সময় নিয়ে এই ব্লগটি পাঠ করছেন। বিজ্ঞানের প্রতি আপনার আগ্রহ, উৎসাহকে আমি শ্রদ্ধা করি।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমি কৃতজ্ঞতা জানাই &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বাংলা হেল্প&lt;/span&gt; নামক ব্লগসাইটটির প্রতি। এই অতীব উপকারী ব্লগটির স্রষ্টাকে জানাই আমার অন্তরের গভীর থেকে লাখ লাখ শুকরিয়া। তার ব্লগটির দেখা না পেলে আমি অনলাইনে বাংলা লেখা এবং কম্পিউটারে বাংলা দেখা থেকে বঞ্চিত থেকে যেতাম।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমি কৃতজ্ঞ মোরশেদের লেখনী পরিবর্তক এর কাছে। এই পরিবর্তক না পেলে পত্রিকার লেখাগুলোকে ইউনিকোড ভার্সনে পরিবর্তন করতে পারতাম না।&lt;br /&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-8682430572751412540?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/8682430572751412540/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8682430572751412540'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/8682430572751412540'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/02/blog-post.html' title='কৃতজ্ঞতা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-8348091716768218609.post-3601861719178393422</id><published>2008-02-02T01:08:00.000+06:00</published><updated>2008-10-20T20:17:25.370+06:00</updated><title type='text'>ভূমিকা</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বিজ্ঞানব্লগের ভূমিকা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞান বিষয়ক আলোচনা ও খবরাখবর নিয়েই এই ব্লগ। আমি বিজ্ঞানী নই। কিন্তু বিজ্ঞানকে ভালোবাসি। তাই বিজ্ঞানের যে তথ্যগুলো বাংলাতে বিভিন্ন পত্রিকাতে বা ব্লগে প্রকাশিত হবে, সেগুলোকে নিয়েই আমার এই প্রচেষ্টা। বাংলাভাষায় বিজ্ঞান বিষয়ক তথ্যগুলোকে সবার কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য ব্লগিং করার কষ্টটুকু স্বীকার করছি। আশা করি আমার এই চেষ্টা আপনাদের কাছেও ভাল লাগবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/8348091716768218609-3601861719178393422?l=bigganblog.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bigganblog.blogspot.com/feeds/3601861719178393422/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/09/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/3601861719178393422'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/8348091716768218609/posts/default/3601861719178393422'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bigganblog.blogspot.com/2008/09/blog-post.html' title='ভূমিকা'/><author><name>pablo</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='33' height='26' src='http://bp2.blogger.com/_uq9J292axvc/R877-mfw-rI/AAAAAAAAADY/hCvfEGyucCA/S220/animals_704.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry></feed>
